অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সপ্তাহের (আইজে উইক) পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ—থাকছে ১৩০-এর বেশি বক্তা, ৫০টির বেশি প্যানেল
আর্টিকেলটি পড়ুন এই ভাষায়:
জিআইজেএনের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সপ্তাহ (আইজে উইক) শুরু হতে আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ সময় বাকি। এরই মধ্যে আয়োজনটির পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়েছে। আইজে উইকের বিভিন্ন সেশনে নেতৃত্ব দেবেন ৬৫টি দেশের ১৩০-এর বেশি বক্তা। যাদের মধ্যে রয়েছেন খ্যাতিমান সাংবাদিক, ডেটা বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা। ১৩টি বিষয়ভিত্তিক বিভাগে আয়োজিত হবে ৫০টির বেশি প্যানেল, কর্মশালা ও নেটওয়ার্কিং সেশন।
পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচিতে থাকছে একাধিক এডিটর’স ক্লিনিক। এসব সেশনে অংশগ্রহণকারীরা অভিজ্ঞ সম্পাদকের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলার সুযোগ পাবেন। যেখানে তারা প্রতিবেদনের প্রস্তাবনা দেওয়া বা সেটি নিয়ে কাজ করতে পারবেন। কিংবা কেবল পেশা বিষয়ক পরামর্শও নিতে পারবেন। অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছেন, এমন সম্পাদকদের মধ্যে রয়েছেন: ড্যানিয়েল হাওডেন (লাইটহাউস রিপোর্টস), ওয়াহিউ ধ্যাতমিক (টেম্পো), রানা সাব্বাঘ, ইদেস ডেব্রুইনে (জার্নালিজমফান্ড ইউরোপ), দেবোরা ভটকেন (ভিভিওজে), ইমানুয়েল ডগবেভি (নিউজ ব্রিজ আফ্রিকা), পল রাদু (ওসিসিআরপি), মার্থা মেন্ডোজা (ফ্রন্টলাইন) এবং আরও অনেকে।
অংশগ্রহণকারীরা নেটওয়ার্কিং সেশনে একই ধরনের কাজ করে এমন সাংবাদিকদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। এসব সেশন সাংবাদিকতার নির্দিষ্ট বিষয় অথবা নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা হবে।
আইজে উইকের পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি দেখুন। নিচে বিষয়ভিত্তিক কয়েকটি বিভাগের নির্বাচিত সেশনগুলো তুলে ধরা হলো।
ডেটা বিভাগ
থাকবেন সিগমা অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীরা

ডেটা শুধু প্রতিবেদন বিশ্লেষণেই সহায়তা করে না, পাঠকের সামনে তথ্যকে দৃশ্যমানভাবে উপস্থাপন ও ব্যাখ্যা করতেও সাহায্য করে। এর ফলে অনেক সময় বিষয়গুলো বোঝাও সহজ হয়। আইজে উইকে সিগমা অ্যাওয়ার্ডের বিজয়ীদের নিয়ে একাধিক সেশন থাকবে। এসব সেশনে তারা অনুসন্ধানী কাজে কার্যকরভাবে এআই ব্যবহার, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা উন্মোচন এবং সাপ্লাই চেইন ও পরিবেশের অবক্ষয় নিয়ে অনুসন্ধানে স্যাটেলাইট ও বাণিজ্য-সংক্রান্ত ডেটা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন।
এসব প্যানেল আলোচনায় ফার্নান্দা আগুইরের মতো বক্তারা থাকবেন। অলাভজনক বার্তাকক্ষ দ্য এক্সামিনেশনের এই ডেটা সাংবাদিক ও রিপোর্টার অনুসন্ধান করে দেখিয়েছেন, আফ্রিকায় পুনর্ব্যবহারের জন্য মার্কিন গাড়ি শিল্পের রপ্তানি করা পুরোনো গাড়ির ব্যাটারি কীভাবে আশপাশের জনগোষ্ঠীর সিসার সংস্পর্শে আসার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। আরেকটি প্যানেলে থাকবেন এআরআইজের মুনির আল খতিব। সুদান-মিশর সীমান্তে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রগুলো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা অভিবাসীদের ওপর কীভাবে নির্যাতন ও শোষণ চালায়, তার নেতৃত্বে সাংবাদিকদের একটি দল তা অনুসন্ধান করেছে। ইউক্রেনের স্বাধীন ডেটা সাংবাদিকতা সংস্থা টেক্সটির অনুসন্ধান বিভাগের প্রধান ইন্না গাদজিনস্কা অন্যান্য পদ্ধতির পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা করবেন। এর মাধ্যমে তিনি তুলে ধরবেন, রাশিয়ার স্বেচ্ছাসেবী পুনর্বাসনের আওতায় ইউক্রেনীয় শিশুদের কীভাবে জোরপূর্বক দত্তক নিতে বাধ্য করা হয়েছিল।
প্রযুক্তি বিভাগ
প্রযুক্তি নিয়ে অনুসন্ধান
গেইগার ফ্রান্সিসকা স্কোকনিকের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেবেন স্বাধীন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা উদ্যোগ অল প্রোটোকলের আতান্দিওয়ে সাবা, ব্রাজিলের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সংস্থা আগেন্সিয়া পাবলিকার নাতালিয়া ভিয়ানা এবং অনুসন্ধানী বার্তাকক্ষ লাইটহাউস রিপোর্টসের গ্যাব্রিয়েল। বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড কীভাবে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান ও উন্মোচন করতে পারেন, তা নিয়ে কথা বলবেন। এই আলোচনায় প্রযুক্তি ব্যবহারের মানবিক ও পরিবেশগত মূল্য কী এবং প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহির আওতায় রাখতে আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
মানবাধিকার বিভাগ
অভিবাসন ও স্থানচ্যুত মানুষ নিয়ে অনুসন্ধান

বিপুলসংখ্যক মানুষের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর এবং অভিবাসন সংক্রান্ত কঠোর নীতিমালা এমন সব জরুরি পরিস্থিতির জন্ম দেয়, যেগুলোর জন্য বিশেষ ধরনের অনুসন্ধানী পদ্ধতি প্রয়োজন। এই সেশনে অংশগ্রহণকারীরা অভিবাসী পাচার, সীমান্তে আইন প্রয়োগ, আটককেন্দ্র এবং অভিবাসন নীতি নিয়ে অনুসন্ধানের বিভিন্ন কৌশল শিখবেন।
এই প্যানেলে যুক্ত হবেন মিশর, ভারত, কোস্টা রিকা ও বলিভিয়ার বক্তারা। তিনটি মহাদেশের সাংবাদিকদের কাছ থেকে অংশগ্রহণকারীরা শিখবেন স্থানচ্যুতি, আশ্রয়লাভের প্রক্রিয়া এবং মানব পাচার চক্র নিয়ে প্রতিবেদন তৈরির সময় অভিবাসীদের কীভাবে তথ্যের উৎস বা সোর্স হিসেবে নিরাপদ ও নৈতিকভাবে কাজে লাগাবেন। একইসঙ্গে যোগাযোগের নিরাপদ পদ্ধতি গড়ে তুলবেন এবং সাংবাদিক ও সোর্সের মধ্যে যথাযথ পেশাগত দূরত্ব বজায় রাখবেন।
মিশরীয় সাংবাদিক সামেহ এল্লাবুদি তুলে ধরবেন নিজের অভিজ্ঞতা। অভিবাসন, দুর্নীতি ও অঙ্গপাচার নিয়ে প্রতিবেদন করে তিনি একাধিক পুরস্কার জিতেছেন। প্যানেলের আরেকজন বক্তা রনি রোহাস। তিনি বর্তমানে টেলিভিশন নেটওয়ার্ক নোটিসিয়াস তেলেমুন্দোতে কাজ করছেন এবং যুক্তরাষ্ট্র ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন বার্তাকক্ষের সঙ্গে জটিল আন্তঃসীমান্ত যৌথ প্রকল্পে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ভারতের ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক পারি সাইকিয়াও প্যানেলে যুক্ত হবেন। তিনি ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, নেপাল, ইতালি, জার্মানি ও পর্তুগাল থেকে মানবপাচার, জোরপূর্বক অভিবাসন, শরণার্থী, দাসত্ব, শ্রমিক অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিবেদন করেছেন।
অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ও নতুন মডেল
অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অর্থায়ন: এখন কোন উদ্যোগগুলো কার্যকর?

গত কয়েক বছরে গণমাধ্যমের অর্থায়নের চিত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এই বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্যেও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য অর্থ সংগ্রহ এবং রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে কোন উদ্যোগগুলো কার্যকর, আর কোনগুলো কার্যকর নয়—সাংবাদিকরা তা এখনও শিখছেন।
এই সেশনে বিশেষজ্ঞ বক্তাদের সঙ্গে আলোচনাটি সঞ্চালনা করবেন গ্লোবাল ফোরাম ফর মিডিয়া ডেভেলপমেন্টের (জিএফএমডি) মিলা মিলোসেভিচ। তিনি ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে অর্থ সংগ্রহের কাজে অভিজ্ঞ ব্রিজেট গ্যালাঘারের সঙ্গে আলোচনা করবেন। আলোচনায় আরও থাকবেন টাও-নাইট সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক জিনা চুয়া। তিনি সাংবাদিকতা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) পারস্পরিক সংযোগ নিয়ে কাজ করেন। আরো থাকবেন সু ভ্যালেন্টাইন—তিনি আন্তর্জাতিক জনহিতকর কার্যক্রম, গণমাধ্যম উন্নয়ন ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন স্বাধীন গণমাধ্যম পরামর্শক।
সাধারণ বিভাগ
গ্যারান্স বার্কের সঙ্গে কথোপকথন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে জবাবদিহিমূলক সাংবাদিকতা কেমন হওয়া উচিত, তা গড়ে তুলতে গ্যারান্স বার্কের মতো খুব কম সাংবাদিকই এতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সান ফ্রান্সিসকোভিত্তিক অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বৈশ্বিক অনুসন্ধানী সাংবাদিক বার্ক তার কর্মজীবনজুড়ে প্রযুক্তি ও ক্ষমতার পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রটিতে কাজ করে আসছেন। এই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন বিভাগে ২০২৬ সালের পুলিৎজার পুরস্কার এবং এপি/ফ্রন্টলাইন ও পিবিএসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত তথ্যচিত্রের জন্য ডকুমেন্টারি বিভাগে এমি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন।
দ্রুত পরিবর্তনশীল ও স্বচ্ছতার অভাব থাকা প্রযুক্তি নিয়ে কীভাবে অনুসন্ধান করা যায় এবং সরকার ও প্রযুক্তি কোম্পানি উভয়কেই জবাবদিহির আওতায় আনতে কী প্রয়োজন, বার্কের সঙ্গে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
পরিবেশ বিভাগ
চরম তাপ নিয়ে অনুসন্ধান

বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর চরম তাপের কারণে প্রায় ৫ লাখ মানুষ মারা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ আরও তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় এই সংখ্যা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই প্যানেলে সাংবাদিকরা চরম তাপ নিয়ে অনুসন্ধানের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন। এর মধ্যে রয়েছে তাপের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত সমস্যা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর প্রভাব, অর্থনীতি ও কৃষিতে এর প্রভাব, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে এর প্রভাব, বিদ্যুৎ ও পানির বাড়তি চাহিদার কারণে অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং চরম তাপের ঝুঁকির ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের ওপর প্রভাবের পার্থক্য।
এই প্যানেলের বক্তাদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক ঐশ্বর্য মোহান্তি। তিনি তার পেশাজীবন জুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন ভারতের মূল ভূখণ্ডের মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলেছে, তা নিয়ে প্রতিবেদন করে আসছেন। এছাড়া রয়েছেন সাপ্তাহিক নিউজলেটার কনসেনসোর সম্পাদক ম্যাক্সিমিলিয়ানো মানজোনি, যিনি কাজ করেন জলবায়ু ন্যায়বিচার ও ভুল তথ্য নিয়ে। অংশ নিবেন কেনিয়ার ক্যাস মিডিয়া গ্রুপের পরিবেশবিষয়ক ডেস্কের প্রধান চেমতাই কিরুই। সেশনটি সঞ্চালনা করবেন অলাভজনক সংস্থা হেরার চরম তাপবিষয়ক সম্পাদক লরি গোয়েরিং।
এই প্যানেলের বক্তাদের মধ্যে রয়েছেন ভারতের পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক ঐশ্বর্য মোহান্তি, যিনি তার পুরো ক্যারিয়ারে জলবায়ু পরিবর্তন ভারতের মূল ভূখণ্ডের মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলেছে, তা নিয়ে প্রতিবেদন করে আসছেন। আরও থাকবেন সাপ্তাহিক নিউজলেটার কনসেনসোর সম্পাদক ম্যাক্সিমিলিয়ানো মানজোনি, যার কাজের মূল বিষয় জলবায়ু ন্যায়বিচার ও ভুল তথ্য; এবং কেনিয়ার ক্যাস মিডিয়া গ্রুপের পরিবেশবিষয়ক ডেস্কের প্রধান চেমতাই কিরুই। সেশনটি সঞ্চালনা করবেন অলাভজনক সংস্থা হেরার চরম তাপবিষয়ক সম্পাদক লরি গোয়েরিং।
আঞ্চলিক প্যানেল (বিভিন্ন সময় অঞ্চলে অনুষ্ঠিত হবে)
- পরিবেশবিষয়ক অনুসন্ধান পরিচালনার সরঞ্জাম ও কৌশল: লাতিন আমেরিকার অভিজ্ঞতা
- যুদ্ধাপরাধ নিয়ে অনুসন্ধান (বিভিন্ন অঞ্চলের অভিজ্ঞতা)
- আফ্রিকা থেকে বিশ্বে: আফ্রিকার গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের আহরণ ও রপ্তানি নিয়ে অনুসন্ধান
- আঞ্চলিক পর্যালোচনা: আজারবাইজান, বেলারুশ ও কিরগিজস্তান—চ্যালেঞ্জ ও সাংবাদিকদের অনুসন্ধান
- মানবপাচার নিয়ে অনুসন্ধান—এশিয়া ও এর বৈশ্বিক যোগসূত্র
আইজে উইকে ডেটা ও প্রতিবেদন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আরও বেশ কিছু হাতে-কলমে, ব্যবহারিক সেশনও থাকবে।
- কোডিংয়ের মানসিকতা: সাফল্যের জন্য আপনার চিন্তাধারাকে কীভাবে নতুনভাবে সাজাবেন
- ডেটানির্ভর অনুসন্ধানের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিচিতি
- ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে অনুসন্ধান পরিচালনা
- নিজের অনুসন্ধানী প্রবৃত্তিকে অন্যের হাতে তুলে দেবেন না: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে প্রয়োজনীয় প্রচলিত গবেষণার দক্ষতা
- শব্দ বা অডিওকে অনুসন্ধানের প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার: শব্দ কীভাবে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ধরন বদলে দিচ্ছে?
- কিউজিআইএস ব্যবহার করে ম্যাপিং বিশ্লেষণ
- ওপেন সোর্স গবেষণা: অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য কৌশল ও পদ্ধতি