প্রবেশগম্যতা সেটিংস

Photo: Pixabay / NjoyHarmony

লেখাপত্র

নারী সাংবাদিকদের জন্য নতুন রিসোর্স

English

ছবি: পিক্সাবে/এনজয় হারমনি

নারী অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা গোটা বিশ্বেই বড় বড় খবর জন্ম দিচ্ছেন। কিন্তু এখনো অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় নারীদের সংখ্যা কম। বিশেষ করে পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায়।

আমরা পরিসংখ্যান দেখেছি, টুইটার থ্রেড পড়েছি এবং আমাদের বৈশ্বিক সম্মেলনে আসা অনেক নারীর সাথে কথা বলে জেনেছি: নারী সাংবাদিকরা বার্তাকক্ষের ভেতরে বা বাইরে যে ধরণের বাধার মুখে পড়েন তা অনেক সময় জেন্ডার-ভিত্তিক, আর তাদের সমস্যাগুলোকে সমাধান করার মত নেটওয়ার্কের সংখ্যা বা সম্পদের পরিমাণও অপর্যাপ্ত।

কিন্তু নারী অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য রিসোর্স পেইজ তৈরি করতে গিয়ে, অসংখ্য নেটওয়ার্ক এবং রিসোর্সের সন্ধান পেয়ে, আমরা রীতিমত অবাক হয়েছি। আমাদের সংকলন করা এই রিসোর্স মূলত নারী সাংবাদিকদের জন্য। কিন্তু অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সাথে সংশ্লিষ্ট নারী সাংবাদিকরাও এখান থেকে উপকৃত হবেন।

#মিটু আন্দোলনের প্রভাবে বিভিন্ন খাতের প্রতিষ্ঠানে এখন নারীদের প্রতি সহিংসতা, হয়রানি এবং বৈষম্যের দিকে গভীর মনোযোগের সাথে নজর দিতে শুরু করেছে। এর হাত ধরে যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, ক্যামেরুন, ফ্রান্স এবং জাপানসহ অনেক দেশেই নারী সাংবাদিকদের সংগঠন ও নেটওয়ার্ক আত্মপ্রকাশ করেছে। এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে সামনে রেখে আমরা বৈশ্বিক রিসোর্সের এই বিশদ তালিকা প্রকাশ করছি। আমাদের আশা, ওয়াচডগ সাংবাদিকতা চালিয়ে যেতে, বিশ্বের নারী অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের যে ধরণের সহায়তা প্রয়োজন, তা খুঁজে পেতে সাহায্য করবে এই রিসোর্স।

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে আমাদের লেখা বিনামূল্যে অনলাইন বা প্রিন্টে প্রকাশযোগ্য

লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করুন


Material from GIJN’s website is generally available for republication under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International license. Images usually are published under a different license, so we advise you to use alternatives or contact us regarding permission. Here are our full terms for republication. You must credit the author, link to the original story, and name GIJN as the first publisher. For any queries or to send us a courtesy republication note, write to hello@gijn.org.

পরবর্তী

পরামর্শ ও টুল

কীটনাশকের সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক নিয়ে অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক সাংবাদিকদের জন্য কিছু পরামর্শ

রোগ এবং কীটনাশকের সংস্পর্শের মধ্যে বৈজ্ঞানিকভাবে সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণ করা কঠিন হলেও, স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিবেদনে চারপাশের শক্তিশালী প্রমাণ পাঠকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। পশ্চিমের অনেক দেশে এ বিষয়ে অনুসন্ধান করার জন্য অনলাইনে প্রচুর তথ্য পাওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রেই এসব তথ্য পেতে সরকারি নথি চেয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন করারও প্রয়োজন হয় না।

কেস স্টাডি

জীবন নাকি মৃত্যু: ক্যানসার চিকিৎসার জটিল হিসাব-নিকাশ নিয়ে আইসিআইজের অনুসন্ধান

এক বছর ধরে পরিচালিত এই অনুসন্ধানে ৩৭টি দেশের ১২৪ জন সাংবাদিক অংশ নেন। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কের কিট্রুডার মূল্য নির্ধারণ ও পেটেন্ট কৌশল ওষুধটির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে জীবনরক্ষাকারী এই চিকিৎসা অনেক রোগীর নাগালের বাইরেই থেকে যাচ্ছে।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

সংবাদ লেখা হয়, কিন্তু ক্ষত রয়ে যায়: সংঘাত-সহিংসতা নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকরা নীরবে ভোগেন মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে

২০১৭ সালে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের শুরুর দিনগুলোতে, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক রেদওয়ান আহমেদ একদল শরণার্থীর জানাজায় অংশ নেন। যারা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসার সময় বঙ্গোপসাগরে ডুবে মারা যায়। নিহতদের বেশিরভাগই ছিলেন নারী ও শিশু। দাফনের সময় তিনি এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন, মিয়ানমারের সহিংসতায় এক ছেলেকে হারানোর পর যার পরিবারের বাকি সদস্যরাও গভীর সমুদ্রে বিলীন হয়ে গেছেন।

প্রতিবেদন প্রকাশ

রয়টার্স ইনস্টিটিউটের ডিজিটাল নিউজ রিপোর্ট: সামাজিক মাধ্যম-ভিডিও নির্মাতা-এআই চ্যাটবটের উত্থান, অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও আস্থার পতন

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে  সংবাদমাধ্যমের অস্থির পরিবেশের তথ্য। একই সঙ্গে সংবাদ ঘিরে ক্রমশ আগ্রহ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। গণমাধ্যমের সততা ও নির্ভুলতার প্রতিও আস্থা কমছে। তবে পাঠকেরা এখনো সংবাদের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতাকে মৌলিক মূল্যবোধ হিসেবেই উল্লেখ করছেন। তারা মনে করেন, এটি সমাজের জন্য অপরিহার্য।