প্রবেশগম্যতা সেটিংস

লেখাপত্র

দুটি জিআইজেএন ওয়েবিনার: এশিয়ার সাংবাদিকরা তাদের অনুসন্ধানকে আরো ছড়িয়ে দিতে পারেন যেভাবে

আর্টিকেলটি পড়ুন এই ভাষায়:

কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি স্টোরির জন্য কাজ করলেন, অথচ প্রকাশের পর সেটি বেশিরভাগ মানুষের কাছে পৌঁছালোই না – আজকাল অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জন্য এটাই একটা বড় হতাশা। শক্তিশালী ও ইন-ডেপথ সাংবাদিকতার প্রভাব সমাজে তখনই সবচেয়ে বেশি হয়, যখন সেটি দক্ষতার সাথে ছড়িয়ে দেয়া যায় এবং বিস্তৃত দর্শকের কাছে পৌঁছায়। তাই পাঠক তৈরি, তাদের সাথে সম্পৃক্তি এবং পাঠকের সংখ্যা বাড়ানোর উপায় শেখা এখন সাংবাদিকতা-প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একেবারে মৌলিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

একটি বড় পাঠক গোষ্ঠী গড়ে তোলা এবং আপনার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করার সেই কৌশল ও পরামর্শ তুলে ধরা হবে জিআইজেএনের এই ওয়েবিনার সিরিজে। এতে অংশ নিচ্ছেন এমন একজন মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস্ট যার গণমাধ্যমে বিনিয়োগ ও সম্প্রসারণে দুই দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে, থাকবেন একজন বিশেষজ্ঞ যিনি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে পাঠক বাড়ানোর কাজে পারদর্শী, আর দুই জন ডিজিটাল স্পেশালিস্ট যারা সফলভাবে অনুসন্ধানী আউটলেট পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এই ওয়েবিনার দু’টিতে পাঠক-সম্পৃক্তি বাড়ানোর জন্য দরকারি মৌলিক কৌশল ও টুল ব্যবহারের প্রায়োগিক উপায়ে মনোযোগ দেয়া হবে। আলোচনা হবে মাল্টিমিডিয়া স্ট্র্যাটেজি ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ; মেট্রিক বিশ্লেষণ; ওয়েবসাইট টুল ও টিপস; এবং অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতার মাধ্যমে স্টোরি প্রকাশের মতো দরকারি বিষয় নিয়ে।

মনে রাখবেন, অনুষ্ঠান মূলত দু’টি। প্রথমটি ওয়েবিনার, যেখানে চারজন বিশেষজ্ঞ তাদের পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন। এটি অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল। আর দ্বিতীয়টি অনুষ্ঠিত হবে পরদিন, অর্থ্যাৎ ৩০ এপ্রিল, শুক্রবার। এটি হবে ওপেন ফোরামের মতো, যেখানে আপনি আপনার প্রতিষ্ঠানের কৌশল, পরিকল্পনা এবং দ্বিধাদ্বন্দ্ব সম্পর্কে অতিথিদের সরাসরি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং নিজস্ব চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগ পাবেন। দুটি অনুষ্ঠানই শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা দুইটায়। ‍ইভেন্টগুলোতে অংশ নেয়া যাবে নিখরচায়, তবে প্রতিটির জন্য আলাদাভাবে নিবন্ধন করতে হবে। আপনি এখানে নিবন্ধন করতে পারেন

  • ওয়াহিউ ধ্যাত্মিকা হলেন ইন্দোনেশিয়ার টেম্পো মিডিয়া গ্রুপের ফ্ল্যাগশিপ আউটলেট টেম্পো ম্যাগাজিনের প্রধান সম্পাদক।  তিনি টেম্পোকে ডিজিটাল নিউজরুমে রূপান্তরিত করার কাজে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ার প্রথম সহযোগিতামূলক ফ্যাক্ট-চেকিং প্ল্যাটফর্ম চেকফ্যাক্টা ডট কম এবং দেশটির একমাত্র সুরক্ষিত হুইসেল-ব্লোয়ার প্ল্যাটফর্ম ইন্দোনেশিয়ালিক্স.আইডি’র প্রতিষ্ঠাতা দলের সদস্য ছিলেন।
  • জেমা বি. মেন্ডোজা হলেন র‌্যাপলারের ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজি বিভাগের প্রধান। সেখানে তিনি ডিজিটাল মিডিয়ায় অপতথ্য মোকাবিলা, বিগ ডেটাভিত্তিক গবেষণা, ফ্যাক্টচেকিং এবং কমিউনিটি কর্মশালা পরিচালনাসহ বহুমুখী কাজে নেতৃত্ব দেন। ২০১১ সালে র‌্যাপলার থেকে যারা ফেসবুক পেইজ মুভ.পিএইচ এর যাত্রা শুরু করেছিলেন, তিনি তাদের অন্যতম। এই প্রকল্পটি সাংবাদিকতা এবং ডেটাকে নাগরিক উদ্যোগের সাথে সংযুক্ত করে।
  • কোরিল লাহিড়ি, মিডিয়া ডেভেলপমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের দক্ষিণ এশিয়া প্রোগ্রাম ডিরেক্টর। এর আগে তিনি একাধিক বড় বড় ভারতীয় সংবাদ সংস্থায় বিনিয়োগ, স্ট্র্যাটেজি এবং অপারেশনাল দায়িত্বে সিনিয়র পদে কাজ করেছেন। লাহিড়ি, ব্লুমবার্গ টিভি ইন্ডিয়া এবং সিএনবিসি-টিভি ১৮-তে সম্পাদকীয় দায়িত্বে ছিলেন, এবং বেশ কয়েকটি ডিজিটাল প্রতিষ্ঠানকে কৌশলগত, প্রোডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এবং তহবিল সংগ্রহের বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।
  • রোজালিন ওয়ারেন হলেন জিআইজেএন-র ডিজিটাল আউটরিচ ডিরেক্টর এবং সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষজ্ঞ। তিনি এর আগে বাজফিড নিউজের জ্যেষ্ঠ সংবাদ প্রতিবেদক ছিলেন এবং গার্ডিয়ান, সিএনএন ও বিবিসিতে লেখালেখি করেছেন। তিনি মধ্য আমেরিকা, ইউরোপ এবং আফ্রিকা থেকে পাঁচ বছর রিপোর্ট করেছেন। ২০১৭ সালে, ফোর্বস তাকে ইউরোপীয় মিডিয়ার “থার্টি আন্ডার থার্টি” তালিকায় স্থান দিয়েছে।

ওয়েবিনার দুটি পরিচালনা করবেন হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রস সেটলস। তিনি সেখানকার জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ সেন্টারে ডিজিটাল মিডিয়া এবং উদ্যোক্তা বিষয়ে পড়ান। পরামর্শক এবং বিপণন নির্বাহী হিসেবে তিনি বিজ্ঞাপন এবং কন্টেন্ট প্যাকেজের সেরা মিশ্রণ তৈরিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব ও প্রোডাক্ট মার্কেটিং দলের সাথে কাজ করেছেন।

ভবিষ্যৎ ইভেন্ট সম্পর্কে আরো জানতে ফলো করুন আমাদের টুইটার ফিড @gijn এবং গ্রাহক হোন নিউজলেটারের

এখানে ওয়েবিনারের জন্য সাইন আপ করুন!

তারিখ: বৃহস্পতিবার ২৯ এপ্রিল ২০২১

সময়:

১৩.৩০ (নয়াদিল্লি)

১৪:০০ (ঢাকা)

১৫:০০ (ব্যাংকক, জাকার্তা, হ্যানয়)

১৬:০০ (হংকং, কুয়ালালামপুর, ম্যানিলা, বালি)

১৭:০০ (টোকিও)

১৮:০০ (সিডনি)

এখানে ওপেন ফোরামের জন্য সাইন আপ করুন!

তারিখ: শুক্রবার ৩০ এপ্রিল ২০২১

সময়:

১৩.৩০ (নয়াদিল্লি)

১৪:০০ (ঢাকা)

১৫:০০ (ব্যাংকক, জাকার্তা, হ্যানয়)

১৬:০০ (হংকং, কুয়ালালামপুর, ম্যানিলা, বালি)

১৭:০০ (টোকিও)

১৮:০০ (সিডনি)

 

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে আমাদের লেখা বিনামূল্যে অনলাইন বা প্রিন্টে প্রকাশযোগ্য

লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করুন


Material from GIJN’s website is generally available for republication under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International license. Images usually are published under a different license, so we advise you to use alternatives or contact us regarding permission. Here are our full terms for republication. You must credit the author, link to the original story, and name GIJN as the first publisher. For any queries or to send us a courtesy republication note, write to hello@gijn.org.

পরবর্তী

Ranchland South Dakota stolen Indigenous land

গবেষণা পরামর্শ ও টুল

‘বিনামূল্যের জমির প্রকৃত মূল্য’: আদিবাসীদের জমি কেড়ে নেওয়ার ব্যক্তিগত ও জাতীয় ইতিহাস

ক্লারেন দুটো মূল প্রশ্নকে সামনে রেখে এগিয়েছেন: “পরিবারের মধ্যে, বা জাতির কাছে আমরা যে গল্পগুলো বলি সেগুলো আসলে কোনগুলো? কোন গল্পগুলো চেপে চাই আমরা? আর কেন আমরা কিছু গল্প কিছুতেই বলতে চাইনা?”

স্বাস্থ্য নিয়ে ভুয়া তথ্য – অপতথ্য, অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরা কীভাবে লড়তে পারেন

প্রতি বছর বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী কেবল চারটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। অথচ তাদের ব্যাপারে প্রতিবেদন নেই বললেই চলে। আপনি যদি কিছু খুঁজে পান, আর তা ভুক্তভোগী সম্প্রদায়, নীতিনির্ধারক, কর্মকর্তা কিংবা মন্ত্রীদের সামনে তুলে না ধরেন, তাহলে কাজটি আপনি কেন করছেন?

Recorder panel at IJF24

তহবিল সংগ্রহ পদ্ধতি পরামর্শ ও টুল

স্বাধীন নিউজরুমের আয়ের মডেল কী হতে পারে? 

অল্প বয়সী দর্শকদের কাছে যেন গ্রহণযোগ্য হয়— রেকর্ডারের তরুণ কর্মীরা ঠিক তেমনভাবে তাদের প্রতিবেদন তৈরি করে। পাঠকের পয়সা দিয়েই আয়ের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তারা।

IJF24 Reframing Visual Journalism AI Deepfake

পদ্ধতি পরামর্শ ও টুল

ডিপফেকের যুগে ভিজ্যুয়াল সাংবাদিকতা: সত্য যাচাই ও আস্থা অর্জন

ভিজ্যুয়াল সাংবাদিকতা এখন তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এগুলো হলো সিন্থেটিক কনটেন্টের “উত্তাল সমুদ্রে” মৌলিক বিষয়বস্তু শনাক্ত; জনগণের আস্থা ধরে রাখা; এবং “প্রকৃত ছবি” দিয়ে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।