বাস্তুচ্যুত ইরাকিদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন সিরীয় সাংবাদিক সেভিন ইব্রাহিম। ছবি: শাটারস্টক, সেবাস্তিয়ান ক্যাসটেলিয়ার
টিপশিট: সুশীল সমাজ ও এনজিওদের সঙ্গে সাংবাদিকদের অংশীদারত্ব গড়ে তোলা কেন জরুরী, কীভাবে গড়বেন
আর্টিকেলটি পড়ুন এই ভাষায়:
সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) বা সুশীল সমাজের সংগঠন, এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) সঙ্গে কাজ করলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। পাওয়া যায় স্পর্শকাতর বিভিন্ন তথ্যও। অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য এসব সংগঠন মূলত কাজ করে বার্তাকক্ষ ও বাস্তব দুনিয়ার মধ্যে একধরনের যোগসূত্র হিসেবে। যদিও কাজের স্বাধীনতা আর নৈতিক সীমারেখা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকাটাও জরুরি।
এসব সংগঠন প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। যেমন—মানবপাচারের শিকার হয়েছেন এমন ব্যক্তি, শরণার্থী বা অভিবাসী শ্রমিক। এসব মানুষদের কাছে পৌঁছানো, এমনকি তাদের আস্থা অর্জন করে খোলামেলা কথা বলার পরিবেশ তৈরি করাও সাংবাদিকদের জন্য অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
শুরু করবেন যেভাবে
- ধীরে ধীরে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলুন। কোনো প্রতিষ্ঠানের আয়োজন করা অনুষ্ঠান ও আলোচনায় অংশ নিন। তাদের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে প্রতিষ্ঠানের অগ্রাধিকারগুলো বোঝার চেষ্টা করুন এবং বিশ্বাসযোগ্য অংশীদারদের শনাক্ত করুন। সাংবাদিক ও সিভিল সোসাইটি সংগঠনগুলোর মধ্যে আস্থা গড়ে তুলতে একটি কিংবা দুটি বৈঠক যথেষ্ট নয়। নিয়মিত উপস্থিতি এবং কোনো একটি বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ সাংবাদিকদের এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সঙ্গে আরও দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- শুরুতেই সবার ভূমিকা স্পষ্ট করুন। সাংবাদিকদের আগে থেকেই নির্ধারণ করতে হবে, তারা কী ধরনের সহযোগিতা চান—তথ্য আদান-প্রদান, মাঠপর্যায়ে সমন্বয়, নাকি ডেটাতে প্রবেশাধিকার। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এই বিষয়ে একমত। অনেক সময় প্রতিষ্ঠানগুলো সাংবাদিকদের কী ধরনের তথ্য প্রয়োজন, তা ঠিকভাবে বুঝতে পারে না এবং অপ্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে। তাই সাংবাদিকদের উচিত, নিজেদের আগের কাজের উদাহরণ দিয়ে কাজের ধরন ব্যাখ্যা করা। এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা সহজ হয়।
দেশের সংস্কৃতি ও প্রেক্ষাপট অনুসারে কিছু প্রতিষ্ঠান প্রকাশের আগে প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার অনুরোধ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের স্পষ্ট করে জানানো উচিত প্রকাশের আগে প্রতিবেদন দেখানো তাদের বার্তাকক্ষের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং সাংবাদিকতার নৈতিকতার পরিপন্থী। তবে কিছু সংস্কৃতিতে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করার জন্য সূত্রকে তাদের উদ্ধৃত বক্তব্য পড়ে শোনানো বা যাচাই করার সুযোগ দেওয়াকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- স্বাধীনভাবে তথ্য যাচাই করুন। সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) এবং নন-গভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশন বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) থেকে পাওয়া তথ্য বা দাবিকে সব সময় সরকারি কর্মকর্তা, গবেষক বা শিক্ষাবিদ এবং ঘটনাস্থলের পর্যবেক্ষণের মতো অন্যান্য উৎসের মাধ্যমে মিলিয়ে দেখুন। সাংবাদিকদের জানা দরকার, প্রতিটি ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য কী। একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অভিজ্ঞতা যেন সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়—এমনকি তা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলেও।
- যোগাযোগের ধারাবাহিকতা ধরে রাখুন। প্রতিবেদন প্রকাশের পরও নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক সাংবাদিকদের নতুন বিষয় সম্পর্কে অবগত থাকতে এবং সম্ভাব্য নতুন অনুসন্ধানের সূত্র খুঁজে পেতে সহায়তা করে। পাশাপাশি সিভিল সোসাইটি এবং নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার পর কী হচ্ছে, সে সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ রাখার একটি কার্যকর উপায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্ত থাকা।
- সম্পাদকের সঙ্গে স্বচ্ছতা বজায় রাখুন। সাংবাদিকদের উচিত এনজিও বা সিএসওর সঙ্গে তাদের সব ধরনের যোগাযোগ সম্পর্কে বার্তাকক্ষকে অবহিত করা, যাতে স্বার্থের সংঘাত এড়ানো যায়। এ ধরনের আলোচনায় সাধারণত প্রতিবেদন তৈরির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়—যেমন, প্রতিবেদনটি লেখা আকারে, নাকি ভিডিও কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রকাশিত হবে। কোন কোন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হবে। কাজের সময়সীমা কী। এবং প্রতিবেদনের বিভিন্ন ধাপে উভয় পক্ষ কী ধরনের সহায়তা করতে পারবে বা পারবে না। এই ধরনের স্বচ্ছতা ভুল–বোঝাবুঝি এড়াতে সহায়তা করে এবং উভয় পক্ষকে সহযোগিতার গণ্ডি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়। বিশেষ করে, সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যে সাংবাদিকেরই থাকবে, সেটি স্পষ্ট করে। কোনো সাংবাদিক যদি কোনো অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে কাজ করেন এবং সেই প্রতিষ্ঠান তার আংশিক বা পুরো ব্যয় বহন করে, তাহলে সেই তথ্য প্রতিবেদনেই উল্লেখ করা উচিত, যাতে পাঠক বা দর্শক বিষয়টি জানতে পারেন। কাজের সময় কোনো জটিল বা কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হলে সাংবাদিকের উচিত তার সম্পাদকের সঙ্গে পরামর্শ করা।
যেসব বিষয় এড়িয়ে চলবেন
- অবস্থানগত পক্ষপাত এড়িয়ে চলুন। অনেক এনজিও নির্দিষ্ট নীতিগত অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। তাই তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন থাকুন। যেন তা সাংবাদিকের প্রতিবেদনের দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রভাবিত করতে না পারে। অন্য যেকোনো তথ্যসূত্রের ক্ষেত্রেও যেমন হয়, সাংবাদিকদের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হয়; তবে একই সঙ্গে প্রতিবেদক ও অধিকারকর্মীর ভূমিকার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট সীমারেখা বজায় রাখাও জরুরি।
- একটি মাত্র উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করবেন না। একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করলে সাংবাদিকের দৃষ্টিভঙ্গি সীমিত হয়ে যেতে পারে এবং প্রতিবেদনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। সম্ভব হলে একাধিক সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) বা নন-গভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশন (এনজিও)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এতে সাংবাদিক একটি বিষয় সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ও সমন্বিত তথ্য পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
- অধিকারকর্মী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠার ধারণা এড়িয়ে চলুন। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সঙ্গে অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়া থেকে বিরত থাকুন। সাংবাদিকের বিশ্বাসযোগ্যতা, পেশাগত স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পেশাগত দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি।
- তথ্যের সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন থাকুন। সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশন (সিএসও) বা নন-গভর্নমেন্টাল অর্গানাইজেশন (এনজিও)-এর তথ্য সব সময় পূর্ণাঙ্গ বা হালনাগাদ নাও হতে পারে। তাই এসব তথ্যকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে নয়, বরং অনুসন্ধানের সূচনা হিসেবে বিবেচনা করুন। পাশাপাশি, সরকারি তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রেও সিভিল সোসাইটি সংগঠনগুলো সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করতে পারে, কারণ তারা প্রায়ই সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে।
- জনসাধারণের প্রতি স্বচ্ছ থাকুন। যেখানে প্রাসঙ্গিক, সেখানে তথ্যের উৎস সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন। তবে এ ক্ষেত্রে সম্পাদকীয় স্বাধীনতা এবং তথ্যসূত্রের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন।
- প্রতিষ্ঠান সম্পর্কেও খোঁজখবর নিন। যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম বা যাদের সহায়তা করার কথা, সেই ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কোনো অভিযোগ রয়েছে কি না, তা যাচাই করুন। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ও আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত অনেক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
বিভিন্ন কেস স্টাডি
স্ক্যামড, এনস্লেভড, অ্যারেস্টেড: দ্য ট্রিপল ট্র্যাজেডি অব থাইল্যান্ডস সাইবার স্ক্যাম ভিকটিমস এই গাইড আর প্রতিবেদনটি যিনি লিখেছেন, তিনি ইমানুয়েল ফাউন্ডেশনের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বেঁচে ফেরা ভুক্তভোগী এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ পান। একই সঙ্গে এই অভিজ্ঞতা সিভিল সোসাইটি সংগঠনগুলোর বক্তব্যের পাশাপাশি রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গিকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। লেখক ওই ফাউন্ডেশনের সভাপতির কাজ ও ভূমিকা নিবিড়ভাবে অনুসরণ করেন এবং তার মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি সরাসরি প্রতিবেদনের বর্ণনায় অন্তর্ভুক্ত করেন।
- দে ওয়ার ট্র্যাফিকড ফর দেয়ার ব্যাংক অ্যাকাউন্টস। অ্যান্ড দেয়ার ফেসেস
গাইডটির লেখক তথ্য পাওয়ার লক্ষ্যে মানবপাচারবিরোধী সংগঠনের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং ঘনিষ্টতা বজায় রাখেন। এভাবেই পরের বছর এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়। প্রতিবেদনের বেশির ভাগ তথ্যই এসেছে লেখকের করা স্বাধীন অনুসন্ধান থেকে। কারণ এই সময়ে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে আরও গভীর ধারণা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলেন। তবু প্রতিবেদন তৈরির পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে তিনি মানবপাচারবিরোধী সংগঠনটির সঙ্গে তথ্য বিনিময়, পরামর্শ গ্রহণ এবং সমন্বয় অব্যাহত রেখেছিলেন।
হাউ আ হ্যাশট্যাগ মেড মিয়ানমার মাইগ্র্যান্টস দ্য এনিমি আগের প্রতিবেদনগুলোর তুলনায়, এই প্রতিবেদনে কোনো একক সিভিল সোসাইটি সংগঠনের ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নির্ভর করা হয়নি। বরং অভিবাসন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কাজ করা একাধিক সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনের (সিএসও) সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। তাদের মতামত ও তথ্য নেওয়া হয়েছে। যাতে বিষয়টি আরও গভীরভাবে বোঝা যায়। এই প্রতিবেদনটি আংশিকভাবে সম্ভব হয়েছিল, কারণ সিভিল সোসাইটির বিভিন্ন সংগঠন লেখকের ওপর আস্থা রেখে তুলনামূলকভাবে স্পর্শকাতর তথ্য তার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিল। থাইল্যান্ডে অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে টানা দুই থেকে তিন বছর ধারাবাহিকভাবে প্রতিবেদন করার মাধ্যমে এই আস্থা গড়ে ওঠে। এই সময়ের মধ্যে অনেক সংগঠনই লেখকের আগের কাজের সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠেছিল।
- ইজিপ্ট র্যাম্পস আপ সুদান রিফিউজি ডিপোর্টেশনস উইথ লিটল ইউএনএইচসিআর পুশব্যাক এই প্রতিবেদনে দ্য নিউ হিউম্যানিটারিয়ান এক বছরেরও বেশি সময় ধরে রিফিউজি প্ল্যাটফর্ম ইন ইজিপ্ট–এর সঙ্গে কাজ করেছে। তাদের যৌথ অনুসন্ধানে উঠে আসে, “মিসরের সরকার গোপন আটককেন্দ্রের একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সুদানি শরণার্থীদের যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটের মুখে ফিরিয়ে দিচ্ছিল।“ তাদের অনুসন্ধানে ইউএনএইচসিআর–এর “সীমিত ও নীরব প্রতিক্রিয়ার“ সমালোচনা করা হয়।
- আনকাভারিং সিরিয়াস স্টোলেন চিলড্রেন বিবিসি, দ্য অবজারভার, ডের স্পিগেল, লাইটহাউস রিপোর্টস, সিরাজ এবং উইমেন হু ওন দ্য ওয়ার–এর সাংবাদিকরা বিশ্বব্যাপী শিশু-কল্যাণবিষয়ক দাতব্য সংস্থাগুলোর ৫৪ জন অভ্যন্তরীণ সূত্রের সঙ্গে কথা বলেন। এর মাধ্যমে তারা প্রকাশ করেন, আসাদ সরকার কীভাবে রাজনৈতিক বন্দিদের পরিবার থেকে শত শত সিরীয় শিশুকে অপহরণ করেছিল।
অতিরিক্ত তথ্যসূত্র
সাংবাদিকতা ও সিভিল সোসাইটির মধ্যে পারস্পরিক উপকারী সম্পর্ক গড়ে তোলার নির্দেশিকা, ২০২৫। লেখক: মারিয়া পাউলা মার্তিনেস কনচা। সহযোগিতায় ছিলেন রিকার্দো কোররেদর কুরে, পাবলো বানোস, জোনাতান রদ্রিগেস এবং ফ্লোরেনসিয়া তুচিন। সেপের ইউনিয়ানদেস / ফুন্দাসিওন আভিনা / ইনকনটেক্সট নিউজ এজেন্সি / পুলিৎজার সেন্টার।

নাথাফব সুংকাতে থাইল্যান্ডের একজন স্বাধীন সাংবাদিক। তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় অভিবাসন, আদিবাসীদের অধিকার এবং সাইবার প্রতারণা ওপর প্রতিবেদন তৈরি করেন। কোনো বিষয় গভীরভাবে অনুসন্ধান করার জন্য তিনি প্রায়ই সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেন।