প্রবেশগম্যতা সেটিংস

ইমেজ: শাটারস্টক

লেখাপত্র

বিষয়

ক্রস বর্ডার অনুসন্ধানের নেতৃত্বে থাকা সম্পাদকদের জন্য ১১টি পরামর্শ ও দুটি সাধারণ ভুলের কথা

আর্টিকেলটি পড়ুন এই ভাষায়:

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে, ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি ও কাজের ধরন নিয়ে গঠিত অনুসন্ধানী দলগুলোকে সামলানো অভিজ্ঞ সম্পাদকদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জিআইজেসি২৫-এ এডিটোরিয়াল লিডারশিপ বেস্ট প্র্যাকটিসেস ফর ক্রস-বর্ডার কোলাবরেশনস শিরোনামে একটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে যুগান্তকারী সব যৌথ প্রকল্পে কাজ করা সম্পাদকরা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। আলোচনা করেন—কীভাবে কাজ ভাগ করা যায়, সম্পদ বণ্টন করা হয়, এবং ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশনার সময়সূচি মেনে প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়গুলো সামাল দিতে হয়।

প্যানেল আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম আফ্রিকায় নরবের্ট জোঙ্গো সেল ফর ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম (সেনোজো)-এর সমন্বয়ক আর্নো উদ্রাওগো, এরিনা ফর জার্নালিজম ইন ইউরোপের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক ব্রিজিট আলফটার, ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস (আইসিআইজে)-এর নির্বাহী পরিচালক জেরার্ড রাইল, এবং লাতিন আমেরিকান সেন্টার ফর ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম (এল ক্লিপ)-এর পরিচালক মারিয়া তেরেসা রনদেরোস। আন্তঃসীমান্ত অনুসন্ধানের প্রধান সম্পাদক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে শেখা ১১টি শিক্ষনীয় পরামর্শ এবং দুটি সাধারণ ভুল সম্পর্কে উল্লেখ করেন তারা। সেশনটি পরিচালনা করেন করেক্টিভের প্রধান সম্পাদক জাস্টুস ফন ড্যানিয়েলস।

  • আপনার পুরো প্রজেক্টের জন্যএকটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকতে হবে, যেন এটি আলাদা আলাদা দেশের বিচ্ছিন্ন কিছু গল্পের সংকলন না হয়ে ওঠে।

সাংবাদিকরা সাধারণত নিজ নিজ দেশের ঘটনা নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন। কিন্তু সম্পাদক হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো সবার কাজে যেন একই মূলভাব ও বিষয়বস্তু বজায় থাকে। ‘এল ক্লিপ’-এর রনডোরসের মতে, “এটি কেবল বিভিন্ন দেশের কিছু গল্পের সংগ্রহ নয়; বরং এমন একটি গল্প বলা যা পুরো অঞ্চলের সামগ্রিক চিত্র বা প্রবণতাকে ফুটিয়ে তোলে।” আপনার এই যৌথ প্রচেষ্টার সফলতা তখনই বোঝা যাবে, যখন এই অনুসন্ধানটি সংশ্লিষ্ট সব দেশেই একটি যৌথ জনমত বা আলোচনার জন্ম দিতে পারবে।

  • সহযোগিতা শুধু অনুসন্ধানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়: বরং সবাই মিলে পাঠক তৈরি করা, তথ্য সম্পদ ভাগ করে নেওয়া এবং ছোট সংবাদমাধ্যমগুলোকে সাহায্য করা।

আপনার দলে এমন কোনো বড় সংবাদমাধ্যম থাকতে পারে যারা একজন সাংবাদিককে ছয় মাসের জন্য শুধু এই কাজের জন্যই নিয়োজিত করতে পারে। আবার এমন ছোট বার্তাকক্ষও থাকতে পারে যাদের চারজনের ছোট দল দিয়েই কাজ সামলাতে হয়। প্রধান সম্পাদক হিসেবে আপনার দায়িত্ব হলো—কার কতটুকু দেওয়ার ক্ষমতা আছে, সেই অনুযায়ী কাজের ভারসাম্য রাখা। যাদের সম্পদ বেশি, তাদের উৎসাহিত করুন যেন তারা ছোটদের সাহায্য করে। আর নিশ্চিত করুন যে সব তথ্য যেন সবার মাঝে অবাধে আদান-প্রদান হয়।

  • সহযোগিতাই একা কাজ করার ঝুঁকিতে থাকা সাংবাদিকদের সুরক্ষা দিতে পারে ।

উদ্রাওগো বলেন, “আপনি যদি একা কোনো সংবেদনশীল প্রতিবেদন প্রকাশ করেন, তাহলে হুমকির মুখে পড়া প্রায় নিশ্চিত। আপনাকে আটক করা হতে পারে, এমনকি কারাগারেও পাঠানো হতে পারে। তাই একসঙ্গে কাজ করাটাই ছিল শক্তিশালী হওয়া, নিরাপদ থাকা এবং গল্পগুলোর মাধ্যমে বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক প্রভাব তৈরি করার সঠিক উপায়।” তিনি ব্যাখ্যা করেন কীভাবে আফ্রিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের নেটওয়ার্ক (সেনোজো)-এর সঙ্গে যৌথ কাজ আফ্রিকায় সাংবাদিকদের নিরাপদ থাকতে সাহায্য করেছে।

দলের কোন সদস্য হামলা বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঝুঁকিতে বেশি আছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকুন। তাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন—যেমন বাইলাইনে তাদের নাম না দেওয়া, অথবা এমন কোনো সহযোগী অংশীদারের মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ করা, যারা তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকির মধ্যে আছেন।

  • বিভিন্ন দেশ থেকে একই ধরনের পিচ (প্রতিবেদনের ধারণা) পেলে, সেগুলো একত্রিত করে একটি যৌথ প্রকল্পে রূপ দিন।

আপনার যদি আঞ্চলিক বা বৈশ্বিক কোনো সহযোগিতামূলক সংবাদমাধ্যম থাকে, তাহলে ভিন্ন ভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের কাছ থেকে একই বিষয় বা পিচ আসতে পারে। এগুলোকে আলাদা না রেখে একটি একক প্রকল্পের আওতায় আনার কথা ভাবুন। পাশাপাশি, অন্য দেশগুলোর সেই সাংবাদিকদের সঙ্গেও যোগাযোগ করুন, যারা নিজেদের দেশে একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। অনেক সময় দেখা যায়, একই বিষয়বস্তু বিভিন্ন আঞ্চলিক বার্তাকক্ষকে একসূত্রে যুক্ত করে।

  • শুরু থেকেই সব মিডিয়া অংশীদারকে সঙ্গে নিয়ে সহযোগিতা শুরু করুন।

আইসিআইজের রাইল বলেন, “আপনি যদি আন্তঃসীমান্ত অনুসন্ধান করতে চান, তাহলে প্রতিটি ধাপে আপনার সব মিডিয়া অংশীদারকে সঙ্গে নিতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “এই কারণেই আমরা সরাসরি প্রতিবেদকদের কাছে গিয়েছি এবং শুরু থেকেই তাদের যুক্ত করেছি।”

এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন আপনি স্থানীয় কোনো বিষয় নিয়ে কাজ করছেন বা গ্রামীণ এলাকায় রিপোর্ট করছেন। সেক্ষেত্রে, ওই এলাকায় কাজ করে এমন অন্তত একটি স্থানীয় নিউজরুমকে যুক্ত করুন, যাতে গল্পটি সেই অঞ্চলেও প্রকাশিত হয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে আরও বেশি প্রভাব ফেলতে পারে।

  • অনুসন্ধান শুরু করার জন্য সব সময় বড় কোনো গোপন নথির প্রয়োজন নেই; ছোট কোনো সূত্রের পরামর্শই যথেষ্ট।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মাঝেমধ্যে সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক গোপন তথ্যের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তবে নাম, ঠিকানা বা কোনো সূত্রের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতা থেকেও একটি যৌথ প্রকল্প শুরু করার মানসিকতা রাখুন। যদিও এমন অনুসন্ধানে সবসময় বড় কিছু পাওয়া যাবে না, কিন্তু কখনও কখনও এখান থেকেই অনেক বড় কোনো ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে।

  • আপনার গল্পটি খুব দ্রুত বা তাড়াহুড়ো করে প্রকাশ করবেন না।

কিছু কিছু গল্প এমন অবস্থায় থাকতে পারে, যেখানে খুব শিগগিরই তা প্রকাশ্যে চলে আসবে, ফলে সেটি নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি কাজ করা অর্থবহ নাও হতে পারে। যদি আপনার হাতে দল গঠন, গবেষণা এবং প্রকাশের জন্য মাত্র কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ সময় থাকে, তাহলে বড় আকারের রিপোর্টিং প্রকল্প গড়ে তোলার চেষ্টা না করাই ভালো।

  • চূড়ান্ত সহযোগিতার অনুশীলন করুন: উন্নত অনুন্নত বিশ্বের সংবাদমাধ্যমের মধ্যে কোনো বৈষম্য রাখা যাবে না; সবার কথা শুনুন এবং সব সাংবাদিককে সমানভাবে সহায়তা দিন।

উন্নত বিশ্বের (গ্লোবাল নর্থ) এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের (গ্লোবাল সাউথ ) বার্তাকক্ষের মধ্যে যে পার্থক্য থাকে, সেগুলোকে কাজে লাগান। হতে পারে দক্ষিণের বার্তাকক্ষগুলোর কাছে সংবাদের উৎস বা সোর্স এবং ঘটনার পরিবেশ সম্পর্কে সরাসরি ধারণা বেশি। অন্যদিকে, উত্তরের বার্তাকক্ষগুলোর আর্থিক সম্পদ এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক বেশি শক্তিশালী। এভাবে একে অপরের অভাব পূরণ করা সম্ভব।

এল ক্লিপের রনডোরস বলেন, “আমাদের অংশীদারদের মধ্যে এমন একটি দলও ছিল যারা প্রতিটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা পরীক্ষা করে দেখত। তারা নিশ্চিত করত প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর যদি কোনো ডিডিওএস (ডিস্ট্রিবিউটেড ডিনায়াল অব সার্ভিস) বা অন্য কোনো সাইবার হামলা হয়, তবে সেই ওয়েবসাইটটি তা সামলে নেওয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী কি না।”

  • যেকোনো যৌথ কাজ আপনার ধারণার তুলনায় বেশি সময় নেবে।

ধরে রাখুন, একটি যৌথ প্রকল্পের জন্য আপনার প্রাথমিক হিসাবের চেয়ে অন্তত তিনগুণ বেশি সময় লাগবে। আইসিআইজের রাইল বলেন, “যখন আপনি নিজের বার্তাকক্ষের জন্য কাজ করেন, তখন হয়তো এক মাসেই কোনো কাজ শেষ করতে পারেন। কিন্তু যখন কাজটি যৌথ প্রকল্প বা সহযোগিতামূলক হয়, তখন ন্যূনতম তিন মাস সময় লাগে।”

  • প্রয়োজনের বাইরেও যোগাযোগ করুন: শুরু থেকেই স্পষ্ট নিয়ম, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং একটি পরিষ্কার পরিকল্পনা রাখুন

আন্তর্জাতিক বা আন্তঃসীমান্ত যৌথ কাজের ক্ষেত্রে যোগাযোগই হলো আসল চাবিকাঠি। কার্যকর এবং নিরাপদ মাধ্যম ব্যবহার করে স্পষ্ট ও নিয়মিত তথ্য আদান-প্রদান করুন। দলের প্রতিটি সদস্যের জানা উচিত এই প্রকল্পের লক্ষ্য কী, এর নিয়মগুলো কী কী এবং পুরো কাজের পরিকল্পনাটি আসলে কেমন।

  • এমন সাংবাদিকদের খুঁজে বের করুন যারা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ এবং দলগত কাজে অভ্যস্ত। মনে রাখবেন, সবাই দলগত কাজে ভালো হয় না।

কিছু সাংবাদিক আছেন যারা মিলেমিশে কাজ করতে পছন্দ করেন। আবার কেউ কেউ আছেন যারা ‘লোন উলফস’ বা একা কাজ করতেই বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। কেউ হয়তো পুরনো ধাঁচের মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকতায় সেরা, আবার কেউ আধুনিক ডেটা জার্নালিজম টুলস ব্যবহারে পটু। আপনার দলের শক্তির জায়গা এবং দুর্বলতাগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখুন। নিশ্চিত হয়ে নিন দলের প্রতিটি সদস্য সত্যিই একটি আন্তর্জাতিক যৌথ অনুসন্ধানে অংশ নিতে আগ্রহী।

এমনকি অভিজ্ঞ সম্পাদকরাও ভুল করেন। তাই সঠিক মানুষ বাছাই করা জরুরি:

  • অপ্রস্তুত থাকা যাবে না: এমওইউ, চুক্তিপত্র এবং স্পষ্ট সমঝোতা ব্যবহার করুন।

আপনি হয়তো দ্রুত অনুসন্ধানে নেমে পড়া নিয়ে উত্তেজিত থাকতে পারেন, কিন্তু তার আগে ‘একঘেয়ে’ বা দাপ্তরিক কাজগুলো সেরে নেওয়া জরুরি। একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বা অংশীদারিত্বের চুক্তিপত্র তৈরি করে আইনি ও প্রশাসনিক দিকগুলো নিশ্চিত করুন। ইউরোপের ‘অ্যারেনা ফর জার্নালিজম’-এর আলফটার বলেন, “বড় ধরনের ব্যর্থতা এড়াতে আমরা এখন অনেক বেশি সচেতন। আমরা আগেই সঠিক চুক্তি, এমওইউ এবং পরিকল্পনার কাজগুলো শেষ করি।”

  • ডেটা ভাগাভাগি না করা, স্বীকৃতি না দেওয়া, বা কাজের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ না করা।

দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব হলো প্রতিটি সদস্য ও সংস্থাকে তাদের প্রাপ্য স্বীকৃতি নিশ্চিত করা। মনে রাখতে হবে, ছোট সংস্থাগুলোর জন্য বড় কোনো সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা তাদের দৃশ্যমানতা অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের মধ্যে ডেটা ভাগাভাগি করার পরিবেশ তৈরি করুন এবং তা কার্যকরভাবে করার জন্য একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা গড়ে তুলুন। রাইল বলেন, “আপনি যদি কোনো ডেটাসেট ভাগ করেন এবং সেখানে কিছু খুঁজে পান, তাহলে তা সঙ্গে সঙ্গে দলের সবাইকে জানাতে হবে। একইভাবে, প্রত্যেকে যে কাজ করছে তার জন্য যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতেও আপনাকে ন্যায্য হতে হবে।”

আন্তঃসীমান্ত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এখন আর ব্যতিক্রম কোনো ঘটনা নয়; এটি সেই ধরনের অনুসন্ধানের একটি মানদণ্ড হয়ে উঠছে যা সীমান্ত অতিক্রম করা অনৈতিক কর্মকাণ্ড উন্মোচনের চেষ্টা করে। তবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সঠিকভাবে করতে হলে, প্রকাশের তারিখের অনেক আগে থেকেই পরিকল্পনা করা এবং দক্ষভাবে কাজ সম্পন্ন করা জরুরি।

নিচে জিআইজেসি২৫এর এই বিষয়ক সম্পূর্ণ ভিডিওটি দেখুন।

 

 

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে আমাদের লেখা বিনামূল্যে অনলাইন বা প্রিন্টে প্রকাশযোগ্য

লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করুন


Material from GIJN’s website is generally available for republication under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International license. Images usually are published under a different license, so we advise you to use alternatives or contact us regarding permission. Here are our full terms for republication. You must credit the author, link to the original story, and name GIJN as the first publisher. For any queries or to send us a courtesy republication note, write to hello@gijn.org.

পরবর্তী

অনুসন্ধান পদ্ধতি জিআইজেসি২৫

স্যাটেলাইটের ছবি ব্যবহার করে যুদ্ধাপরাধ অনুসন্ধান করবেন যেভাবে

ভূস্থানিক গোয়েন্দা তথ্য সাংবাদিকদের জন্য তুলনামূলকভাবে নতুন একটি ক্ষেত্র। অতীতে স্যাটেলাইট মূলত রাষ্ট্রগুলোই নিয়ন্ত্রণ করত। তবে বাণিজ্যিক স্যাটেলাইট বৃদ্ধির ফলে প্রতিবেদনের ধরন বদলে গেছে। এখন সাংবাদিকরা এমন সব সংঘাতের ছবি আকাশপথ থেকে দেখতে পারেন, যা আগে কঠিন বা প্রায় অসম্ভব ছিল।

জিআইজেসি২৫ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা

সহযোগিতা কর অথবা মরো : আন্তঃসীমান্ত রিপোর্টিং অংশীদারত্ব যেভাবে সাংবাদিকদের সুরক্ষা দেয় এবং অনুসন্ধানকে জোরদার করে

কোনো প্রতিবেদন যদি ১০ বা ২০টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়—যেকোনো সরকারের পক্ষেই এমন একটি শক্তিশালী প্রতিবেদন উপেক্ষা করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। দলবদ্ধভাবে কাজ করার মধ্যে একটি নিরাপত্তা ও স্বস্তির জায়গা থাকে যা সবাই অনুভব করে।

অনুসন্ধান পদ্ধতি জিআইজেসি২৫

সমুদ্র পথে জোরপূর্বক শ্রম এবং মানবপাচারের ঘটনা অনুসন্ধান করবেন যেভাবে

মানব পাচার অনুসন্ধানের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতিগুলোর একটি হলো জাহাজের অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ডেটার মাধ্যমে তাদের গতিবিধি অনুসরণ করা। ভিএইচএফ রেডিওর মাধ্যমে সম্প্রচারিত এই রিয়েল-টাইম তথ্যে জাহাজের অবস্থান, গন্তব্যের দিক ও গতি সংক্রান্ত তথ্য থাকে।

জিআইজেসি২৫

পরামর্শ দেওয়া থেকে নীরবতা ভাঙ্গা: কৌশলগুলো নারী অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য

হয়রানি ও ভয় দেখানোর মতো হুমকির পাশাপাশি আছে আরও কিছু ঝুঁকি। যেমন, সমান ও ন্যায্য পারিশ্রমিকের জন্য দরকষাকষি অথবা বয়সে বড় ও পুরুষ সহকর্মীদের সংখ্যা বেশি এমন বার্তাকক্ষে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করা। আর এই সব চ্যালেঞ্জের ব্যাপ্তি প্রায়ই দেশ-কাল-পাত্র ছাড়িয়ে যায়।