প্রবেশগম্যতা সেটিংস

Illustration: Marcelle Luow for GIJN

রিসোর্স

» গাইড

বিষয়

ভূমিকা: আরব উপসাগরীয় অঞ্চলে অভিবাসন নিয়ে রিপোর্টিংয়ের জিআইজেএন গাইড

আর্টিকেলটি পড়ুন এই ভাষায়:

ভূমিকা

উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল (জিসিসি) নামে পরিচিত রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোটের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক ছয়টি দেশ : সৌদি আরব, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন এবং ওমানে ২৩ মিলিয়নের বেশি অভিবাসী শ্রমিক কাজ করছেন। এই শ্রমিকেরা সাধারণত ব্যাপক নিপীড়নের শিকার হন, যার মূলে রয়েছে কাফালা স্পন্সরশিপ (এই আইনি কাঠামোর মাধ্যমেই অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের নিয়োগকর্তার মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ হয়) নামের একটি আইনি ব্যবস্থা। দুর্ভাগ্যজনক হলেও এর কারণেই চুক্তিভঙ্গ, বিপজ্জনক কর্মপরিবেশ এবং অসাধু পাচারকারী ও নিয়োগকর্তাদের শিকার হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। স্থানীয় হোক বা আন্তর্জাতিককোনো ধরনের গণমাধ্যমই এই অঞ্চলে মানব পাচার ও বলপূর্বক শ্রম নিয়োজনের বিষয়টি খুব একটা কাভার করে না। এর পেছনে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং আটক বা দেশত্যাগের হুমকির মতো কারণ কাজ করে। 

এমন বাস্তবতায় মাইগ্র্যান্টস-রাইটস ডট অর্গ-এর সহযোগিতায় এবং চলমান কোভিড-১৯ মহামারির পটভূমিতে সাংবাদিকতার উত্তম চর্চা, দরকারি টুল ও দেশভিত্তিক রিসোর্স সমৃদ্ধ এই বহুভাষিক গাইড হালনাগাদ করেছে জিআইজেএন। 

ইলাস্ট্রেশন করেছেন মার্সেল লো, প্রজেক্ট ম্যানেজার ছিলেন মাজদোলিন হাসান, সম্পাদনা করেছেন রিড রিচার্ডসন। 

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে আমাদের লেখা বিনামূল্যে অনলাইন বা প্রিন্টে প্রকাশযোগ্য

লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করুন


Material from GIJN’s website is generally available for republication under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International license. Images usually are published under a different license, so we advise you to use alternatives or contact us regarding permission. Here are our full terms for republication. You must credit the author, link to the original story, and name GIJN as the first publisher. For any queries or to send us a courtesy republication note, write to hello@gijn.org.

পরবর্তী

পরামর্শ ও টুল মানবপাচার

মানব পাচার অনুসন্ধানে নিরাপদ থাকার সেরা চর্চা

বিশ্বজুড়ে প্রায়ই মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকে বিভিন্ন সংঘবদ্ধ অপরাধী গোষ্ঠী। ফলে এ নিয়ে অনুসন্ধানের কাজটি বেশ ঝুঁকিপূর্ণও বটে। মানব পাচার নিয়ে কাজের সময় সাংবাদিকেরা কীভাবে নিজেদের ও সোর্সদের নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে পারেন তা নিয়ে উপকারী কিছু পরামর্শ দিয়েছেন অভিজ্ঞ দুই সাংবাদিক অ্যানি কেলি ও ইয়ান আরবিনা।

ডেটা সাংবাদিকতা

ডেটা স্টোরিটেলারদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ: যেভাবে ভিজ্যুয়ালাইজেশনে একে অন্যকে সহায়তা করছে

বার্তাকক্ষ, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে—তারা ডেটা রিপোর্টিং বা ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের কাজ করতেন। পরস্পরের মতামত বিনিময়, প্রশ্ন করা, কিংবা কাজ করতে গিয়ে একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন—এমন সহকর্মীদের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার মতো কোনো নিদিষ্ট প্লাটফর্ম তাদের ছিল না। সাদামাঠা সেই আলাপ থেকেই শুরু।

বণ্টন ও প্রচার

মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত স্ক্রল করা পাঠকদের জন্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদন উপস্থাপন কৌশল

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সময়সাপেক্ষ। প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে মাসের পর মাস নথিপত্র পর্যালোচনা, সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং তথ্য যাচাই করতে হয়। কিন্তু মানুষ যেভাবে সংবাদ খুঁজে পায় এবং পড়ে, তা অধিকাংশ সংবাদকক্ষের প্রত্যাশার চেয়েও অনেক দ্রুত বদলে গেছে। এখন সংবাদ মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ফিডে, মোবাইল ফোনে, খণ্ড খণ্ডভাবে এবং অন্যান্য ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকেই পড়া হয়।

পরামর্শ ও টুল

অনুসন্ধানী পডকাস্ট সম্পাদনা করবেন কীভাবে- বিশেষজ্ঞরা দিয়েছেন সেই পরামর্শ

যেসব ঘটনা লিখিত প্রতিবেদনের জন্য ‘পুরোনো’ বা ‘সময়োত্তীর্ণ’ বলে মনে হতে পারে, সেগুলো পডকাস্টের জন্য বরং বাড়তি সুবিধা। প্রচলিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সাম্প্রতিক ঘটনাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও, অতীতের কোনো ঘটনা বা একটি ঘটনার শুরু নিয়ে করা অনুসন্ধানগুলো পডকাস্টের জন্য বেশ উপযোগী।