ঐ জমিটার মালিক কে?
সম্পত্তির রেকর্ডের মধ্যে লুকিয়ে থাকে হার রকমের দরকারি তথ্য। রাজনৈতিক দুর্নীতি হোক, পরিবেশগত অবরাধ বা আদিবাসী মানুষের অধিকার হরণ – এমন নানা বিষয়ে রিপোর্টিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে জমির মালিক কে, তা জানা।
সম্পত্তির রেকর্ডের মধ্যে লুকিয়ে থাকে হার রকমের দরকারি তথ্য। রাজনৈতিক দুর্নীতি হোক, পরিবেশগত অবরাধ বা আদিবাসী মানুষের অধিকার হরণ – এমন নানা বিষয়ে রিপোর্টিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে জমির মালিক কে, তা জানা।
আমরা এমন একটা পৃথিবীতে বাস করছি যেখানে প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত প্রতিটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনছে। প্রত্যেক পাঠক (সাংবাদিকসহ) প্রতিনিয়ত “ভূয়া সংবাদ” এর মুখোমুখি হচ্ছে এবং দিন দিন তা চিহ্নিত করাও হয়ে উঠছে কঠিন। এই কারণে সঠিক পথের দিক-নির্দেশনা বেশ জটিল হয়ে গেছে। বেলিংক্যাট ভুয়া খবর ও মিথ্যা তথ্যের এই জোয়ারকে কীভাবে মোকাবেলা করছে, বলেছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ইলিয়ট হিগিন্স
দিন দিন গণতন্ত্রের ওপর চাপ এবং গণমাধ্যম-বিরোধী মনোভাব যত প্রবল হচ্ছে, দুর্নীতি এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের মতো বিষয়ে অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয়তাও ততই বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ২০১৯ সালে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কেমন যাবে, জিআইজেএন থেকে আমরা সেই প্রশ্ন রেখেছিলাম আমাদের গ্লোবাল কমিউনিটির শীর্ষ ব্যক্তিদের কাছে। এখানে তাদের সেই মতামত তুলে ধরা হয়েছে।
ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনার জন্য আমার সবচেয়ে প্রিয় টুলগুলোর একটি ডকুমেন্ট ক্লাউড। এর সবচে দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, পিডিএফ থেকে টেক্সট তৈরি এবং আপলোড করা ফাইল থেকে পরিসংখ্যান বের করা। কিন্তু আপনাকে তথ্যের জন্য যখন হাজার হাজার দলিল বা ফাইল ঘাঁটতে হবে, তখন কী করবেন?
আমরা যা-ই ব্যবহার করি তার প্রায় সবকিছুই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পরিবহন করতে হয়। এটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের জন্য খুব ভালো। এর মানে, প্রায় সবকিছুকেই অনুসরণ করে তার উৎস পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব। কিন্তু এজন্য জানতে হবে শিপিং জগতের নিজস্ব ভাষা আর ব্যবহার করতে হবে কিছু কৌশল।
অনলাইনে অনুসন্ধানের এমন কোনো টুল নেই, যা আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। এটি অনেকটা ধাঁধার মতো। প্রতিটি টুকরা জোড়া দিতে দিতে আপনাকে এগোতে হবে – কোথাও হয়তো একটি নাম পাবেন, অন্য কোথাও তার সঙ্গে কোনো সংযোগ – বিষয়টা এমনই। তবে ভালো খবর হলো, ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়াতে এমন অন্তত কয়েক ডজন টুল পাওয়া যায়, যারা সেই ধাঁধার টুকরোগুলোকে খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
কিলিং পাভেল তৈরি হয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অলাভজনক সংগঠন Slistvo.info এবং ওসিসিআরপি’র নেতৃত্বে। এই অনুসন্ধানের মূলে ছিল ৫০টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে পাওয়া ফুটেজ- যা অনুসন্ধানী দলটিকে হত্যাকান্ডের সময় এবং পরবর্তী দিনগুলোতে ঘটে যাওয়া ঘটনা জোড়া দিতে সাহায্য করেছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের পাঁচটি কৌশল থাকছে এখানে।
জিআইজেএনের নতুন আঞ্চলিক ভাষা উদ্যোগ জিআইজেএন বাংলা যাত্রা শুরু করেছে। এটি পরিচালিত হচ্ছে আমাদের সদস্য সংগঠন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এর সাথে অংশীদারিত্বে। এখানে আমরা প্রতিদিন শেয়ার করা হবে সেরা অনুসন্ধানী টিপস ও টুলস্, সাড়া জাগানো অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, অনুদান ও ফেলোশিপ, ডেটা সেট এবং আরও অনেক কিছু।
অনেক বড় বড় অনুসন্ধান শেষ পর্যন্ত কাঠখোট্টা প্রতিবেদনে পরিণত হয়। এই সব গল্প কখনো পাঠকের বিরক্তির কারণ হয়; আবার কখনো তা বুঝাই অসম্ভব হয়ে দাড়ায়। দুঃখজনকভাবে, এই সব প্রতিবেদনে প্রতিক্রিয়া হয় নেহাত সামান্য অথবা একেবারেই শূন্য। ফলে মাসের পর মাস ধরে অনুসন্ধানের যে কষ্ট তা একরকম বৃথা হয়ে দাঁড়ায়। পড়ুন, কীভাবে লিখবেন পাঠকপ্রিয় অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।
আগের মোজো ওয়ার্কিং কলামগুলোতে আমি মোজো ইকুইপমেন্ট, স্মার্টফোনে শব্দ রেকর্ড এবং সম্পাদনা সম্পর্কে লিখেছি। বাদ দিয়ে গেছি, স্টোরি নির্মাণ এবং প্রযোজনার অংশটি, যা একই সাথে সবচে জরুরী আবার হতাশারও। এখন সে বিষয়েই লিখবো। প্রথম পর্বে আলোকপাত করা হবে পরিকল্পনা, স্টোরি তৈরি এবং অনুসন্ধানী দৃষ্টিভঙ্গির ওপর।