অনলাইনে হয়রানি থেকে যেভাবে নিজেদের রক্ষা করবেন সাংবাদিকরা

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, প্রযুক্তির কারণে অনলাইনে সাংবাদিক হয়রানির ঘটনা দিনে দিনে আরো সহজ হয়ে উঠছে। এর উদ্দেশ্য হলো, যারা সত্য বলেন তাদের মুখ বন্ধ করা বা ভয় দেখানো। এই হামলা চলতে পারে ক্রমাগত, আর এই প্রবণতাও বাড়ছে খুব দ্রুত। অনলাইনের এই “কীট” দমন করতে সাংবাদিক, লেখক ও গণমাধ্যমের জন্য ”অনলাইন পেস্ট কন্ট্রোল” ইনফোগ্রাফিক তৈরি করেছে ট্রলবাস্টার্স।

প্রোপাবলিকার অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা কোথায় খুঁজে পান এত আইডিয়া?

প্রতিবেদনের আইডিয়া আসে আমাদের চারপাশ থেকে। কোথাও অনিয়ম দেখেলে হুইসেলব্লায়ার বা গোপন পরামর্শদাতারা আমাদেরকে জানান আর আমরা সেটা অনুসন্ধান করি। রিপোর্টাররা স্বভাবজাতভাবেই অনুসন্ধিৎসু এবং সন্দেহপ্রবণ। আমরা চারপাশেই স্টোরি দেখতে পাই। কখনো কখনো প্রতিবেদনের বিষয় পড়ে থাকে আমাদের চোখের সামনেই।

ইমপ্যাক্ট তৈরি: যেভাবে আপনার প্রতিবেদনকে নিয়ে যাবেন অনন্য উচ্চতায়

আপনি একটি রিপোর্ট করার পরে কবে তার ইমপ্যাক্ট হবে, সেই আশায় বসে থাকলে চলবে না। আজকাল প্রতিবেদনের ইমপ্যাক্ট সাংবাদিককেই তৈরি করে নিতে হয়। এবং আপনার প্রতিবেদন সমাজে কী প্রভাব ফেলেছে, তা পরিমাপ করে, সবাইকে জানিয়েও দিতে হয়। এজন্য প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই শুরু করতে হয় প্রচারণা। কিছু কিছু গণমাধ্যম তো ইমপ্যাক্ট প্রডিউসারই নিয়োগ করে। আপনি কীভাবে ইমপ্যাক্ট তৈরি করবেন? এটি কেন জরুরী? জানতে চাইলে পড়ুন।

তাঁরা যে আগুন ছড়িয়ে দিলেন সবখানে

শুরু চার পৃষ্ঠার এক পরীক্ষামূলক উদ্যোগ দিয়ে, যেন সদ্য লেখাপড়া শিখতে থাকা নারীরা সঠিক তথ্য পেতে পারেন। সেই উদ্যোগই একসময় রূপ নিল সংবাদপত্রে, যা কিনা নারীদের সাথে অসদাচরণ থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকারের ত্রুটি পর্যন্ত সব কিছু উন্মোচন করতে লাগলো একে একে। খবর লহরিয়া নামের সেই পত্রিকার নাম, রাতারাতি ছড়িয়ে পড়লো জাতীয় পর্যায়ে।

টুলবক্স: অন্তর্জালে জাল পেতে মানুষ খোঁজার পদ্ধতি

ইমেল ঠিকানা, ইউজার নেম, বিভিন্ন সাইটে অ্যাকাউন্ট – এমন তথ্য দিয়ে আপনি যে কারো প্রোফাইল তৈরি করতে পারেন এবং সেটি কাজে লাগাতে পারেন আরো গভীর অনুসন্ধানের জন্য। কিন্তু কীভাবে খুঁজবেন এসব তথ্য?

তথ্য যাচাই, সাইবার হামলা আর ক্ষ্যাপাটে অনুসন্ধানীদের নিয়ে যা বললেন বেলিংক্যাটের ইলিয়ট হিগিন্স

আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনছে। প্রত্যেক পাঠক (সাংবাদিকসহ) প্রতিনিয়ত “ভূয়া সংবাদ” এর মুখোমুখি হচ্ছে এবং দিন দিন তা চিহ্নিত করাও হয়ে উঠছে কঠিন। এই কারণে সঠিক পথের দিক-নির্দেশনা বেশ জটিল হয়ে গেছে। বেলিংক্যাট ভুয়া খবর ও মিথ্যা তথ্যের এই জোয়ারকে কীভাবে মোকাবেলা করছে, বলেছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়ট হিগিন্স

সাংবাদিকতায় যেভাবে ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

কয়েকটি বড় বার্তাকক্ষ এবং সংবাদ সংস্থা কিছু দিনের জন্য খেলাধুলা, আবহাওয়া, শেয়ারবাজারের গতিবিধি এবং করপোরেট পারফরম্যান্সের মতো খবরাখবর তৈরির ভার কম্পিউটারের হাতে ছেড়ে দিয়েছিল। অবাক করা বিষয় হলো, যথার্থতা ও ব্যাপকতার বিচারে মেশিন, কিছু সাংবাদিকের চেয়ে ভালো কাজ করেছে।

জিআইজেসি ১৯ এর জন্য কোনো সেশনের আইডিয়া থাকলে এখনই জানান!

১১তম গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হবে চলতি বছরের ২৬-২৯ সেপ্টেম্বর, জার্মানীর হামবু্র্গ শহরের দুই নান্দনিক ভেন্যু – স্পিগেল পাবলিশিং হাউস এবং হাফেনসিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সম্মেলনের যৌথ আয়োজক গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নেটওয়ার্ক (জিআইজেএন), নেটজোয়ের্ক রিসার্সে (এনআর) এবং ইন্টারলিঙ্ক একাডেমী ফর ইন্টারন্যাশনাল ডায়ালগ অ্যান্ড জার্নালিজম।

নিজের প্রথম অনুসন্ধানী পডকাস্ট তৈরি করতে গিয়ে যে ৭টি বিষয় শিখেছি

ঘটনাটি ১৯৯৪ সালের। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনের এক মাসের মধ্যে দিনের আলোয় একটি নৃশংস ডাকাতির ঘটনা ঘটে, যেখানে দুইজন নিরাপত্তাকর্মীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনা নিয়ে আমার ১৮ মাস ব্যাপী অনুসন্ধানটি আট পর্বের একটি সিরিজ হিসাবে ২০১৭ সালের মার্চে মুক্তি পায়। এটি দক্ষিণ আফ্রিকায় জাতীয় পুরস্কার জয়ী প্রথম অনুসন্ধানী পডকাস্ট, যা “আদতেই দক্ষিণ আফ্রিকান” বলে প্রশংসিত হয় এবং অনেক আন্তর্জাতিক শ্রোতা টানতেও সক্ষম হয়। ‘অ্যালিবাই’ নামের অনুসন্ধানী পডকাস্ট লেখা, তৈরি ও সম্পাদনা করতে গিয়ে, আমি যে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি, এখানে তা-ই তুলে ধরছি।