প্রবেশগম্যতা সেটিংস

ছবি: স্ত্রিনশট, দ্য ডাইনেস্টি

লেখাপত্র

বিষয়

‘কিছু গল্প চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই সবচেয়ে ভালোভাবে তুলে ধরা যায়’: একটি অনুসন্ধানী তথ্যচিত্র তৈরির নেপথ্যের চিন্তা

আর্টিকেলটি পড়ুন এই ভাষায়:

চলতি বছরের শুরুতে যখন “দ্য ডাইনেস্টি”  মুক্তি পায়, তখন খুব কম মানুষই ধারণা করেছিলেন যে হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের পরিবারের ব্যবসায়িক লেনদেন নিয়ে তৈরি ৫৫ মিনিটের একটি অনুসন্ধানী চলচ্চিত্র লাখো দর্শকের কাছে পৌঁছাবে। বুদাপেস্টভিত্তিক বার্তাকক্ষ ডিরেক্ট৩৬ প্রযোজিত এই তথ্যচিত্রনির্ভর চলচ্চিত্রে দেখানো হয়েছে, কীভাবে প্রধানমন্ত্রীর জামাতা ইস্তভান টিবোর্‌চ ও তার ঘনিষ্ঠ অন্য সহযোগীরা সরকারি চুক্তি ও রাষ্ট্রসংশ্লিষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছে।

মুক্তির এক সপ্তাহের মধ্যেই চলচ্চিত্রটি ২৭ লাখের বেশি বার দেখা হয়, আর খুব অল্প সময়ে ৪০ লাখের কাছাকাছি পৌঁছে যায়—৯৫ লাখ জনসংখ্যার একটি দেশে যা বিশেষভাবে উল্লেখ করার মতো।

তবে এমন সাফল্যের নেপথ্যের গল্পটিও কিন্তু কোনো গুপ্ত তথ্য ফাঁসের চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। “দ্য ডাইনেস্টি”  দেখিয়েছে আকারে ছোট কিন্তু লক্ষ্যনির্ভর বার্তাকক্ষগুলো কীভাবে চলচ্চিত্রধর্মী গল্প বলার মাধ্যমে নিজেদের প্রচার বাড়াতে পারে। নতুন সমর্থকদের আকর্ষণ করতে পারে। ক্ষমতাসীনদের বয়ানকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে।

হাঙ্গেরির অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম ডিরেক্ট৩৬-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আন্দ্রাশ পেথো। তার সঙ্গে চলচ্চিত্রটি তৈরির প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য  শিক্ষানীয় বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেছেন ট্রানজিশনস-এর প্রধান সম্পাদক জেরেমি ড্রুকার।


জেরেমি ড্রুকার: তথ্যচিত্রনির্ভর এ চলচ্চিত্রটি যে এতটা সাড়া ফেলবেতা নিশ্চিয়ই আশা করেননি। এটি তৈরিতে বিপুল পরিশ্রম হয়েছে। পেছনে তাকিয়ে নিশ্চয়ই আপনি বলবেন, আপনার শ্রম সার্থক। তবে, শুরু করার আগে কি আপনার কোনো দ্বিধা ছিল? একটি ছোট স্বাধীন বার্তাকক্ষ হিসেবে আপনি কি ভাবছিলেনএটি করা আপনার পক্ষে আদৌ সম্ভব কি না, বা এর খরচ বহন করা যাবে কি না? নাকি ভবিষ্যতে এই পদ্ধতিটি আপনাদের জন্য কাজ করবে কি নাতা যাচাই করার একটি উপায় হিসেবে এই কাজটিকে আপনি একটি পরীক্ষা হিসেবেই নিয়েছিলেন?

আন্দ্রাশ পেথো: আমরা এমন বড় সাফল্যের কথা ভাবিনি। এক বছরেরও কম সময়ে প্রায় ৪০ লাখ ভিউ হবে—এটা আমরা জানতাম না। তবে আমরা অনুভব করেছিলাম, গল্পটি খুব শক্তিশালী। চলচ্চিত্রটি যখন ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছিল, তখন আমার আত্মবিশ্বাসও বাড়ছিল।

আমরা পেশাদার চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করছি। চলচ্চিত্রটি মুক্তির আগেই আমি খুব সন্তুষ্ট ছিলাম। আমি দর্শকদের কাছ থেকে দারুণ সাড়া পাওয়ার ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছিলাম। তাছাড়া, এটি ছিল আমাদের দ্বিতীয় দীর্ঘ ফরম্যাটের ডকুমেন্টারি।

আমরা প্রথম যেটি বানিয়েছিলাম, সেটি ছিল হাসপাতালের সংক্রমণ নিয়ে—একটি স্বাস্থ্য খাতভিত্তিক অনুসন্ধান। ইউটিউবে যেটির ভিউ প্রায় এক লাখ। হাঙ্গেরিয়ান একটি তথ্যচিত্রের জন্য যে অর্জনটা মন্দ নয়।

আমরা কয়েক বছর আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে দীর্ঘ ফরম্যাটের তথ্যচিত্র নিয়ে কাজ বাড়াব। এটি আমাদের জন্য উপযুক্ত মনে হয়েছিল। কারণ অন্য ফরম্যাটেও আমরা একইভাবে কাজ করি। আমরা মাসের পর মাস ধরে প্রকল্পের পেছনে সময় দেই। কখনো কখনো দীর্ঘ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করাই সবচেয়ে ভালো। কারণ কিছু গল্প চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই সবচেয়ে ভালোভাবে তুলে ধরা যায়।


জেডি: প্রকল্পটি পরিকল্পনা করার সময় আপনি কি সাংবাদিকতার দিকটাই ভাবছিলেন, নাকি বিজ্ঞাপন বা সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর মাধ্যমে আয়ের সম্ভাবনার কথাও বিবেচনায় ছিল? অর্থাৎ, সম্পাদকীয় লক্ষ্যটা কি ছিলসময়ের সঙ্গে সঙ্গে দর্শক বা পাঠকের সংখ্যা বৃদ্ধি? নাকি শুরু থেকেই এটিকে নতুন সমর্থকের কাছে পৌঁছানোর একটি উপায় হিসেবে দেখেছিলেন?

এপি: এটি একটি সাংবাদিকতাসুলভ পরিকল্পনা ছিল। আমরা ভাবতেও পারিনি যে এতটা সফল হবে। আমাদের সদস্য সংখ্যা ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দেবে। চলচ্চিত্রটি যখন মুক্তি পায়, তখন আমাদের কর্মসূচীর অধীনে প্রায় ৩ হাজার সক্রিয় সদস্য ছিলেন। চলচ্চিত্রটি মুক্তির মাত্র কয়েক মাস পর আমাদের সদস্য সংখ্যা সাড়ে ৪ হাজারে পৌঁছে যায়, যা সত্যিই দারুণ।

আমার মনে আছে, বছরখানেক আগে সহকর্মীদের সঙ্গে এক আলোচনায় বলেছিলাম গত ১০ বছরে আমরা প্রায় ৩ হাজার সদস্য সংগ্রহ করতে পেরেছি। যা অনেক পরিশ্রমের ও ধীর গতির প্রক্রিয়া। তাই আমরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম আগামী দুই বা তিন বছরের মধ্যে আমাদের সদস্য সংখ্যা ৫ হাজারে নিয়ে যাব। এরই মধ্যে আমরা সেই লক্ষ্য ছুঁতে পেরেছি। যার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে এই চলচ্চিত্রটি। সঙ্গে সরকারের নেওয়া কিছু পদক্ষেপ। তবে আমি মনে করি, মূল চালিকাশক্তি ছিল এই চলচ্চিত্রটিই।

যদি আপনার কাছে এমন একটি সফল পণ্য থাকে, তবে আপনি বুঝতে শুরু করবেন যে তা দিয়ে আয় করার সম্ভাবনাও রয়েছে। যা মূলত একটি টুল হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ। দর্শকের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ। আগে আমরা শহরের বাইরে গ্রামীণ এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বেশ সমস্যায় পড়তাম। আমরা অনুষ্ঠান আয়োজনের চেষ্টা করেছিলাম, যেগুলো কাজে লাগেনি। এখন আমাদের কাছে সত্যিই একটি ভালো পণ্য রয়েছে, যা আমরা তাদের সামনে তুলে ধরতে পারি। আমরা চলচ্চিত্রটি দেখানোর জন্য জাতীয় ট্যুর আয়োজন করেছি, এবং যেখানেই গিয়েছি, সেখানে মানুষের উপস্থিতি ও প্রতিক্রিয়া সত্যিই চমৎকার ছিল।


জেডি: এই তথ্যচিত্রের জন্য আপনি বাইরের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। ছোট আকারের বার্তাকক্ষের জন্য যা ভীষণ কঠিন মনে হতে পারে। চলচ্চিত্রটি খুবই পেশাদারত্ব নিয়ে তৈরিএর মধ্যে এনিমেশন এবং শক্তিশালী ভিজুয়াল ব্যবহার করা হয়েছে। আপনার কেন মনে হলো, প্রোডাকশন সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর হতাশ হওয়া উচিত নয়?

এপি: দেখুন, আমি চলচ্চিত্রের লোক নই। আমি যা বুঝি তা হচ্ছে—যদি আপনার কাছে একটি শক্তিশালী গল্প থাকে এবং আপনি আত্মবিশ্বাসী থাকেন যে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করতে পারবেন, সঠিকভাবে সাক্ষাৎকারগুলো নিতে পারবেন, এবং রিপোর্টিং করতে পারবেন, তবে সেটাই আপনার কাজ। পর্দায় এগুলো জীবন্ত করে তোলার দায়িত্ব অন্যের।

তবে অবশ্যই, আপনাকে সঠিক ব্যক্তিকে খুঁজে নিতে হবে। এমন একটি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে যেখানে মেনে নিবেন, অনেক কিছুই আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। অনেক কিছু কীভাবে করতে হবে, আপনি তা জানেন না। যেমন, আপনি জানেন না কিভাবে একটি চলচ্চিত্র তৈরি করতে হয়। চলচ্চিত্রের ভাষা আপনি জানেন না। এটি প্রতিবেদন তৈরির মতো নয়, ভিন্ন। পাশাপাশি চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও বুঝতে হবে, অনুসন্ধান কিভাবে করতে হয়। সেটা আপনি ভালো জানেন। নির্মাণ কাজ একটি যৌথ প্রয়াশ। তবে সম্পাদকীয় নিয়ন্ত্রণ কিন্তু আপনার হাতে। পুরো প্রক্রিয়াটি এক ধরনের ধারাবাহিক আলোচনার মতো। তাই সঠিক অংশীদার খুঁজে নেওয়াটা ভীষণ জরুরি।


জেডি: তথ্যচিত্রটি প্রায় এক ঘণ্টা দীর্ঘঅনেকের ধারণা, দর্শক অনলাইনে এতক্ষণ বসে থাকবে না। আপনি কীভাবে দৈর্ঘ্য ঠিক করলেন? শুরু থেকেই ঠিক করা ছিল, নাকি গল্পের খাতিরেই এতোটা সময় লেগেছে?

এপি: নিবন্ধ হোক বা চলচ্চিত্র—যতক্ষণ এটি দর্শকের মনোযোগ ধরে রাখতে পারে, ততক্ষণই ঠিক আছে। আমি জানি, সবাই পুরো চলচ্চিত্রটি দেখবেন না। যেমন সবাই কোনো লেখাতে ক্লিক করলেও পুরোটা পড়েন না। তবে চলচ্চিত্রটি যদি কাজের হয়, আমার মতে দৈর্ঘ্য নিয়ে কেউ তখন আর মাথা ঘামায় না।

জেডি: আপনি কি ইউটিউবের সঙ্গে অংশীদারত্ব করেছিলেন, বা কোনোভাবে সেখানে চলচ্চিত্র থেকে আয় করেছেন?

এপি: ইউটিউব থেকে আমরা বর্তমানে সরাসরি অর্থ আয় করি না। আমার ধারণা, যদি আপনি ইউটিউব থেকে সরাসরি অর্থ পেতে চান, তাহলে আপনাকে ইউটিউবের সঙ্গে অংশীদারত্ব করতে হবে। এর সঙ্গে কিছু শর্ত জড়িত থাকে। আমরা জানতাম না যে এটি এত বড় সাফল্য পাবে। তবে হ্যাঁ, এটি সম্ভব, এবং ভবিষ্যতে হয়তো আমরা তা করব। চলচ্চিত্রটি দেখার সময় অনেক বিজ্ঞাপন আসে। বর্তমানে আমরা সেই বিজ্ঞাপন থেকে কোনো সুবিধা পাই না। কিন্তু চলচ্চিত্রটি যে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, তা থেকে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি।

আন্দ্রাশ পেথো, ডিরেক্ট৩৬-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। ছবি: স্ক্রিনশট/ডিরেক্ট৩৬

জেডি: আপনাদের মতো এমন কিছু করার কথা ভাবছে—এমন ছোট বা স্বাধীন বার্তাকক্ষের জন্য আপনি কী পরামর্শ দিবেন?

এপি: আমার মনে হয় না এটিকে কোনো জাদুর কাঠি হিসেবে দেখা উচিত। এটি তেমন কিছু নয়। তবে এটা ঠিক যে আমাদের ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি কাজ করেছে। আমরা ভাগ্যবান ছিলাম। হাঙ্গেরির জনপরিসরে যখন সক্রিয় আলোচনা হচ্ছিল, ঠিক সে সময়ই চলচ্চিত্রটি প্রকাশিত হয়। উদাসীনতা কাটিয়ে মানুষজন জনজীবনে ব্যাপকভাবে সম্পৃক্ত হচ্ছিল; তারা এই ধরণের গল্পের জন্য ক্ষুধার্ত ছিল। আমরা সেদিক থেকে ভাগ্যবান ছিলাম।

আগের তথ্যচিত্রটি না বানালে আমরা সম্ভবত এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণে উৎসাহি হতাম না। আগেরটি খুব একটা সফলতার মুখ দেখেনি। কিন্তু কাজটি করতে গিয়ে আমরা শিখেছি। এইভাবে গল্প বলার সঙ্গে অভ্যস্ত হতে শুরু করেছি। এই চলচ্চিত্রটি কোনো পরীক্ষামূলক প্রকল্প ছিল না। গোটা প্রক্রিয়াটিই ছিল একটি পরীক্ষা। শেষ পর্যন্ত আমরা বুঝতে পেরেছি যে এই পদ্ধতিটি আমাদের জন্য বেশ মানানসই।

জেডি: মনে হচ্ছে সত্যিই আপনার মধ্যে গল্পটি ভিন্নভাবে বলার এক ধরণের সদিচ্ছা ছিল। চাঞ্চল্যকর কিছু নয়, আবার একঘেয়েও নয়। আপনি অনেক প্রাণবন্তভাবে কাজটি করেছেনঅ্যানিমেশন, বক্তাদের সাক্ষাৎকার এবং ছদ্মবেশে সাংবাদিকতার সমন্বয় ঘটিয়েছেন।গুরুত্বপূর্ণনয়— এমন কিছু ভেবে প্রচলিত সংবাদমাধ্যমগুলো হয়তো এই ধরনের পদ্ধতি এড়িয়ে চলত আপনি কি মনে করেন, গল্প বলার ধরন নিয়ে পরীক্ষা করার এই ইচ্ছাই তথ্যচিত্রটিকে সফল হতে সাহায্য করেছে?

এপি: আমার কাছে কাজটি বেশ পুরোনো ঘরানার। হতে পারে এটা প্রথম সারির তথ্যচিত্রের মতো অতটা ভাবগম্ভীর নয়, তবে এটি পূর্ব ইউরোপীয় টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মতো আড়ম্বর বা জাঁকজমকপূর্ণও  নয়। এটি এমন নয়। বরং বেশ সূক্ষ্ম ও মার্জিত ।

এই গল্পটি যদি কোনো নিবন্ধ বা প্রতিবেদন আকারে লেখা হতো, তবে পুরো ঘটনায় অরবানের ভূমিকা দেখানো কঠিন হয়ে যেতো। কারণ বাস্তবে, এই লেনদেনগুলোর কোনোটিতেই আপনি তার হাতের ছাপ খুঁজে পাবেন না। তার জামাতার ব্যবসায়িক লেনদেনে তিনি সরাসরি জড়িত—এমন কোনো বাহ্যিক প্রমাণ আপনার কাছে নেই। কিন্তু আমরা জানি এটা একটা ধ্রুব সত্য যে, তিনি এমন একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করেছেন যেখানে এই ধরণের ঘটনা ঘটানো সম্ভব। এই কথাগুলো আপনি একটি নিবন্ধে লিখতে পারতেন ঠিকই, কিন্তু আমার মনে হয় না তা খুব একটা নজর কাড়তে সক্ষম হতো।

কিন্তু নির্মাতাদের কাছে খুব চমৎকার সমাধান ছিল। যেখানে তারা তার কণ্ঠস্বর ব্যবহার করেছেন। আমাদের কাছে এমন ফুটেজ আছে যেখানে অরবানের কণ্ঠস্বর রয়েছে। যা ন্যায়সঙ্গত ও সাংবাদিকতার মানদণ্ড বজায় রাখে। অথবা চলচ্চিত্রের শেষের কথা ধরুন, যেখানে আমরা অরবানের বেশ কিছু বক্তব্য এবং মন্তব্যকে একত্রিত করেছি। যা তিনি বছরের পর বছর ধরে তার পরিবারের সদস্যদের ব্যবসার বিষয়ে বারবার জানতে চাওয়া প্রশ্নের উত্তর হিসেবে বলেছিলেন। তিনি সেখানে অবিরত বলে চলেছেন, ‘আমি এর সঙ্গে জড়িত নই। আমার এ বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।'”

কেবল লেখা আকারে তুলে ধরার মাধ্যমে যা পাওয়া যেত, এটি তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। চলচ্চিত্রে বিষয়বস্তু তুলে ধরার আরও অনেক উপায় থাকে। এখানে বিভিন্ন ধরনের টুল ব্যবহার করার সুযোগ থাকে।


সাক্ষাৎকারটি প্রথম প্রকাশিত হয় মধ্য পূর্ব ইউরোপীয় মিডিয়া উন্নয়ন সংস্থা ট্রানজিশনসএ। তাদের অনুমতি নিয়ে জিআইজিএন লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করেছে। মূল নিবন্ধটি পড়ুন এখানে।

 

 

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে আমাদের লেখা বিনামূল্যে অনলাইন বা প্রিন্টে প্রকাশযোগ্য

লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করুন


Material from GIJN’s website is generally available for republication under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International license. Images usually are published under a different license, so we advise you to use alternatives or contact us regarding permission. Here are our full terms for republication. You must credit the author, link to the original story, and name GIJN as the first publisher. For any queries or to send us a courtesy republication note, write to hello@gijn.org.

পরবর্তী

জলবায়ু

জলবায়ু অভিযোজন সম্পর্কিত ১০টি মিথ: সাংবাদিকদের যে বিষয়গুলো জানা জরুরি

বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি যদি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়ে যায়, তবে অভিযোজনের অনেক সীমাবদ্ধতা বা সীমা অতিক্রম হয়ে যাবে। এর সমাধানগুলো আরও ব্যয়বহুল, কম কার্যকর অথবা একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়বে।

অনুসন্ধান পদ্ধতি

যৌথ অনুসন্ধান—ভেস্তে যেতে পারে সামান্য একটি ইমেলের ভাষার কারণে এবং আরও যেসব শিক্ষা নেওয়া যেতে পারে

সম্প্রতি একটি অনুসন্ধানের মাঝপথে একজন অংশীদার প্রায় সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। একজন সহকর্মীর পাঠানো ইমেইলের অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিক ও “ব্যবসায়িক ধাঁচের” ভাষা তাকে বিরক্ত করে। সেই সময় অন্য একজন অংশীদার হস্তক্ষেপ না করলে তিনি প্রকল্প থেকে সরে যেতেন।

ডেটা সাংবাদিকতা

এআই খাতে ট্রিলিয়ন ডলার: রয়টার্স যেভাবে ভিজ্যুয়াল গল্পে এতো বড় ডেটা তুলে ধরেছে

সাংবাদিকরা যখন অর্থনৈতিক বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন লেখেন, তখন কিন্তু তারা ডেটার ঘাটতি নয় বরং বর্ণনার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়েন। আর তা হচ্ছে, যে মানুষটি কখনও এক ট্রিলিয়ন ডলার চোখে দেখেননি, তাকে কীভাবে বিপুল এই অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে ধারণা দেওয়া যায়?