প্রবেশগম্যতা সেটিংস

Tag

investigative Journalism

154 posts

রিসোর্স টিপশীট

আপনার পরবর্তী অনুসন্ধানে ওয়েব্যাক মেশিন ব্যবহার করবেন যেভাবে

অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের অন্যতম প্রিয় টুল হয়ে উঠছে ইন্টারনেট আর্কাইভের ওয়েব্যাক মেশিন; যা ধরে রেখেছে কোটি কোটি ওয়েবসাইট ও তাদের বিবর্তনের ইতিহাস। অনেকটা টাইম মেশিনে চেপে ইন্টারনেটের অতীত ঘুরে আসার মত ব্যাপার। জেনে নিন সাংবাদিকদের জন্য কেন আর্কাইভটি এত দরকারি, আর আপনার অনুসন্ধানে একে কিভাবে ব্যবহার করবেন।

দুটি জিআইজেএন ওয়েবিনার: এশিয়ার সাংবাদিকরা তাদের অনুসন্ধানকে আরো ছড়িয়ে দিতে পারেন যেভাবে

একটি বড় পাঠক গোষ্ঠী গড়ে তোলা এবং আপনার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করার কৌশল ও পরামর্শ তুলে ধরা হবে জিআইজেএনের এই ওয়েবিনার সিরিজে। এতে অংশ নিচ্ছেন এমন একজন মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস্ট যার গণমাধ্যমে বিনিয়োগ ও সম্প্রসারণে দুই দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে, থাকবেন একজন বিশেষজ্ঞ যিনি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে পাঠক বাড়ানোর কাজে পারদর্শী, আর দুই জন ডিজিটাল স্পেশালিস্ট যারা সফলভাবে অনুসন্ধানী আউটলেট পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

প্রথাগত গণমাধ্যমের ডিজিটাল রূপান্তর: এশিয়ার অভিজ্ঞতা থেকে যা শেখার আছে

প্রথাগত গণমাধ্যমের জন্য ডিজিটাল রূপান্তরের প্রক্রিয়াটি বেশ কঠিন। এতে লম্বা সময় লাগে। কর্মক্ষেত্রের সংস্কৃতি, সাংবাদিকতা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি, আয়ের উৎসে বৈচিত্র্য আনাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় মনোভাবগত পরিবর্তন। প্রথাগত সংবাদমাধ্যমের ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাতে আগ্রহী- এমন যে কারো জন্য অনেক উপকারী হবে পরামর্শগুলো। মূলত এশিয়ার প্রেক্ষাপটে বলা হলেও, এগুলো আসলে গোটা বিশ্বের সংবাদমাধ্যমের জন্যই প্রাসঙ্গিক।

গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম কনফারেন্স: এবছর অনলাইনে, পরের বছর সিডনিতে

শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও শেষপর্যন্ত এবছর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সম্মেলনটি অনলাইনেই আয়োজন করতে হচ্ছে জিআইজেএনকে। তবে সশরীরে সম্মেলনে অংশ নিতেও খুব বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। ২০২২ সালের ১৪-১৮ অক্টোবর, সিডনিতেই আয়োজিত হতে যাচ্ছে পরবর্তী সম্মেলনটি।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কেন্দ্রের বৈশ্বিক উত্থান 

বিশ্ববিদ্যালয়ে কী শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞানচর্চাই হবে নাকি সেসব জ্ঞান হাতেকলমে চর্চা করে দেখার সুযোগও পাওয়া যাবে? কেমন হতো, যদি দুটিই পাওয়া যেত একসঙ্গে! তেমনটিই হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাংবাদিকতা বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয়-ভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার কেন্দ্রগুলো, রিপোর্টিংয়ের নানা কলা-কৌশল শেখানোর পাশাপাশি সেগুলো বাস্তবে চর্চা করারও সুযোগ করে দিচ্ছে। পড়ুন এই মডেলটির অসীম সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জের গল্প।

সদস্য প্রোফাইল

ফ্রান্সের সাংবাদিকতা জগত কাঁপিয়ে দিয়েছে যে ছোট অনুসন্ধানী দল

ক্রীড়াজগতে যৌন নিপীড়ন; বিক্ষোভে পুলিশি সহিংসতা, ইয়েমেন যুদ্ধে ফরাসী অস্ত্র – এমন দারুন কিছু অনুসন্ধানের মাধ্যমে অল্পদিনের মধ্যেই সাড়া জাগিয়েছে ফ্রান্সের স্বাধীন অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম, ডিসক্লোজ। ভাবলে অবাক হতে হয়, সাড়া জাগানো এই অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যমটির নিয়মিত কর্মী মাত্র পাঁচজন! পড়ুন, কিভাবে ফ্রান্সের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার জগত কাঁপিয়ে দিচ্ছে ছোট এই নিউজরুম।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

কী দেখবেন: ফিল্মস ফর ট্রান্সপারেন্সির ৫টি দুর্নীতি বিরোধী তথ্যচিত্র

দুর্নীতি বিরোধী এই তথ্যচিত্রগুলোর কোনোটি হয়ে উঠেছে, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার নিদর্শন, আবার কোনোটি তুলে ধরেছে দুর্নীতি উন্মোচন করতে গিয়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের কঠিন যাত্রাকে। সন্দেহ নেই, এদের প্রতিটিই আপনাকে মুগ্ধ করবে।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

সম্পাদকের বাছাই: ২০২০ সালে লাতিন আমেরিকার সেরা অনুসন্ধান 

২০২০ সালে লাতিন আমেরিকান সংবাদমাধ্যমে স্প্যানিশ ভাষায় প্রকাশিত কিছু সেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী সব পদ্ধতি। পডকাস্ট থেকে শুরু করে কমিকস ও তথ্যচিত্র – বিভিন্ন ফরম্যাটের এই প্রতিবেদনগুলো দেখে বোঝাই যায়, এই অঞ্চলের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কতটা বৈচিত্র্যপূর্ণ। জিআইজেএন-এর স্প্যানিশ ভাষা সম্পাদকের বাছাই করা এমন কিছু প্রতিবেদনের কথা থাকছে, এই লেখায়।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

পেরুতে সীসার বিষক্রিয়া যেভাবে উন্মোচিত হলো কমিক সিরিজে

মানুষের ওপর ভারি ধাতুর বিষক্রিয়ার যে মারাত্মক প্রভাব, তা তুলে ধরতে অভিনব পথ বেছে নিয়েছে পেরুর অনুসন্ধানী নিউজরুম ও জিআইজেএন-এর সদস্য সংগঠন কনভোকা। মাধ্যমটি হলো, কমিকস। এই সিরিজের সাম্প্রতিক পর্বগুলোতে, রক্তে অতিমাত্রায় সীসার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এবং কোভিড-১৯ মহামারিতে তাদের করুন অবস্থার গল্প বলতে ইন্টারঅ্যাকটিভ ছবি ব্যবহার করেছে কনভোকা।

সংবাদ ও বিশ্লেষণ

রুয়ান্ডায় গণহত্যা, ফ্রান্সে আত্মগোপন ও পিছে লেগে থাকা এক সাংবাদিক

রুয়ান্ডায় ১৯৯৪ সালের গণহত্যার অন্যতম কারিগর ও মানবতাবিরোধী অপরাধের আসামী, অ্যালোয়েস নিউইরাগাবো। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফ্রান্সে লুকিয়ে ছিলেন সবার চোখে ধুলো দিয়ে। কেউ কেউ বলছিল, তিনি মারা গেছেন। কিন্তু পেছনে লেগে ছিলেন থিও এঙ্গেলবার্ট। আদালতের নথি ঘেঁটে, সরকারি তথ্য বের করে, আর দিনের পর দিন রাস্তা ও বাড়ীর ছাদে বসে থেকে – প্রায় আট মাসের চেষ্টায় তাকে খুঁজে বের করেন এই অনুসন্ধানী সাংবাদিক।