প্রবেশগম্যতা সেটিংস

লেখাপত্র

তথ্য অধিকার আইন দিয়ে রান্না শেখা!

English

৫০ বছরের বেশী সময় ধরে ‘সুস্বাদু’ একটি ডকুমেন্ট গোপন করে রেখেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। নথিটির শিরোনাম, “শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর পাচকদের জন্য নির্দেশিকা।” ১৯৪৮ সালে সোভিয়েত বাহিনীর বাবুর্চিরা এই ম্যানুয়াল অনুসরণ করে রান্না করতেন। রুশ ভাষা থেকে ইংরেজীতে অনুবাদ করে দলিলটি গোপনীয় সিল মেরে তালাবন্ধ করে রাখে সিআইএ। এই বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা প্রতিষ্ঠান মাকরক। জিআইজেএনের এই সদস্য, সরকারের গোপন নথি খুঁজে বের করায় দারুন পারদর্শী। তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে তারা সিআইএর ডিক্লাসিফাইড আর্কাইভ থেকে কিছু দলিল সংগ্রহ করেন। সেখানেই রান্নার নির্দেশিকাটি পাওয়া যায়। এই ‍কুকবুকে, সেনাবাহিনীর বাবুর্চিদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে বিশদ বিবরণ আছে। আর আছে প্রায় এক ডজন রেসিপি – বিশেষ করে নানা রকমের ‘বোর্শট’ (এক ধরণের স্যুপ) রান্নার পদ্ধতি।

রুশ বাহিনীর রন্ধনশৈলী নিয়ে বইটি কেন গোপান রাখা হয়েছিল; ১৯৫৬ সালে, অর্থ্যাৎ প্রকাশের আট বছর পরে সেটি কেন ইংরেজীতে অনুবাদ করতে হলো – এমন প্রশ্নের কোনো উত্তর মেলেনি। কারণ, এসব প্রশ্নের উত্তর যেখানে থাকে, দলিলের সেই কভারশীট এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

পিডিএফে পুরোটা পড়তে ছবিতে ক্লিক করুন

কিন্তু তাতে দমে যায়নি মাকরক। তারা বোর্শট স্যুপের একটি রেসিপি প্রকাশ করে এবং পাঠকদেরকে সেটি রান্নার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়। পাঠকদের মধ্যে থেকে ডেভিড এবং শ্যানন পেরি এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। তারা স্যুপ শুধু রান্নাই করেননি, তাদের অভিজ্ঞতা সরাসরি টুইটারেও তুলে ধরেন।

.

রুশ বাহিনীর রন্ধনশৈলী সম্পর্কে আরো জানতে চাইলে পড়তে পারেন মাকরকের কুকিং উইথ ফোয়া সিরিজ থেকে।

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে আমাদের লেখা বিনামূল্যে অনলাইন বা প্রিন্টে প্রকাশযোগ্য

লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করুন


Material from GIJN’s website is generally available for republication under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International license. Images usually are published under a different license, so we advise you to use alternatives or contact us regarding permission. Here are our full terms for republication. You must credit the author, link to the original story, and name GIJN as the first publisher. For any queries or to send us a courtesy republication note, write to hello@gijn.org.

পরবর্তী

পরামর্শ ও টুল

কীটনাশকের সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক নিয়ে অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক সাংবাদিকদের জন্য কিছু পরামর্শ

রোগ এবং কীটনাশকের সংস্পর্শের মধ্যে বৈজ্ঞানিকভাবে সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণ করা কঠিন হলেও, স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতিবেদনে চারপাশের শক্তিশালী প্রমাণ পাঠকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠে। পশ্চিমের অনেক দেশে এ বিষয়ে অনুসন্ধান করার জন্য অনলাইনে প্রচুর তথ্য পাওয়া যায়। অনেক ক্ষেত্রেই এসব তথ্য পেতে সরকারি নথি চেয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদন করারও প্রয়োজন হয় না।

কেস স্টাডি

জীবন নাকি মৃত্যু: ক্যানসার চিকিৎসার জটিল হিসাব-নিকাশ নিয়ে আইসিআইজের অনুসন্ধান

এক বছর ধরে পরিচালিত এই অনুসন্ধানে ৩৭টি দেশের ১২৪ জন সাংবাদিক অংশ নেন। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কের কিট্রুডার মূল্য নির্ধারণ ও পেটেন্ট কৌশল ওষুধটির দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে জীবনরক্ষাকারী এই চিকিৎসা অনেক রোগীর নাগালের বাইরেই থেকে যাচ্ছে।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

সংবাদ লেখা হয়, কিন্তু ক্ষত রয়ে যায়: সংঘাত-সহিংসতা নিয়ে কাজ করা সাংবাদিকরা নীরবে ভোগেন মানসিক স্বাস্থ্য সংকটে

২০১৭ সালে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকটের শুরুর দিনগুলোতে, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক রেদওয়ান আহমেদ একদল শরণার্থীর জানাজায় অংশ নেন। যারা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসার সময় বঙ্গোপসাগরে ডুবে মারা যায়। নিহতদের বেশিরভাগই ছিলেন নারী ও শিশু। দাফনের সময় তিনি এমন এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেন, মিয়ানমারের সহিংসতায় এক ছেলেকে হারানোর পর যার পরিবারের বাকি সদস্যরাও গভীর সমুদ্রে বিলীন হয়ে গেছেন।

প্রতিবেদন প্রকাশ

রয়টার্স ইনস্টিটিউটের ডিজিটাল নিউজ রিপোর্ট: সামাজিক মাধ্যম-ভিডিও নির্মাতা-এআই চ্যাটবটের উত্থান, অন্যদিকে সংবাদ মাধ্যমের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও আস্থার পতন

প্রতিবেদনে উঠে এসেছে  সংবাদমাধ্যমের অস্থির পরিবেশের তথ্য। একই সঙ্গে সংবাদ ঘিরে ক্রমশ আগ্রহ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। গণমাধ্যমের সততা ও নির্ভুলতার প্রতিও আস্থা কমছে। তবে পাঠকেরা এখনো সংবাদের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতাকে মৌলিক মূল্যবোধ হিসেবেই উল্লেখ করছেন। তারা মনে করেন, এটি সমাজের জন্য অপরিহার্য।