মোজো ওয়ার্কিং: স্মার্টফোনে প্রতিবেদন তৈরি (পর্ব ১)

Print More

English

ছবিই সব: কোনো স্টোরিকে ছবির মাধ্যমে বলার জন্য দরকার পরিকল্পনা। ছবি: কাইকে রোচা, পেক্সেলস

আগের মোজো ওয়ার্কিং কলামগুলোতে আমি মোজো ইকুইপমেন্ট, স্মার্টফোনে শব্দ রেকর্ড এবং সম্পাদনা সম্পর্কে লিখেছি। বাদ দিয়ে গেছি, স্টোরি নির্মাণ এবং প্রযোজনার অংশটি, যা একই সাথে সবচে জরুরী আবার হতাশারও। এখন সে বিষয়েই লিখবো। প্রথম পর্বে আলোকপাত করা হবে পরিকল্পনা, স্টোরি তৈরি এবং অনুসন্ধানী দৃষ্টিভঙ্গির ওপর। আর দ্বিতীয় পর্বে, থাকবে ইকুইপমেন্ট, কাভারেজ এবং অডিও পার্সপেক্টিভ।

২০০৭ সালে যারা টেলিভিশনে কাজ করতেন তাদের জন্য আইফোনের আবির্ভাব ছিল একটি মোড় বদলে দেয়া ঘটনা। অন্তত আমার মনে হয়েছিলো – টেলিভিশন কন্টেন্ট তৈরির প্রক্রিয়া, এমনকি অনুসন্ধানী ভিডিও সাংবাদিকতাকেও নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করবে মোবাইল প্রযুক্তি। সে ছিল এক নতুন দিগন্তের সূচনা।

১৯৯৩ সালে আমি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে কাজ করতাম। সেখানে একটি সেল্ফশট টিভি সিরিজ প্রযোজনা শুরু করেছিলাম। ওই অনুষ্ঠানের দর্শকদেরও অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল। তারা সেখানে ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করে নিজেদের গল্প বলতে শিখেছিলেন। ২০১০ সালের সেই সময়টাতেও তারা সম্পাদনাসহ সম্পূর্ণ প্রযোজনা প্রক্রিয়া নিজেদের স্মার্টফোনেই সম্পন্ন করতে পারতেন।

জিআইজিএন পরিচালনা পর্ষদ সদস্য এবং আরব রিপোর্টার্স ফর ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজমের পরিচালক রানা সাবাগ বলেন, “আজকের ডিজিটাল জগতে মোজোর ব্যবহার না জানলে সাংবাদিকরা পিছিয়ে পড়বেন। বিশেষ করে আরব বিশ্বে, যেখানে রাষ্ট্র, রাজনীতিবিদ এবং এজেন্ডা-চালিত প্রকাশকেরা গণমাধ্যম এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের চেষ্টা করে।”

স্মার্টফোন ব্যবহার করে প্রায় সব ধরণের ভিডিও স্টোরি ধারণ এবং সম্পাদনা সম্ভব। কিন্তু একা কাজ করার সমস্যা এবং সুবিধা, দুটোই আছে।

হালের খ্যাতনামা পরিচালক স্টিভেন সোডারবার্গ আইফোনে একটি চলচ্চিত্র শুট করেন, এবং তিনি ভবিষ্যতে তাঁর সমস্ত চলচ্চিত্র স্মার্টফোনেই ধারণ করবেন বলে জানান। সোডারবার্গের যুক্তি, এই প্রযুক্তি তাকে স্টুডিও সিস্টেমের বাইরে কাজ করার স্বাধীনতা দিয়েছে। যেসব অনুসন্ধানী ও নাগরিক সাংবাদিক স্মার্টফোনে পূর্ণাঙ্গ স্টোরি তৈরি করেন, তাদের জন্যেও একই সত্য প্রযোজ্য।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির জন্য যে পর্যায়ের সম্পাদকীয় নিয়ন্ত্রণ দরকার, তা থাকলে “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ” যোগানের উৎস হয়ে উঠতে পারে সাংবাদিকদের মোবাইল অনুসন্ধান – এমনটাই বিশ্বাস করেন সাবাগ। তাঁর দৃষ্টিতে, ঘটনাস্থলে সবার আগে আসা এসব সাংবাদিকরা আসলে, “ইতিহাসের প্রথম খসড়ার সাক্ষী”।

মোবাইল ফোনে প্রতিবেদন তৈরির সময় অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা নিচের ওয়ার্কফ্লো বিবেচনা করতে পারেন।

আইডিয়াকে সংহত করুন

প্রথমেই একটি বিষয়বস্তু ঠিক করুন। প্রতিবেদনটি কীভাবে আপনার আইডিয়াকে ব্যাখ্যা করবে তা নির্ধারণের আগে পাঁচটি বিষয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন:

  • ফোকাস: প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু কী এবং তা কীভাবে দাঁড় করাবেন?
  • দর্শক: কে দেখছে? তাদের জনতাত্ত্বিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য কী?
  • অ্যাঙ্গেল: গল্পটি কেন বলা দরকার? ফোকাস কোথায়? সৃজনশীলতা ও সম্পাদকীয় মানে উৎরে যাবে কীভাবে?
  • ধরণ: এটি কি চলমান ঘটনা, ধারাবাহিক নাকি দীর্ঘ অনুসন্ধান? ধারাবর্ণনা নাকি সাক্ষাতকার নির্ভর?
  • গঠন: সূচনা, বিবরণ এবং উপসংহার কেমন? কারা কথা বলবেন? গল্প গঠনে কখন, কোন উপাদান প্রয়োজন?

দেখুন অনুসন্ধানী চোখে

ইনসিড (INSEAD) সোশ্যাল ইনোভেশন সেন্টারের লী হান্টার মনে করেন, একদম শুরুতেই নিজেকে জিজ্ঞাসা করতে হবে, যে প্রশ্নকে সামনে রেখে গবেষণা করছেন, সেখান থেকে কী উত্তর বের করে আনতে চান। তিনি বলেন, “আমরা স্টোরিকে একরকম গাঁথুনি হিসেবে ব্যবহার করি যা প্রাথমিক ধারণা থেকে শুরু করে গবেষণা, লেখা, মান নিয়ন্ত্রন এবং প্রকাশনা পর্যন্ত – অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার সমস্ত ধাপকে একত্রে ধরে রাখে।”

নিচে প্রতিবেদন তৈরির একটি কাঠামো বা স্টোরি স্টেটমেন্ট দেয়া হলো, যাকে হান্টার বলেন অনুমান বা হাইপোথিসিস। এর মূল গবেষণা-প্রশ্নকে ঘিরে নানা রকমের অনুসন্ধানী জিজ্ঞাসা তৈরি হতে পারে:

অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে গল্পই ঠিক করে দেয়, সেখানে কী ধরণের প্রযুক্তি বা কার্যপ্রবাহ (ওয়ার্কফ্লো) ব্যবহার করা হবে।

আইরিশ চ্যানেল আরটিই’র ভিডিও সাংবাদিক ফিলিপ ব্রমওয়েল মোবাইল নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তিনি বলেন, “আমার কাজই হল গল্প বলা। গল্প কীভাবে তৈরি হল, তা নিয়ে দর্শকদের কোনো আগ্রহ নেই। কিন্তু ভালো গল্প পেলে তারা ঠিকই লুফে নেন।”

ব্রমওয়েলের কাছে প্রযুক্তির চেয়ে গল্পের ফোকাস বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

“আমি চিত্রগ্রহণ এবং সম্পাদনা, দুটোই করতে পারি। কিন্তু আমার প্রাথমিক দক্ষতা একজন স্টোরিটেলার হিসেবে,” তিনি বলেন, “আমি মোটেও প্রযুক্তি উৎসাহী নই। আধুনিক মোজো গিয়ার নিয়ে অন্যদের মত আমার কোনো মোহ নেই।”

ব্রমওয়েলের কথাটি গুরুত্বপূর্ণ – গল্পই ঠিক করবে, সেই কাজে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হবে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি আফ্রিকায় গিয়ে সিংহ নিয়ে কোনো প্রতিবেদন তৈরি করতে চাইলে, দূর থেকে ছবি নেয়ার জন্য হাইব্রিড ডিএসএলআর ক্যামেরা এবং দীর্ঘ লেন্স লাগবে। নয়তো নিজেই সিংহের খাবার বনে যেতে পারেন। আবার, যুদ্ধবিধ্বস্ত আলেপ্পোতে হামলার ঝুঁকি থেকে সাংবাদিককে দূরে রাখতে পারে, একটি ছোট্ট মোজোকিট।

ঠিক করুন কী বলতে চান

আপনি স্টোরি কীভাবে খুঁজবেন? হান্টার বলছেন, “নিজের মনকে অনুসরণ করুন।” এটাই প্রথম ধাপ। আপনার গল্পটি অনুসন্ধানের উপযুক্ত কী না তা জানার আগে বিবেচনা করতে হবে সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত কারা, তারা কতটা ভোগান্তির শিকার, তার কতটা দেখানো যাবে, সেখানে কি রিপোর্টারের জার্নি বা যাত্রা আছে, ভালো বা খারাপ মানুষ কারা এবং সেখানে প্রবেশের সুযোগ আছে কিনা।

এভাবে চিন্তা করে দেখুন গল্পে কী বলতে চান, সেই ফোকাস পাওয়া যায় কিনা। এরপর আরও সুনির্দিষ্ট স্ক্র্যাপ চেকলিস্ট (SCRAP) তৈরি করুন:

  • গল্প (Story): এটা কী?
  • চরিত্র (Character): কে সবচেয়ে ভালো বলতে পারবে?
  • বিশ্লেষণ (Resolution): কাঠামো কী হবে এবং কেন?
  • বাস্তবতা (Actuality): কীসের ভিডিও ধারণ করা হবে এবং কেন?
  • প্রযোজনা (Prouction): এটি কোথায় হচ্ছে, কোন কোন উপকরণ লাগবে এবং কীভাবে নির্মাণ হবে?

স্ক্র্যাপ (SCRAP) সাংবাদিকতার ৫টি ‘ক’ এর উত্তর দিতে সাহায্য করে, সেগুলো হলো – কে, কী, কেন, কখন এবং কোথায়।

এরপর, আমি এডিটিংয়ের জন্য পাঁচ থেকে সাত পয়েন্টের একটি সহজ পরিকল্পনা করি, নিচের ছবিতে দেয়া কাঠামো অনুযায়ী। এটি গল্পের ‍একটি রুপরেখা হিসেবে কাজ করে, যা বলে দেয় গল্পটি কোন দিকে যাবে। এখানেই লিপিবদ্ধ থাকে সব ঘটনা আর গল্পের একেকটি বাঁক। গল্পে যত চরিত্র আছে তার একটি চেকলিস্ট এই রুপরেখা। সম্পাদনা কীভাবে হবে, তার প্রাথমিক পরিকল্পনাও শুরু হয় এখান থেকে। (দেখুন: স্মার্টফোনে সম্পাদনা)।

এবার ৫টি ‘ক’ অক্ষর প্রশ্ন ঝালাই করে নেয়া যাক;

  • কিসের বা কার ভিডিও ধারণ করব এবং কীভাবে?
  • কোথায় এবং কখন আমি ভিডিও ধারণ করব?
  • ঘটনার কারণ কী এবং প্রতিবেদনটি কেন নির্মাণ করা জরুরী?

পত্রিকায় প্রতিবেদন লেখার চেয়ে ভিডিও ধারণ করা বেশী কষ্টকর। এখানে সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে একটি পরিকল্পনা দরকার হয়। তাই চেকলিস্ট রাখুন। এটি কোনো নির্দিষ্ট লোকেশনে শুটিং শেষের আগেই আপনাকে বলে দেবে, সব কাজ ঠিকমত হয়েছে কিনা।

সবশেষে, আপনার প্রতিবেদনের সাথে দর্শকের সম্পর্ক বুঝতে নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করুন:

  • গল্প কতটা সময়োপযোগি
  • মানুষের কাছে গল্পের গুরুত্ব
  • কাহিনীর সাথে দর্শকের নৈকট্য
  • গল্পের আকর্ষণ ক্ষমতা
  • এবং অবশ্যই জনস্বার্থ

চরিত্রই ‍মুখ্য

মোজো ভিডিও নির্মাণের পরিকল্পনা করার সময় কিসের, কার এবং কতটুকু ভিডিও ধারণ করতে হবে তা আগেই ঠিক করা জরুরী। যেমন, কাউকে কল করলাম আর সাক্ষাতকার হয়ে গেল, বিষয়টা এমন নয় – তা ধারণ করতে হয় ক্যামেরায়। তাই সময় এবং প্রত্যাশার ব্যবস্থাপনা এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

মোজো স্টোরি কখনো কখনো ব্রেকিং ধাাঁচেরও হতে পারে। তখন আগাম পরিকল্পনার সুযোগ থাকে না। এমন পরিস্থিতিতে খুব দ্রুত গল্পের ফোকাস ঠিক করে নেয়া আরো জরুরি হয়ে দাঁড়ায়, যাতে গল্পের জন্য সবচেয়ে ভালো চরিত্র বা সাক্ষাতকারদাতা আগেই ঠিক করে নেয়া যায়।

উদাহরণস্বরূপ, দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে আপনি কাদের সাক্ষাতকার নিবেন এবং সবার আগে কার? আহত ব্যক্তির বাহুতে ইঞ্জেকশন দেওয়ার সময়ই কি স্বাস্থ্য কর্মীর মন্তব্য নিবেন? নাকি তার কাজের ছবি তুলতে থাকবেন, যতক্ষণ না তিনি সাক্ষাতকার দেয়ার ফুরসৎ পান। বসনিয়ায় বধ্যভূমি খুঁজে পাওয়ার ব্রেকিং স্টোরিতে কোনটি সবচেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক – শবদেহের ছবি, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষাতকার, নাকি স্বজনের ছবি হাতে কোনো ব্যক্তি, যিনি বিশ্বাস করেন তার প্রিয় মানুষটি ঐ লাশের মধ্যে পড়ে আছে? আপনার কী সবগুলোই প্রয়োজন? যদি তাই হয়, একটি ছোট স্টোরিতে এতকিছু কীভাবে লাগাবেন? এবার জেনে নিন, গল্পের চরিত্র কে হবে, তা কীভাবে ঠিক করবেন:

  • গল্পের কাঠামো (উপরের পরিকল্পনা দেখুন) অনুযায়ী বিশ্লেষণ করুন সম্ভাব্য দর্শক এবং সাক্ষাতকারদাতা কারা।

সাক্ষাতকার কে দিচ্ছে সিদ্ধান্ত নিন। তারপর গল্পের কাঠামো নতুন করে সাজান এবং নিচের স্টোরি ক্যারেক্টার নোট অনুসরন করুন:

  • আপনি কখন মূল সাক্ষাতকারদাতার কাছ থেকে ঘটনাটি শুনবেন? সেটি কী বাস্তবতার মতো হবে নাকি সাক্ষাতকারের মত?
  • কোনো সাক্ষাতকারদাতাকে কি গল্প দাঁড় করাতে ব্যবহার করা হবে, নাকি ছবির সাথে মিলিয়ে ঘটনাটি নিজে বর্ণনা করবেন?
  • ক্লাইম্যাক্স বর্ণনা করতে কাকে ব্যবহার করবেন এবং কীভাবে?
  • কাকে দিয়ে গল্প শেষ করবেন এবং কীভাবে?
  • ছবি তোলা বা সাক্ষাতকারের প্রয়োজনীয় অনুমতি আছে?
  • গল্পের চরিত্রদেরকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত ছবি আছে?

উপরের বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে মাঠে নামার আগেই, বিশেষ করে গবেষণা বা গল্পের কাঠামো তৈরির সময়। তবে, আসল গবেষণা হয় ঘটনাস্থলে। মাঠে নামার পর দেখবেন অনেক কিছু বদলে যাচ্ছে। তাই আপনাকে সম্ভাব্য বিকল্প সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে অাঙ্গেল পরিবর্তনের জন্য তৈরি থাকতে হবে। আর আগাম পরিকল্পনা থাকলে, হঠাৎ করে এমন পরিবর্তন আনা সহজ হয়।

পরামর্শ: সাক্ষাতকারের সময় বুদ্ধিমান ব্যক্তি এবং ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তির মধ্যে যদি একজনকে বেছে নিতে হয়, তাহলে দ্বিতীয়জনকে বেছে নিন। কারণ বু্দ্ধিমত্তার ঘাটতি আপনি নিজেই পূরণ করতে পারবেন, ধারাবর্ণনা ও ঘটনার ছবির মাধ্যমে।

আরও তথ্যের জন্য মোজো ওয়ার্কিং কলামের আগের সব পর্ব এবং জিআইজেএনের মোবাইল সাংবাদিকতা বিষয়ক রিসোর্স পেইজ দেখুন।


ইভো বুরাম একজন অস্ট্রেলিয়া-ভিত্তিক সাংবাদিক, লেখক এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত টেলিভিশন প্রোডিউসার। ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ২৫০০ ঘণ্টার বিভিন্ন ধরণের প্রাইম টাইম অনুষ্ঠান প্রযোজনার অভিজ্ঞতা আছে তাঁর। ইভো মোবাইল সাংবাদিকতার একজন অগ্রদূত। বুরাম মিডিয়া নামে একটি মোজো এবং ওয়েব টিভি কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাঁর, যা বিশ্বসেরা মিডিয়া প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সাংবাদিক এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নাগরিক সাংবাদিকদেরও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *