ছবি: জিআইজেএন
রিপোর্টারদের মাঠে নামতে হবে, জুতার তলা ক্ষয় করতে হবে: সাক্ষাৎকারে ভারতের অনুসন্ধানী সাংবাদিক
আর্টিকেলটি পড়ুন এই ভাষায়:
সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের ফাঁকে রিতু সারিনের সাক্ষাৎকার নেওয়া সহজ নয়। আর তিনি যখন বার্তাকক্ষে ব্যস্ত থাকেন, তখন তো প্রায় অসম্ভব। ভারতের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় চার দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচিত নাম সারিন। তিনি একজন পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিক। যার কাজের মূল ক্ষেত্র অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, দুর্নীতি ও অর্থপাচার। ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিভিত্তিক সাংবাদিক সারিন দৈনিক পত্রিকা দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর বার্তা ও অনুসন্ধান বিভাগের নির্বাহী সম্পাদক। পত্রিকাটির স্লোগান—“সাহসী সাংবাদিকতা।”
১৯৮২ সালে ম্যাগাজিনের রিপোর্টার হিসেবে সারিন তার সাংবাদিকতার পথচলা শুরু করেন। ভারত তখন ক্রমশ জরুরি অবস্থা (দ্য ইমার্জেন্সি) থেকে বেরিয়ে আসছে। দুই বছরের ওই অস্থির সময়ে সংবাদমাধ্যমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। খর্ব করা হয় নাগরিক স্বাধীনতা। ততদিনে রিপোর্টাররা আবারও নিজেদের জায়গা খুঁজে পাচ্ছিলেন। ভারতের বিভিন্ন প্রেস ক্লাবে চায়ের কাপের আড্ডায় বসে ১৯৮০-এর দশকের সাংবাদিকতায় অংশ নেওয়া ও তা প্রত্যক্ষ করা সাংবাদিকরা আজও সেই সময়কে স্মরণ করেন। তখন মাঠে নেমে জুতার তলা ক্ষয় করে তথ্য সংগ্রহই ছিল মূল ভরসা। আর সম্পাদকরাও ছিলেন আপসহীন। ঠিক এই পরিবেশেই সারিন তার কর্মজীবন শুরু করেন।
দুটি ভিন্ন ম্যাগাজিনে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের পর তিনি দ্য পাইওনিয়ারে যোগ দেন। যা ভারতের প্রাচীনতম ইংরেজি ভাষার দৈনিকগুলোর একটি। এরপর ১৯৯৬ সালে যোগ দেন ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে, যেখানে তিনি এখনো কাজ করে যাচ্ছেন।
১৯৯৯ সাল থেকে ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস (আইসিআইজে)-এর সদস্য সারিন একাধিক বৈশ্বিক সহযোগিতামূলক অনুসন্ধানী প্রকল্পে কাজ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে অফশোর লিকস, সুইস লিকস, পুলিৎজার পুরস্কারপ্রাপ্ত পানামা পেপারস, প্যারাডাইস পেপারস, ইমপ্ল্যান্ট ফাইলস এবং ফিনসেন ফাইলস। তিনি আইসিআইজের নেটওয়ার্ক কমিটির একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও। এই সদস্যনির্ভর কমিটি বৈশ্বিক সাংবাদিক নেটওয়ার্ককে প্রতিবেদন তৈরির পদ্ধতি ও সহযোগিতার বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়। ২০২৩ সালে তিনি আইসিআইজের বোর্ডে যোগ দেন।
২০২৫ সালের নভেম্বরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত ১৪তম গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম কনফারেন্সে বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন তিনি। পরবর্তীতে জিআইজেএনের সঙ্গে নিজের অনুসন্ধানী কাজ নিয়ে কথা বলেন ও অনুসন্ধান পরিচালনার বিষয়ে পরামর্শ দেন। লেখার ভঙ্গি ঠিক রাখতে সাক্ষাৎকারটি সামান্য সম্পাদনা করা হয়েছে।
জিআইজেএন: নিজের অনুসন্ধানী কাজের মধ্যে কোনটি আপনার সবচেয়ে প্রিয় ও কেন?
রিতু সারিন: চার দশকের বেশি সময়ের কাজ থেকে একটি বেছে নেওয়া কঠিন, তাই কয়েকটি প্রতিবেদনের কথা বলতে পারি। দিল্লি রেকর্ডার– যে ম্যাগাজিন দিয়ে আমার সাংবাদিকতা শুরু, সেখানে দ্য স্মাগলিং অব সেক্স শিরোনামের একটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছিলাম। ওই প্রতিবেদনে অনুসন্ধান করা হয়েছিল, কীভাবে বাংলাদেশি মেয়েদের ভারতের সীমান্তে “বিক্রি” করা হচ্ছিল এবং তাদের অনেকেই কীভাবে পতিতালয়ে গিয়ে পৌঁছাত। সানডে ম্যাগাজিনের জন্য ১৯৮৪ সালের ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করতে আমি প্রথমবার দিল্লির বাইরে উড়োজাহাজে চড়ে একটি অ্যাসাইনমেন্টে যাই। বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়া এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের মধ্যে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে কতজন শিশু জন্ম দিচ্ছেন, তা জানতে আমি সরকারি হাসপাতালগুলোর লেবার রুমের বাইরে দাঁড়িয়ে প্রতিবেদন করেছি।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে আমি প্রায় তিন দশক ধরে কাজ করছি। সেখানকার কাজগুলোর মধ্য থেকেও একটিকে বেছে নেওয়া কঠিন। গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে একাধিক বড় অনুসন্ধান আছে। ২০১১ সালে একটি অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল ভারতের তৎকালীন অর্থমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা একটি চিঠিকে কেন্দ্র করে। যেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে তার অফিসে গোপন শ্রবণযন্ত্র বসানো হয়েছে। সরকারি সিক্রেটস অ্যাক্টের আওতায় অভিন্ন “প্রমাণ” ব্যবহার করে একের পর এক ভুয়া মামলা নথিভুক্ত করার ঘটনা নিয়েও একটি অনুসন্ধানী সিরিজ করেছিলাম। সাম্প্রতিক সময়ে, ২০২৩ সালে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে শীর্ষ আমলাদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে একটি প্রতিবেদন করি। আর ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে আমি একাধিক রাজ্যে ভ্রমণ করি তথাকথিত “মিউল অ্যাকাউন্ট হোল্ডার”-দের খুঁজে বের করতে। যাদের ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে সাইবার হামলা ও ডিজিটাল অ্যারেস্ট জালিয়াতির মাধ্যমে চুরি করা বিপুল অঙ্কের অর্থ রাখা হয়েছিল।
জিআইজেএন: আপনার দেশে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলো কী?
আরএস: ভারতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য বিষয়বস্তুর অভাব নেই। তবে চ্যালেঞ্জও আছে। এর একটি হলো সোর্স, হুইসেলব্লোয়ার, শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসীন দলের সদস্যদের কাছে পৌঁছানোর সুযোগগুলো ধীরে ধীরে কমে আসা। আরেকটি সমস্যা হলো সামাজিক মাধ্যমে যাচাইহীন, অনেক সময় ভুল খবরের বিস্তার—যা মূলধারার, ঐতিহ্যবাহী গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য অন্য বড় চ্যালেঞ্জটি হলো এআইয়ের আগমন এবং ভুয়া ডেটা ও নথির ফাঁদে পড়ার গোপন ঝুঁকি—যেগুলোর সত্যতা যাচাই করা দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠছে।
উপরের সবকিছুই আমাদের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ। কঠিন হয়ে ওঠা কাজের পরিবেশের এই সীমাবদ্ধতাগুলো পুষিয়ে নিতে রিপোর্টারদের আবার মাঠে নামতে হবে—‘জুতার তলা ক্ষয় করা’ সাংবাদিকতায় ফিরতে হবে। সরাসরি ঘটনাস্থল থেকে আরও বেশি রিপোর্টিং করতে হবে। এতে করে দ্বিতীয় পক্ষের সোর্স থেকে পাওয়া ডেটা ও নথির ওপর নির্ভরশীলতা কমানো সম্ভব হবে। আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো পাঠক ও দর্শকদের সম্পৃক্ততা কমে যাওয়া। অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য এটি বিশেষভাবে হতাশাজনক, কারণ একটি গল্পের পেছনে তাদের সপ্তাহের পর সপ্তাহ, এমনকি মাসের পর মাস সময় দিতে হয়।
জিআইজেএন: সাক্ষাৎকার বিষয়ক আপনার সেরা পরামর্শটি কী?
আরএস: সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় জিজ্ঞাসাবাদের চেয়ে কথোপকথনধর্মী ভঙ্গি আমি বেশি পছন্দ করি। ১৯৮৭ সালে ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি জৈল সিংয়ের একান্ত সাক্ষাৎকারের কথা আমার মনে আছে। কথাবার্তার এক পর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন যে তৎকালীন রাজীব গান্ধী সরকারের পতন ঘটানোর জন্য বিরোধী দল তাকে বিপুল অঙ্কের অর্থ প্রস্তাব দিয়েছিল। তিনি যখন এই কথা বলেন, তখন আমি চেষ্টা করি নির্বিকার থাকতে। আমি যদি বিস্ময় প্রকাশ করতাম, তাহলে হয়তো তিনি ওই অংশটি অব-দ্য-রেকর্ড রাখতে বলতেন। ওই সাক্ষাৎকারটি ব্যাপক আলোড়ন তোলে।
এখান থেকে যে শিক্ষাটি আমি নিয়েছি, তা হলো—যখন আপনি কোনো বড় স্কুপ পান, তখনও নির্বিকার থাকার ভান করুন। যার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তাকে সতর্ক করে দেবেন না। আরেকটি পরামর্শ হলো—ভালোভাবে গবেষণা করা প্রশ্নের পাশাপাশি সম্ভাব্য উত্তরগুলো আগেই ভেবে রাখুন এবং সম্পূরক প্রশ্নের জন্য প্রস্তুত থাকুন। পাশাপাশি ডেটা ও নথি কাছে রাখুন, যার সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তাকে দেখানোর জন্য—শেয়ার করার জন্য নয়। একবার তিনি বা তারা যদি বুঝতে পারলে যে আপনার কাছে এসব তথ্য রয়েছে, তখন আরও অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা থাকে।
জিআইজেএন: অনুসন্ধানী কাজের জন্য কী ধরনের রিপোর্টিং টুল, ডেটাবেস বা অ্যাপ আপনার সবচেয়ে প্রিয়?
আরএস: টুল বা ডেটাবেস নির্ভর করে কাজের ধরনের উপর। ভারতীয় ওপেন সোর্স রেপোজিটরি যেমন রেজিস্ট্রার অব কোম্পানিজ (আরওসি) বা কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি)-এর রিপোর্টের মতো তথ্য যাচাই থেকে শুরু হতে পারে। এরপর, অ্যাসাইনমেন্ট অনুযায়ী, কখনো বিদেশি পেইড সাইটে গিয়ে অফশোর কোম্পানির বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করতে হতে পারে বা আইসিআইজের ফাঁস হওয়া অফশোর ডেটাসেট ব্যবহার করতে হতে পারে। অনেক ডেটাসেট ও টুলের তালিকা রয়েছে। জিআইজেসি২৫-এর একটি সেশনে মার্থা মেন্ডোজা আরও একটি দারুণ টুলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। যুক্তরাষ্ট্রের ২১টি সাইটের সংকলন। যেখানে আপনি এই প্রশ্নের উত্তর পাবেন: ‘আপনার দেশে ওয়াশিংটন কী করছে?’
জিআইজেএন: আপনার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে ভালো পরামর্শ কী পেয়েছেন এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিক হতে চাওয়া তরুণদের কী পরামর্শ দেবেন?
আরএস: সবচেয়ে ভালো পরামর্শ: নথিপত্র নিয়মমতো জমা দিন, তারপর আর চিন্তা করবেন না। কখনো ভাববেন না গল্পটি কীভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে বা এর প্রভাব কী হবে। বরং পরবর্তী গল্পের দিকে এগিয়ে যান। অনুসন্ধানী সাংবাদিক হতে আগ্রহীদের আমি বলব: দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকুন এবং ধাপে ধাপে শেখার অভিজ্ঞতাগুলো উপভোগ করুন। এছাড়া, আপনার সোর্স, যাদের নিয়ে কাজ করছেন, এবং সম্পাদক—সবার প্রতিই সৎ থাকুন।
জিআইজেএন: আপনার সবচেয়ে বড় ভুল কী এবং তা থেকে কী শিখেছেন?
আরএস: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ফলোআপ প্রতিবেদনের কাজ করতে গিয়ে শীর্ষ সূত্রের সঙ্গে দেখা করতে হয়েছিল। ভুলবশত আমি আমার এক সহকর্মীকে বলেছিলাম যে আমি তার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। এটা ছিল মারাত্নক ভুল। সূত্রটি আমাকে কিছু নথি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো। ঠিক যখন আমি তার অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হচ্ছি, তখন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান আমাকে ফোন করেন। আমার সহকর্মী রিপোর্টারের নাম উল্লেখ করে আমাকে তিরস্কার করে বলেন কেন আমি তাকে আমাদের সাক্ষাৎকারের কথা জানিয়েছি। আমাদের সাক্ষাৎকার বাতিল হয়ে যায়। শিক্ষনীয় দিক: কখনো নাম বলে দিবেন না। বিশেষ করে নিরাপত্তা বা গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে আপনার পরিচয় ও যোগাযোগের প্রকৃতি কখনো প্রকাশ করবেন না।
জিআইজেএন: কাজের ক্ষেত্রে বার্নআউট থেকে কিভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখেন?
আরএস: প্রথমত, মাল্টিমিডিয়া ট্রেন্ড অর্থাৎ নতুন নতুন ডিজিটাল ফরম্যাট ও উপস্থাপনার ধারা এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে চলার বিষয়টি বলাই বাহুল্য। দ্বিতীয়ত, এই আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে যে গল্পটিকে সবচেয়ে ভালোভাবে তুলে ধরতে আপনি নিজেই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি। প্রতিটি গল্প নতুনভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। শরীরের যত্ন নিন। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নিজের সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা অনেক সময় একাকী কাজ করেন, কিন্তু একই সঙ্গে সক্রিয় নেটওয়ার্কের ভেতরে থাকাটা সমানভাবে জরুরি।
জিআইজেএন: অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের কাজের কোন দিকটি আপনার কাছে সবচেয়ে হতাশাজনক মনে হয়, বা ভবিষ্যতে কী ধরনের পরিবর্তনের প্রত্যাশা করেন?
আরএস: সবচেয়ে কষ্টকর ও চাপের বিষয় হলো—কিছু সোর্স হঠাৎ করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এর ফলে অনুসন্ধানের শেষ ধাপে প্রয়োজনীয় তথ্য বা প্রমাণ আর পাওয়া যায় না, যা অনুসন্ধানের পুরো কাজটিকে কঠিন করে তোলে।
নেহা ব্যাঙ্কা একজন স্বাধীন সাংবাদিক। তিনি ভারতে কর্মরত। মূলত এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে প্রতিবেদন করেন, বিশেষ করে কোরিয়ান উপদ্বীপ ঘিরে। তিনি বৈদেশিক নীতি, সীমান্ত, অভিবাসন, জনস্বাস্থ্য, ধর্ম, আদিবাসী সম্প্রদায়, জলবায়ু এবং পরিবেশ সম্পর্কিত বিষয়ে রিপোর্ট করেন। তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিবেদন করেছেন এবং বিষয়ভিত্তিক মৌলিক সরেজমিন প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। নেহার কাজ হারেৎজ, আল জাজিরা ইংলিশ এবং ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। তিনি কখনও সরাসরি রিতু সারিনের অধীনে কাজ করেননি।
