প্রবেশগম্যতা সেটিংস

লেখাপত্র

অনলাইনে হয়রানি থেকে যেভাবে নিজেদের রক্ষা করবেন সাংবাদিকরা

English

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, প্রযুক্তির কারণে অনলাইনে সাংবাদিক হয়রানি দিনে দিনে সহজ হয়ে উঠছে। এর উদ্দেশ্য হলো, যারা সত্য বলেন তাদের মুখ বন্ধ করা বা ভয় দেখানো। এই হামলা চলতে পারে ক্রমাগত, আর এমন প্রবণতাও বাড়ছে খুব দ্রুত। অপমানের এই ধারা থামানো না গেলে, তা একজন সাংবাদিকের মানসিক স্বাস্থ্য ও সুনাম – দুটোর জন্যই হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অনলাইনের এই “কীট” দমন করতে সাংবাদিক, লেখক ও গণমাধ্যমের জন্য “অনলাইন পেস্ট কন্ট্রোল” ইনফোগ্রাফিক তৈরি করেছে ট্রলবাস্টার্স। একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য বা আপত্তিকর ছবি অনলাইনে ছেড়ে দেওয়াসহ নানা ধরনের সাইবার অপরাধ কীভাবে মোকাবেলা করবেন তা ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এখানে। প্রকাশ্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, দুইধরনের হুমকির জন্যেই রয়েছে আলাদা পরামর্শ। অনলাইন হয়রানির শিকার হওয়ার আগেই আত্মরক্ষার ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসহ একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্য সুরক্ষা কোর্সও তৈরি করেছে ট্রলবাস্টার্স।

আপনি চাইলে সেই ইনফোগ্রাফিকের ট্যাবলয়েড বা মোবাইল সংস্করণ ডাউনলোড করতে পারেন। এটি হিন্দি, রুশ, স্প্যানিশতুর্কী ভাষায় পাওয়া যাচ্ছে।

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে আমাদের লেখা বিনামূল্যে অনলাইন বা প্রিন্টে প্রকাশযোগ্য

লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করুন


Material from GIJN’s website is generally available for republication under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International license. Images usually are published under a different license, so we advise you to use alternatives or contact us regarding permission. Here are our full terms for republication. You must credit the author, link to the original story, and name GIJN as the first publisher. For any queries or to send us a courtesy republication note, write to hello@gijn.org.

পরবর্তী

অনুসন্ধান পদ্ধতি

বড় অনুসন্ধান চালাতে পারেন মানচিত্র ও ডেটা ব্যবহার করে: ব্রাজিলের এই উদাহরণটি হতে পারে শিক্ষনীয়

ধনী এলাকার তুলনায় দরিদ্র এলাকাগুলো কেমন? এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর কোনো একক তালিকা থেকে পাওয়া যায় না। তবে  একটি পদ্ধতি আছে, যার মাধ্যমে এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার জন্য প্রয়োজনীয় ডেটাবেস ও মানচিত্র তৈরি করা যায়।

সাংবাদিককে ১০ প্রশ্ন

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কী কেবল সংখ্যার হিসাব-নিকাশ, না আরও কিছু: অভিজ্ঞতা থেকে যা বলেছেন এই নারী সাংবাদিক

অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে সবসময় তথ্য-উপাত্তকেই পথপ্রদর্শক হিসেবে মানতে হবে, ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, এমন কোনো তথ্য কখনো প্রকাশ করবেন না, যা প্রমাণ করতে পারবেন না। একজন সাংবাদিকের বিশ্বাসযোগ্যতা গড়ে ওঠে তার তথ্য যাচাইয়ের মানের ওপর।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

সশস্ত্র গোষ্ঠী নিয়ন্ত্রিত বা সংঘাতপূর্ণ এলাকায় অনুসন্ধান করবেন কীভাবে, কী বলছেন মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার সাংবাদিকরা 

সংঘাতপূর্ণ এলাকায় কেবল আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির (অ্যাক্রেডিটেশন) মাধ্যমেই প্রবেশাধিকার পাওয়া যায় না। বরং স্থানীয়দের আস্থা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং জনগোষ্ঠীর মনোভাব ও গতিবিধি সম্পর্কে বোঝাপড়ার মাধ্যমেই তা নিশ্চিত করতে হয়। সংবাদমাধ্যমের পরিচয়পত্র বা প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থনের চেয়েও অনেক সময় এই বিষয়গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বণ্টন ও প্রচার

প্রতিবেদনের প্রভাব গণমাধ্যমের ওপর পাঠকের আস্থা বাড়িয়ে দেয়: প্রভাব তৈরির সেই কৌশল বলেছেন ‘ইমপ্যাক্ট জার্নালিজম গাইডের’ দুই লেখক 

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমই এখন ‘ইমপ্যাক্ট স্ট্র্যাটেজি’ বা ‘প্রভাব তৈরির কৌশল’ বাস্তবায়ন শুরু করেছে। কিন্তু তারা কীভাবে আরও ভালো করতে পারে, এর লক্ষ্য কী হওয়া উচিত? অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম ডিসক্লোজ এবং স্বাধীন সংবাদমাধ্যম রেমবোবিন ‘দ্য গাইড টু ইমপ্যাক্ট জার্নালিজম’ প্রকাশ করেছে। এখানে আছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইমপ্যাক্ট জার্নালিজমের সেরা কিছু অনুশীলন।