প্রবেশগম্যতা সেটিংস

Tag

অনুসন্ধান পদ্ধতি

18 posts
ইয়েমেন

ইয়েমেন’স ডার্টি ওয়ার: একটি পুলিৎজারজয়ী অনুসন্ধানের নেপথ্য গল্প

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে কিভাবে মানুষ প্রতিনিয়ত মানবিক বিপর্যয়ের শিকার হচ্ছে, তা টানা কয়েক মাস ধরে অনুসন্ধান করেছেন এসোসিয়েট প্রেসের আরব সাংবাদিকরা। ২০১৯ সালে তাদের এই অনুসন্ধান জিতেছে পুলিৎজার পুরস্কার। কিভাবে তাঁরা করেছেন এই অনুসন্ধান? জিআইজেএন-এর আরবী সম্পাদক মাজদোলিন হাসান তুলে এনেছেন নেপথ্যের গল্পগুলো।

ইউটিউবে উগ্রবাদ: যেভাবে উন্মোচন করলেন ডাচ সাংবাদিকরা

ইউটিউবে কীভাবে চরমপন্থা বা উগ্রবাদের চর্চা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রায় সাত মাস কাজ করেছে দু’টি ডাচ গণমাধ্যম। অনেক তথ্যউপাত্ত বিশ্লেষণ করে তারা দেখিয়েছে, ইউটিউবের রেকমেন্ডেশন অ্যালগরিদমের সঙ্গে ইউজারদের উগ্রপন্থী হয়ে ওঠার সংযোগ কোথায়। কীভাবে তারা করলেন এই অনুসন্ধান? পড়ুন তাদের অভিনব এই অনুসন্ধানী কৌশল।

আন্ডারকভার রিপোর্টিং: আমি যেভাবে কসাই হলাম

প্যাট্রিক সেপানিয়াক। অ্যাসাইনমেন্টের প্রয়োজনে ছদ্মবেশ ধারণ করা তার জন্য নতুন নয়। নেদারল্যান্ডে অস্থায়ী শ্রমিক সেজে কাজ করতে গিয়ে মার খেয়েছেন। উবার ড্রাইভার সেজে গাড়ী চালিয়ে প্রমাণ করেছেন কোম্পানিটি কীভাবে করফাঁকি দেয়। স্ট্রিপ ক্লাবে ঘুরে ঘুরে বের করেছেন কীভাবে বিদেশী পর্যটকদের সবকিছু লুটে নেয়া হয়। শেষবার তিনি কসাইয়ের ছদ্মবেশে গিয়েছেন পোল্যান্ডের এক কসাইখানায়। চলুন জেনে নেয়া যাক, আন্ডারকভার তথা ছদ্মবেশে সাংবাদিকতা করতে গিয়ে তিনি কী শিখেছেন।

আফ্রিকার লুটেরা শাসক ও তাদের “মানি ম্যান” 

এই শাসকরা ক্ষমতায় এসেছেন প্রভাব খাটিয়ে, ভোট কারচুপি করে এবং কখনো কখনো সন্ত্রাস বা ভয় দেখিয়ে। আর্থিক হিসাবনিকাশ তারা অতটা বোঝেন না। একারণে তাদেরকে নানারকম সহযোগী পুষতে হয়। এদের মধ্যে কেউ ব্যাংকার, কেউ আইনজীবী বা হিসাবরক্ষক। তারাই টাকা কামানো বা খাটানোর ব্যবস্থা করে দেন রাজনীতিবিদদের। এই অনুসন্ধানে আমরা খুঁজে বের করতে চেয়েছি শাসকগোষ্ঠীর অনুগত যত সেইসব “মানি ম্যান” বা সম্পদ ব্যবস্থাপকদের।

সাংবাদিকদের জন্য যে হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে পারেনি জাতিসংঘ

ইউরোপ ও আমেরিকার পাঁচটি গণমাধ্যম। তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু একটি হত্যাকাণ্ড এক করেছিল সবাইকে। তাদের একদিকে দুই জাতিসংঘ কর্মীর লাশ, অন্যদিকে জবাবদিহির কাঠগড়ায় খোদ জাতিসংঘ। এত বড় একটি প্রতিষ্ঠানকে কিভাবে কাঁপিয়ে দিলেন সাংবাদিকরা, প্রমাণ করলেন নিজকর্মী খুনের কারণ আড়ালের চেষ্টা, সেই গল্প এখানে।

লাল গাড়ী, কমলা ঝুড়ি আর সাদা ম্যাগনোলিয়া ফুল: ছবির সূত্র ধরে যেভাবে জানা গেল কোথায় লুকিয়ে আছে অপরাধী

৩৫ বছর বয়সী দাগী আসামী শাহীন গাইয়েবি নেদারল্যান্ডের একজন “মোস্ট ওয়ান্টেড” অপরাধী। অনেক দিন ধরেই তিনি রীতিমত ইঁদুর-বেড়াল খেলায় মেতে উঠেছিলেন ডাচ পুলিশের সাথে। জেল থেকে পালিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন এখানে সেখানে। আর ক’দিন পরপরই পুলিশকে উস্কানি দিয়ে ছবি পোস্ট করছিলেন সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে। এই চোর-পুলিশ খেলায় শেষ পর্যন্ত বাদ সাধেন বেলিংক্যাটের সাংবাদিকরা। টুইটারে ৬০ জনের বেশি মানুষের সহায়তা নিয়ে তারা বের করে ফেলেন পলাতক এই আসামীর অবস্থান। জেনে নিন তাকে খুঁজে বের করার অনবদ্য সেই কাহিনী।

টিন্ডারের প্রতারক: যে অনুসন্ধানের সবকিছুতেই স্মার্টফোন

‘টিন্ডারের প্রতারক’ শিরোনামের প্রতিবেদনটি যারাই খুলেছেন সবাই বাধ্য হয়েছেন শেষপর্যন্ত পড়তে। এখানে ঘটনা ও তার অনুসন্ধান এগিয়েছে মোবাইল ফোনকে ঘিরে। প্রতিবেদনটি উপস্থাপনও করা হয়েছে, মোবাইল ফোনে পড়ার মত করে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনকে উপস্থাপনের প্রথাগত ধারণাই পাল্টে দেবে টিন্ডারের প্রতারক।

পরামর্শ ও টুল

টাকার খোঁজ: নিজ দেশের সীমানা ছাড়িয়ে অনুসন্ধান করবেন যেভাবে

মিরান্ডা প্যাট্রুচিচ, অসংখ্য ক্রসবর্ডার অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। উন্মোচন করেছেন মুদ্রা পাচারের জটিল নেটওয়ার্ক, শত কোটি ডলারের ঘুষ কেলেংকারি এবং মধ্য এশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের শাসক গোষ্ঠীর সন্দেহজনক ব্যবসায়িক লেনদেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে  আজারবাইজানী লন্ড্রোম্যাট, প্রডিগাল ডটার, এবং পানামা পেপারস। এই প্রশ্নোত্তরে মিরান্ডা তুলে ধরেছেন, কীভাবে সাংবাদিকরা টাকার সূত্র ধরে বড় বড় ঘটনা উন্মোচন করতে পারেন।