লিখুন আমাদের জন্য!

বিশ্বজুড়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চর্চা নিয়ে লেখা প্রকাশ করে গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নেটওয়ার্ক। আমরা সবসময়ই অনুসন্ধানের নিত্যনতুন কৌশল নিয়ে আর্টিকেল খোঁজ করি। বিষয়বস্তু হতে পারে: পরামর্শ, বিভিন্ন টুলের ব্যবহার, কেস স্টাডি, সাংবাদিকতার নতুন উদ্ভাবন বা টেকসই মডেল, ইত্যাদি।  

আমাদের প্রদায়কদের মধ্যে আছেন সাংবাদিক, শিক্ষক, মিডিয়া প্রশিক্ষক ও জিআইজেএন-এর সদস্যরা। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও সেই সংশ্লিষ্ট প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রগুলো নিয়ে তাদের রয়েছে বিশেষ জ্ঞান। আমাদের প্রতিবেদনগুলি সাধারণত ৫০০-১৫০০ শব্দের মধ্যে হয়। লেখার জন্য টাকা প্রদানের বিষয়টি প্রতিযোগিতামূলক। এটি নির্ভর করে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর। 

বিশ্বের ১০০টি দেশ থেকে পাঠকরা নিয়মিত আমাদের সাইট ভিজিট করেন। ফলে, আমরা প্রতিশ্রুতি দিতে পারি: আপনার লেখা বৈশ্বিক পর্যায়ের পাঠকের কাছে পৌঁছাবে। আমাদের লক্ষ্য, বিশ্বজুড়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার চর্চা জোরদার ও তার মানোন্নয়নে কাজ করা। লেখা প্রকাশের বেলায়ও আমরা এই বিষয়কে প্রাধান্য দিই। 
আমাদের পছন্দের জায়গা
জিআইজেএন-এর পাঠকদের মধ্যে আছেন সাংবাদিক, অনুসন্ধানী সাংবাদিক, সাংবাদিকতার শিক্ষার্থী, এবং গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন অলাভজনক সংগঠনের কর্মীরা। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই পাঠকগোষ্ঠী যেন বিভিন্ন অনুসন্ধানের বিষয় ও পদ্ধতি সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে পারেন, সেজন্য আমরা কেস স্টাডি ধাঁচের লেখা খুবই পছন্দ করি। এছাড়া, আমরা বিভিন্ন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার গ্রুপ বা মানুষদের পরিচিতি প্রকাশ করি। এর মাধ্যমে বোঝা যায়: কিভাবে বিশ্বজুড়ে অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা নানা বিষয় নিয়ে কাজ করছেন ও টিকে আছেন। আমরা খুব আগ্রহ নিয়ে খেয়াল করি ডেটা সাংবাদিকতা ও ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন বিষয়টিও। আমাদের আগ্রহের বিষয়গুলির মধ্যে আরো আছে: সাংবাদিকতার আধুনিক সব টুল, টিকে থাকার কৌশল, কিভাবে আকর্ষণীয় ডিজিটাল প্রতিবেদন তৈরি করা যায় বা আরো ভালোভাবে লেখা যায়। 

আমাদের মূল পছন্দের জায়গা, অনুসন্ধানের মৌলিক বিষয়আশয়। যার মধ্যে আছে: অনলাইনে খোঁজাখুঁজি, ফলো দ্য মানি, টেকসই প্রতিষ্ঠান ও জটিল নথিপত্র নিয়ে কাজ করা। মজার ও উদ্ভাবনী কোনো প্রতিবেদন নিয়ে কাজ করছেন, এমন অনুসন্ধানী সাংবাদিকের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরও আমরা খুব ভালোভাবে গ্রহণ করি। মাল্টিমিডিয়া কনটেন্টের বুদ্ধিদীপ্ত ও উদ্ভাবনী ব্যবহার, অনলাইন ডিজাইন, সহযোগিতা, ছদ্মবেশে রিপোর্টিং ইত্যাদি বিষয়ও আমাদের পাঠকরা পছন্দ করেন। এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে (আফ্রিকা, এশিয়া, আমেরিকা, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য) আমাদের সহকর্মীরা যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, সে সংক্রান্ত গল্পগুলোও আমাদের জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। 

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বলতে আমরা কী বুঝি, সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসা থাকলে দেখতে পারেন এই প্রতিবেদন ও ভিডিও। 
প্রদায়ক হতে আগ্রহী? আমাদের এখানে লেখা পাঠাতে চাইলে, সংক্ষেপে লেখাটির একটি বিবরণ দিন। যেখানে থাকবে: শিরোনাম, প্রতিবেদনটি কী বিষয়ে, আপনি এটি লেখার জন্য কার কার সাথে কথা বলবেন এবং কেন আপনিই এটি লেখার জন্য সঠিক ব্যক্তি। সঙ্গে আপনার সাম্প্রতিক কিছু কাজের লিংক ও সিভি মেইল করুন আমাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক তানিয়া প্যাম্পালোনির কাছে: tanya.pampalone@gijn.org। মূল সাইটের জন্য লিখতে চাইলে সেটির অবশ্যই আন্তর্জাতিক প্রাসঙ্গিকতা থাকতে হবে এবং এটি ইংরেজি ভাষায় হতে হবে। তবে ভালো লেখার জন্য, আমরা সব সময়ই আমাদের ১০ জন আঞ্চলিক সম্পাদকের সহায়তা নেই সেটি অনুবাদ ও সম্পাদনার জন্য। 
লেখার ধারণা
নিচে থাকছে আমাদের সাম্প্রতিক প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনের উদাহরণ। এখান থেকে আপনি আমাদের লেখার ধরন সম্পর্কে ধারনা পাবেন। এটি হবে সহজ, সাধারণ, এবং সঙ্গে থাকবে অনেক প্রত্যক্ষ উদাহরণ। 
টিপস ও টুলস
এই লেখায় পাবেন ওপেন সোর্স টুল ব্যবহার করে ঘরে বসে রিপোর্টিংয়ের ৬টি পরামর্শ। ফরেনসিক পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকাণ্ড কাভার করার কৌশল আলোচিত হয়েছে এই লেখায়। অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা তাদের কাজে কোন ধরনের টুল ব্যবহার করেন, সেই সংক্রান্ত সিরিজটি আমাদের পাঠকরা অনেক পছন্দ করেন। 
অনুসন্ধান পদ্ধতি
জিআইজেএন-এর “হাউ দে ডিড ইট” সিরিজে নজর দেওয়া হয় নির্দিষ্ট একেকটি রিপোর্টিং প্রকল্পের দিকে। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কিভাবে আদিবাসীদের কাছ থেকে পাওয়া জমি থেকে মুনাফা করেছে, বা কিভাবে দ্য করেসপনডেন্ট উন্মোচন করেছে ইউটিউবে ডানপন্থী উগ্রবাদের চিত্র। এসব লেখায় উঠে আসে বিভিন্ন অনুসন্ধান পদ্ধতির কথা। যেমন কিভাবে রিপোর্টাররা মোবাইল ফোনে জরিপ চালিয়ে অনুসন্ধান করছে দক্ষিণ সুদানের চলমান দ্বন্দ্ব-সহিংসতা নিয়ে। 
কেস স্টাডি
অনুসন্ধান করতে গিয়ে কী ধরনের শিক্ষা পাওয়া গেছে, তার কেস স্টাডিও আমরা পছন্দ করি। যেমন ওসিসিআরপি, যুক্তরাজ্যের আদালতে কিভাবে নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছিল; বা হাঙ্গেরিতে, আমাদের এক সদস্য সংগঠন কিভাবে সফলতার সাথে ক্রাউডফান্ডিং ক্যাম্পেইন চালিয়েছে।
প্রোফাইল, উদ্ভাবনী প্রবণতা ও প্রকল্প
ভালো কোনো লেখার ধারণা পাওয়ার জন্য একটি আদর্শ জায়গা হতে পারে বিভিন্ন আঞ্চলিক সম্মেলন। অনেক সময় আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে করা প্রতিবেদন বা দেশ-ভিত্তিক কোনো প্রকল্পেরও আন্তর্জাতিক প্রাসঙ্গিকতা থাকে। এধরনের কোনো ইন-ডেপথ বা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রকল্পও আমাদের আগ্রহের জায়গা। যেমন, এই লেখায় পাবেন অস্ট্রেলিয়ার এক আদিবাসী সাংবাদিকের ব্যক্তিগত বোঝাপড়া, এবং ইংরেজি, কিভাবে বৈশ্বিক সংবাদ ভাষ্য তৈরি করে দিচ্ছে, তা নিয়ে বিশ্লেষণ।
সারসংক্ষেপ ও “তালিকা”
নানা বিষয়ের তালিকা ও সারসংক্ষেপ নির্ভর প্রতিবেদনও (যেমন শীর্ষ ১০ পরামর্শ) আমাদের পছন্দের বিষয়। এখানে দেখতে পারেন সাম্প্রতিক কিছু বৈশ্বিক পডকাস্ট শোনার পরামর্শ, ভুয়া তথ্যের নেটওয়ার্ক উন্মোচন করার টুল ও কৌশল, এবং অপরাধস্থল থেকে কিভাবে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করবেন, তার পরামর্শ। 
রিসোর্স সেন্টার গাইড ও হাউ টু
জিআইজেএন, একটি জনপ্রিয় অনলাইন রিসোর্স সেন্টার পরিচালনা করে। যেখানে আছে শত শত টিপশিট, রিপোর্টিং গাইড, ভিডিও ও আরো অনেক কিছু। কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কি বাদ পড়ে গেল? আপনার সে বিষয়ে জানাশোনা বা বোঝাপড়া থাকলে, কোনো গাইড বা টিপ শিট লেখার জন্যও পরিকল্পনা পাঠাতে পারেন।

যখন সাংবাদিকতা খারাপ হয়ে ওঠে: দক্ষিণ আফ্রিকার একটি কেইস স্টাডি

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রভাবশালী পত্রিকা সানডে টাইমস। অর্থনৈতিক চাপের মুখে বিক্রি বাড়াতে, তারা নিয়মিত আলোড়ন তোলার মতো প্রতিবেদন ছাপার কৌশল নিয়েছিল। কিন্তু ক্রমেই ভুল বাড়তে থাকে তাদের রিপোর্টে। শ্রেষ্ঠত্বের অহংকারে তারা তথ্য-প্রমাণও অগ্রাহ্য করতে শুরু করে।  এই সুযোগে গোয়েন্দা সংস্থা ও ব্যবসায়ী গ্রুপগুলো তাদের ব্যবহার করতে শুরু করে, মিথ্যা তথ্য দিয়ে। আর এভাবে শতবর্ষী পত্রিকাটি হয়ে ওঠে দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার যে নীলনকশা, তার অন্যতম অংশ।

পুলিশের অসদাচরণ অনুসন্ধানের ১০টি টিপস

পুলিশকে বিবেচনা করা হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হিসেবে। সাধারণ জনগণকে তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার কথা। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায়ই পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠে অসদাচরণের অভিযোগ। সাংবাদিকরা কিভাবে এ নিয়ে করতে পারেন অনুসন্ধান? সংগ্রহ করতে পারেন প্রমাণাদি? পড়ুন, অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ।

কী দেখবেন: ডিগ পুরস্কারের জন্য মনোনীত অনুসন্ধানী তথ্যচিত্র

সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা সৈনিকদের জীবন, নামিবিয়ার রাজনীতিবিদের ঘুষ কেলেঙ্কারি, ভারতের একটি কুখ্যাত হাইওয়ে, হংকংয়ের নাগরিক অধিকার; ইত্যাদি নানা বিষয় নিয়ে নির্মিত হয়েছে সাড়াজাগানো সব অনুসন্ধানী তথ্যচিত্র। এগুলোর মধ্য থেকে এবার বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে দেওয়া হবে ডিগ পুরস্কার। দেখে নিন: কোন তথ্যচিত্রগুলো পেয়েছে চূড়ান্ত মনোনয়ন।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে সাংবাদিকদের সরব হওয়া যে কারণে জরুরি

“এবারের গ্রীষ্মে, বাংলাদেশের এক-চতুর্থাংশ পানিতে ডুবে ছিল। সপ্তাহব্যাপী বৃষ্টির কারণে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার বড় একটি অংশে বন্যা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট সম্পদের স্বল্পতার জন্য যুদ্ধ ও দ্বন্দ্বও ক্রমশ বাড়ছে। হত্যা বাড়ছে, মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। আগামী বছর এগুলো আরো তীব্র হবে।“