তথ্য অধিকার আইন দিয়ে রান্না শেখা!
৫০ বছরের বেশী সময় ধরে ‘সুস্বাদু’ একটি ডকুমেন্ট গোপন করে রেখেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। নথিটির শিরোনাম, “শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর পাচকদের জন্য নির্দেশিকা।”
৫০ বছরের বেশী সময় ধরে ‘সুস্বাদু’ একটি ডকুমেন্ট গোপন করে রেখেছিল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। নথিটির শিরোনাম, “শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর পাচকদের জন্য নির্দেশিকা।”
দর্শকদের একটি বড় অংশ এখন কন্টেন্ট দেখেন মোবাইলে। এখানে জনপ্রিয় ৯টি স্টোরিটেলিং ফরম্যাটের কথা বলা হয়েছে, যা মোবাইল উপযোগী এবং বিশ্বের বড় বড় গণমাধ্যমগুলো এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে। ফিনল্যান্ডের সর্ববৃহৎ দৈনিক হেলসিংগিন সানোমাটের ভিজ্যুয়াল সাংবাদিক, এমা-লিনা ওভাসকাইনেন, তালিকাটি চূড়ান্ত করেছেন, সাথে বেশ কিছু উদাহরণও দিয়েছেন।
জিআইজেএনের নতুন আঞ্চলিক ভাষা উদ্যোগ জিআইজেএন বাংলা যাত্রা শুরু করেছে। এটি পরিচালিত হচ্ছে আমাদের সদস্য সংগঠন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এর সাথে অংশীদারিত্বে। এখানে আমরা প্রতিদিন শেয়ার করা হবে সেরা অনুসন্ধানী টিপস ও টুলস্, সাড়া জাগানো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, অনুদান ও ফেলোশিপ, ডেটা সেট এবং আরও অনেক কিছু।
অনেক বড় বড় অনুসন্ধান শেষ পর্যন্ত কাঠখোট্টা প্রতিবেদনে পরিণত হয়। এই সব গল্প কখনো পাঠকের বিরক্তির কারণ হয়; আবার কখনো তা বুঝাই অসম্ভব হয়ে দাড়ায়। দুঃখজনকভাবে, এই সব প্রতিবেদনে প্রতিক্রিয়া হয় নেহাত সামান্য অথবা একেবারেই শূন্য। ফলে মাসের পর মাস ধরে অনুসন্ধানের যে কষ্ট তা একরকম বৃথা হয়ে দাঁড়ায়। পড়ুন, কীভাবে লিখবেন পাঠকপ্রিয় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদন আর দশটা স্টোরির মতই, তবে তাতে অনেক শ্রম দিতে হয়। অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা নথিপত্র খোঁজাখুঁজি, উৎস যাচাই আর তথ্য বিশ্লেষণে অজস্র সময় ব্যয় করেন – অবশ্য শেষপর্যন্ত যদি সেই তথ্য পাওয়া যায়। একজন অনুসন্ধানী প্রতিবেদক হিসাবে, আমাকে অনেক স্টোরি করতে হয়। আর সেইসব স্টোরির উৎস, গল্প বা প্রাথমিক সূত্র খুঁজে বের করতে আমি কিছু টুল সবসময় ব্যবহার করি। তথ্য খুঁজে বের করা, কাজের গতি বাড়ানো এবং অনুসন্ধানের ট্র্যাক রাখার জন্য সেরা তেমন ১০ টি টুলের সাথে এবার আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি।
অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়ে রিপোর্ট করতে চাইলে, আপনি অবশ্যই তাদের সাথে কথা বলতে চাইবেন। কিন্তু তাদেরকে কোথায় পাবেন? নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা ছুটি পান শুধু শুক্রবার। ছুটির দিনে আপনি তাদেরকে পাবেন করনিশে, আল ফারদান এক্সচেঞ্জ বাস টার্মিনালের আশপাশে, মুনতাজাহ পার্কের বাইরে এবং আল খোর এলাকায় অবস্থিত লুলু মলে।
পাচার হওয়া এবং দুর্দশাগ্রস্ত শ্রমিকদের সহায়তা দেয়, এমন অনেক প্রতিষ্ঠান কুয়েতে কাজ করে। তারা আপনাকে অভিবাসী সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেবে। অভিবাসী নেতা এবং সমাজসেবকরা বেশ পরিশ্রমী। তারা আপনাকে শ্রমিকদের ক্যাম্প বা আবাসস্থলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারে।
ওমানের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলেই কেবল তালিকা-বহির্ভূত শ্রমিক দেখা যায়। তাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের। তারা প্রায় বসবাসের অযোগ্য স্থানে জীবন যাপন করে, খাবারও পায় খুব অল্প। পুলিশ এড়িয়ে আপনি কীভাবে তাদের কাছে পৌঁছাবেন? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর পাবেন এখানে।
যে ব্যক্তিই চেম্বার অফ কমার্স, সংসদ, তথ্য মন্ত্রণালয়, কাউন্সিল অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস, আইনের শাসন, ঐতিহাসিক ধর্মীয় চরিত্র এবং বাহরাইনের রাজার সমালোচনা করেছেন – বাহরাইনের শাসকগোষ্ঠী তাকেই গ্রেফতার করেছে বা তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিয়েছে। তাহলে আপনি কীভাবে অনুসন্ধান করবেন?
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগেুলোতে শ্রমিকরা নির্যাতনের শিকার হন ব্যাপকভাবে – কখনো চুক্তি ভঙ্গ বা ঝুঁকিপূর্ণ কর্মক্ষেত্রের কারণে, কখনোবা মানব পাচারকারী, দালাল এবং মালিকপক্ষের মাধ্যমে। এ অঞ্চলের যে সাংবাদিকই মানব পাচার বা বলপূর্বক শ্রমের মত বিষয় কাভার করতে গিয়েছেন তাদের তথ্যে ঘাটতি ছিল, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা এসেছে এবং নিরাপত্তা হূমকির মুখে পড়েছে। কেউ কেউ আটক হয়েছেন, আবার কেউ হয়েছেন দেশ থেকে বিতাড়িত।