ঐ জমিটার মালিক কে?
সম্পত্তির রেকর্ডের মধ্যে লুকিয়ে থাকে হার রকমের দরকারি তথ্য। রাজনৈতিক দুর্নীতি হোক, পরিবেশগত অবরাধ বা আদিবাসী মানুষের অধিকার হরণ – এমন নানা বিষয়ে রিপোর্টিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে জমির মালিক কে, তা জানা।
সম্পত্তির রেকর্ডের মধ্যে লুকিয়ে থাকে হার রকমের দরকারি তথ্য। রাজনৈতিক দুর্নীতি হোক, পরিবেশগত অবরাধ বা আদিবাসী মানুষের অধিকার হরণ – এমন নানা বিষয়ে রিপোর্টিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে জমির মালিক কে, তা জানা।
ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনার জন্য আমার সবচেয়ে প্রিয় টুলগুলোর একটি ডকুমেন্ট ক্লাউড। এর সবচে দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, পিডিএফ থেকে টেক্সট তৈরি এবং আপলোড করা ফাইল থেকে পরিসংখ্যান বের করা। কিন্তু আপনাকে তথ্যের জন্য যখন হাজার হাজার দলিল বা ফাইল ঘাঁটতে হবে, তখন কী করবেন?
আমরা যা-ই ব্যবহার করি তার প্রায় সবকিছুই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবহন করতে হয়। এটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য খুব ভালো। এর মানে, প্রায় সবকিছুকেই অনুসরণ করে তার উৎস পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব। কিন্তু এজন্য জানতে হবে শিপিং জগতের নিজস্ব ভাষা আর ব্যবহার করতে হবে কিছু কৌশল।
কিলিং পাভেল তৈরি হয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অলাভজনক সংগঠন Slistvo.info এবং ওসিসিআরপি’র নেতৃত্বে। এই অনুসন্ধানের মূলে ছিল ৫০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে পাওয়া ফুটেজ- যা অনুসন্ধানী দলটিকে হত্যাকান্ডের সময় এবং পরবর্তী দিনগুলোতে ঘটে যাওয়া ঘটনা জোড়া দিতে সাহায্য করেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের পাঁচটি কৌশল থাকছে এখানে।
ইনফোগ্রাফ কীভাবে বানাতে হয়, তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। সময় থাকলে ভারি কোনো সফটওয়্যার শিখে নেওয়া যায় বা অর্থের বিনিময়ে পেশাদার কাউকে ভাড়া করা যায়। কিন্তু এই দুটোর কোনোটিই যদি না থাকে? গ্রাফিক্সের কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই যদি ইনফোগ্রাফ বানাতে চান, তাহলে জেনে নিতে পারেন এই অনলাইন টুলগুলো সম্পর্কে । শুধু এগুলো দিয়েই জন্ম দেয়া সম্ভব রীতিমত পেশাদার মানের কাজ।
মিরান্ডা প্যাট্রুচিচ, অসংখ্য ক্রসবর্ডার অনুসন্ধানে নেতৃত্ব দিয়েছেন। উন্মোচন করেছেন মুদ্রা পাচারের জটিল নেটওয়ার্ক, শত কোটি ডলারের ঘুষ কেলেংকারি এবং মধ্য এশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের শাসক গোষ্ঠীর সন্দেহজনক ব্যবসায়িক লেনদেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে আজারবাইজানী লন্ড্রোম্যাট, প্রডিগাল ডটার, এবং পানামা পেপারস। এই প্রশ্নোত্তরে মিরান্ডা তুলে ধরেছেন, কীভাবে সাংবাদিকরা টাকার সূত্র ধরে বড় বড় ঘটনা উন্মোচন করতে পারেন।
অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়ে রিপোর্ট করতে চাইলে, আপনি অবশ্যই তাদের সাথে কথা বলতে চাইবেন। কিন্তু তাদেরকে কোথায় পাবেন? নিম্ন আয়ের শ্রমিকরা ছুটি পান শুধু শুক্রবার। ছুটির দিনে আপনি তাদেরকে পাবেন করনিশে, আল ফারদান এক্সচেঞ্জ বাস টার্মিনালের আশপাশে, মুনতাজাহ পার্কের বাইরে এবং আল খোর এলাকায় অবস্থিত লুলু মলে।
পাচার হওয়া এবং দুর্দশাগ্রস্ত শ্রমিকদের সহায়তা দেয়, এমন অনেক প্রতিষ্ঠান কুয়েতে কাজ করে। তারা আপনাকে অভিবাসী সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেবে। অভিবাসী নেতা এবং সমাজসেবকরা বেশ পরিশ্রমী। তারা আপনাকে শ্রমিকদের ক্যাম্প বা আবাসস্থলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারে।
ওমানের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলেই কেবল তালিকা-বহির্ভূত শ্রমিক দেখা যায়। তাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশ আর পাকিস্তানের। তারা প্রায় বসবাসের অযোগ্য স্থানে জীবন যাপন করে, খাবারও পায় খুব অল্প। পুলিশ এড়িয়ে আপনি কীভাবে তাদের কাছে পৌঁছাবেন? এমন অনেক প্রশ্নের উত্তর পাবেন এখানে।
যে ব্যক্তিই চেম্বার অফ কমার্স, সংসদ, তথ্য মন্ত্রণালয়, কাউন্সিল অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস, আইনের শাসন, ঐতিহাসিক ধর্মীয় চরিত্র এবং বাহরাইনের রাজার সমালোচনা করেছেন – বাহরাইনের শাসকগোষ্ঠী তাকেই গ্রেফতার করেছে বা তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিয়েছে। তাহলে আপনি কীভাবে অনুসন্ধান করবেন?