হুইসেলব্লোয়িং: যারা গোপনে জানিয়ে দেন অনিয়মের খবর

English

হুইসেলব্লোয়ার তারাই, যারা প্রতিষ্ঠান বা কর্মপ্রক্রিয়ার ভেতরে থেকে দুর্নীতি বা অনিয়মের খবর ফাঁস করে দেন। সাংবাদিকদের জন্য তারা তথ্যের খুব গুরুত্বপূর্ণ উৎস। সরকার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের ভেতরে থেকে মারাত্মক সব তথ্য তারা জানিয়ে দেন। ফলে প্রতারণা ও অপচয় থেকে শুরু করে অপরাধের চক্রান্ত এবং যুদ্ধাপরাধের মত খবরও প্রকাশ হয়ে যায়।

হুইসেলব্লোয়ারদের উদ্দেশ্য বুঝে তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই করে দেখা সাংবাদিকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইরকম গুরুত্বপুর্ণ হচ্ছে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সৌভাগ্যক্রমে, হুইসেলব্লোয়িং নিয়ে বিশ্বব্যাপী অনেক এনজিও কাজ করে এবং প্রচুর তথ্যও পাওয়া যায়।

এই বিষয়ে সাংবাদিকদের সাহায্যের জন্য জিআইজেএন তৈরি করেছে এই রিসোর্স। এখানে হুইসেলব্লোয়িং ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক এবং ন্যাশনাল হুইসেলব্লোয়ার্স সেন্টার থেকে বিভিন্ন তথ্য নেয়া হয়েছে। আপনি সংশ্লিষ্ট কোনো গ্রুপের বিবরণ বা রিসোর্স যুক্ত করতে চাইলে hello@gijn.org এ লিখুন।
কোনো প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি, অবৈধ, প্রতারণামূলক বা ক্ষতিকর কাজের সাথে জড়িত থাকলে সেই প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মী যখন প্রাতিষ্ঠানিক স্বার্থের ওপরে জনস্বার্থকে স্থান দিয়ে সেই কার্যক্রমের গোপন তথ্য ফাঁস করে দেন – তাকেই হুইসেলব্লোয়িং বলে। – রালফ নেডার, ভোক্তা আইনজীবী ও অ্যাক্টিভিস্ট

আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান
হুইসেলব্লোয়িং ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক এনজিও এবং সুশীল সমাজের একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। তারা হুইসেলব্লোয়ারদের নিরাপত্তায় কাজ করে। লন্ডন-ভিত্তিক এই প্ল্যাটফর্ম তার সদস্যদের আইনি সহায়তা দেয় এবং দক্ষতা বাড়াতে কাজ করে। তাদের লক্ষ্য হলো, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হুইসেলব্লোয়িংয়ের প্রতি গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি উন্নত করা।

ন্যাশনাল হুইসেলব্লোয়ার্স সেন্টার একটি ওয়াশিংটন, ডিসি ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। হুইসেলব্লোয়িং আইন এবং রিসোর্স নিয়ে একটি দেশ-ভিত্তিক অনলাইন ডেটাবেইজ রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। বাকস্বাধীনতা পরামর্শক, সাংবাদিক, আইনজীবী এবং সরকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে কাজ করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের লক্ষ্য হচ্ছে দুর্নীতি রোধের মাধ্যমে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা। তাদের সদর দপ্তর বার্লিনে। কিন্তু বিশ্বব্যাপী একশ’র বেশি দেশে টিআইয়ের কার্যক্রম রয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে তাদের তিনটি অফিসের হুইসেলব্লোয়িং বিষয়ে বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। তারা হলো: গুয়াতেমালার আকসিওন সিউদাদানা, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল আয়ারল্যান্ড এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল রাশিয়া।

জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক এবং অন্যান্য বহুমুখী অংশীদারদের সাথে হুইসেলব্লোয়িং নিয়ে কাজ করে ওয়াশিংটন ডিসি ভিত্তিক গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টিবিলিটি প্রোজেক্ট। তাদের কাজের মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি-বিরোধী আইন এবং সাক্ষী সুরক্ষার ওপর প্রশিক্ষণ। ১৯৭৭ সাল থেকে পাঁচ হাজারেরও বেশি সরকারি এবং বেসরকারি হুইসেলব্লোয়ারদের সহায়তা করেছে জিএপি।

অ্যাসোসিয়েটেড হুইসেলব্লোয়িং প্রেস (এডব্লিউপি) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক। তারা সাংবাদিক, নাগরিক এবং গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকে পরামর্শ এবং পরামর্শদাতা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে। এটি বিভিন্ন স্থানীয় হুইসেলব্লোয়িং উদ্যোগের মধ্যে সহযোগিতা এবং যোগাযোগ বাড়াতে কাজ করে। তাদের সদস্য হচ্ছে আইসল্যান্ডের লিয়স্ট এবং স্প্যানিশ ফিলত্রা।
টিপস অ্যান্ড টুলস
গ্লোবাললিকস একটি উন্মুক্ত হুইসেলব্লোয়িং ফ্রেইমওয়ার্ক। তারা গণমাধ্যম, কর্মীদের সংগঠন, সরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করে থাকে। এটি পরিচালিত হয় হার্মিস সেন্টার ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড ডিজিটাল হিউম্যান রাইটস ইন মিলান এর তত্ত্বাবধানে। গোপনে যারা দুর্নীতির খবর জানাতে চান তাদের সহায়তায় নিরাপদ সফটওয়্যার তৈরি করে গ্লোবাললিকস।

লিকডিরেক্টরি একটি উইকি। এটি যে কেউ সম্পাদনা করতে পারে। এতে হুইসেলব্লোইইং সাইটগুলোর একটি পরিপূর্ণ তালিকা রয়েছে। আরো আছে হুইসেলব্লোয়িং এর ওপর দরকারী অনেক লিঙ্ক এবং তথ্য।

 

সিকিউর ড্রপ হুইসেলব্লোয়ারদের তথ্য দেওয়ার জন্য একটি ওপেন সোর্স ব্যবস্থা। এর ব্যবস্থাপনায় আছে ফ্রিডম অফ দ্য প্রেস ফাউন্ডেশন এবং অজ্ঞাত সোর্স থেকে নিরাপদভাবে তথ্য গ্রহণ করে, এমন কিছু গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান। স্যান ফ্রান্সিসকো থেকে পরিচালিত এই ফাউন্ডেশন সিকিউর ড্রপ ব্যবহার করার প্রশিক্ষণ ও সহায়তা দিয়ে থাকে।

ইন্টারন্যাশনাল এন্টি-করাপশন কনফারেন্স একটি বৈশ্বিক সম্মেলন। এখানে দুর্নীতি মোকাবেলার চালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য সমবেত হন সরকার, সুশীল সমাজ এবং বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের আইএসিসি টিম প্রতি দুইবছরে একবার এই সম্মেলন আয়োজন করে।

ওয়ার্কিং উইথ হুইসেলব্লোয়ার্স: গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম কনফারেন্সের এই প্যানেল আলোচনায় – হুইসেলব্লোয়ার এবং সাংবাদিকরা কী কী চালেঞ্জের মুখোমুখি হন, সে ব্যাপারে ব্যাখ্যা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। হুইসসেলব্লোয়ারদের সাথে সাংবাদিকদের সম্পর্ক অনেক গভীর হলেও বেশ জটিল। বাকিটা জানতে সেশনের ভিডিও দেখুন এখানে।
দেশভিত্তিক সংস্থা
আফ্রিকা
আফ্রিলিকস চালায় আফ্রিকান সংবাদ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি জোট। তারা ড্রপবক্সের মাধ্যমে নিরাপদে তথ্য ফাঁস করার সুযোগ দেয়। যে কেউ তাদেরকে তথ্য পাঠাতে পারেন। কোন প্রতিষ্ঠানটি সেই অনিয়ম অনুসন্ধান করবে তা-ও নির্ধারণ করে দেয়া যায় এখানে। এটি হার্মিস সেন্টার ফর ট্রান্সপারেন্সি, ডিজিটাল হিউম্যান রাইটস এবং আফ্রিকান নেটওয়ার্ক অফ সেন্টারস ফর ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিংয়ের একটি যৌথ প্রকল্প।

দক্ষিণ আফ্রিকা

ওপেন ডেমোক্রেসি অ্যাডভাইস সেন্টার এর উদ্দেশ্য হচ্ছে গণতন্ত্রে স্বচ্ছতা এবং কর্পোরেট ও সরকারি পর্যায়ে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় কাজ করা। সংগঠনটির কাজ মূলত স্বচ্ছতা ও তথ্যে প্রবেশাধিকার নিয়ে। তারা হুইসেলব্লোয়ারদেরও সহায়তা করে।
ইউরোপ/ইউরেশিয়া
অস্ট্রেলিয়া

দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার উন্মোচন করার কাজে সাধারণ মানুষকে সাহায্য করার জন্য ২০১১ সালে হুইসেলব্লোয়িং অস্ট্রেলিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়।

জার্মানি

হুইসেলব্লোয়ার্স নেটওয়ার্ক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ২০০৬ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন দেশটির সাংবাদিক এবং হুইসেলব্লোয়াররা। সংস্থাটি হুইসেলব্লোয়ার, গবেষক এবং সাংবাদিকদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা এবং পরামর্শ দিয়ে থাকে। হুইসেলব্লোয়িং বিষয়ক তথ্যের একটি প্ল্যাটফর্ম এবং একটি সংবাদ ব্লগও রয়েছে তাদের।

হাঙ্গেরি

হাঙ্গেরিয় এবং আন্তর্জাতিক দুর্নীতি-বিষয়ক সংবাদে আলোকপাত করার জন্য ২০০৭ সালে কে মনিটর ওয়াচডগ ফর পাবলিক ফান্ডস প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে একটি তথ্য-ভিত্তিক সমাজের ধারণা প্রচার করে। এদের ওয়েবসাইটে সাংবাদিকদের জন্য রয়েছে তথ্যের ডেটাবেইজ এবং হুইসেলব্লোয়ারদের জন্য রিসোর্স।

আয়ারল্যান্ড

ক্রিয়েটিভ কমনস সি/ও অলি ব্রাউন, ফ্লিকার

সরকারি এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরির উদ্দেশ্যে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল আয়ারল্যান্ড প্রতিষ্ঠা হয় ২০০৪ সালে। শিক্ষা, তথ্য ও গবেষণার মাধ্যমে মানুষকে শক্তিশালী করে তোলাই এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য।

নেদারল্যান্ডস

অ্যাডভাইস সেন্টার ফর হুইসেলব্লোয়ার্স একটি হটলাইনের মাধ্যমে হুইসেলব্লোয়ারদের সহায়তা দেয়। তাদের এই কার্যক্রম শুরু হয় ২০১২ সালে।

পাবলিকস হলো নিরাপদে তথ্য ফাঁসের একটি প্ল্যাটফর্ম। এর পেছনে আছে চল্লিশটির বেশি ডাচ গণমাধ্যম। হার্মিস সেন্টারের তৈরি করা গ্লোবালিকস সফটওয়্যার ভিত্তিক প্ল্যাটফর্মটি ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

পোল্যান্ড

স্টেফান বাটোরি ফাউন্ডেশন একটি স্বাধীন বেসরকারি পোলিশ প্রতিষ্ঠান। মুক্ত, শিক্ষিত এবং গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণের লক্ষ্যে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি।

রাশিয়া

১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল-রাশিয়া নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমকে সাথে নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে। তারা সরকারি ও বেসরকারিখাতে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।

যুক্তরাজ্য

পাবলিক কনসার্ন অ্যাট ওয়ার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৩ সালে। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে জনস্বার্থের জন্য আশঙ্কাজনক হতে পারে এমন বিপদ, অপতৎপরতা এবং ঝুঁকি সনাক্ত করা। এজন্য তারা হুইসেলব্লোয়ারদের কাজে লাগায় এবং বড় ধরণের ক্ষতি হওয়ার আগেই বাধা দেয়। পিসিডব্লিউ একটি গোপনে তথ্য ফাঁসের হেল্পডেস্ক চালায়।

দ্য হুইসলার একটি ফেলোশিপ সংস্থা যেটি কমপ্যাশন ইন কেয়ার এবং সেন্টার ফর ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজমকে সাথে নিয়ে বর্ণ, ধর্ম, রাজনীতি নির্বিশেষে সকল হুইসেলব্লোয়ারকে নিরাপত্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কাজ করে। হুইসেলব্লোয়ারদের তৈরি করা এই প্রতিষ্ঠান আইনি এবং অর্থনৈতিক বিষয়ে পেশাদারী সাহায্য, পরামর্শ এবং সহযোগিতা দেয়।
দক্ষিণ আমেরিকা/ক্যারিবিয়ান
গুয়াতেমালা

আকসিওন সিউদাদানা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালে। ২০০৬ সাল থেকে এটি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল এর অংশ হয়ে যায়। এটি গুয়াতেমালায় স্বচ্ছতা এবং ন্যায়পরায়ণতা নিয়ে কাজ করা নাগরিক সংগঠনের জোট।

মেক্সিকো

মেক্সিকোলিকস এর পেছনে আছে আটটি মেক্সিকান প্রতিষ্ঠান। আনিমাল পলিতিকো, এমেএকিস, মাসদে১৩১, পেরিওদিস্তাস দে না পিয়ে, পোদের, প্রোসেসো, এরে৩দে এবং আরেস্তেগি নোতিসিয়াস।
উত্তর আমেরিকা
কানাডা

কানাডিয়ানস ফর অ্যাকাউন্টেবিলিটি হুইসেলব্লোয়ারদের সহায়তা করে। তারা কানাডার নাগরিকদের মধ্যে হুইসেলব্লোয়িংয়ের ধারণা প্রচার করে এবং শেখায়। সততা ও স্বচ্ছতার চর্চা এবং কানাডার সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে তারা।

ফেডারেল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ইনিশিয়েটিভ ফর রিফর্ম একটি কানাডিয় প্রতিষ্ঠান। তারা জনস্বার্থে হুইসেলব্লোয়ারদের নিরাপত্তায় আইনি সহায়তা দেয় এবং চর্চার ব্যবস্থা করে।

যুক্তরাষ্ট্র

ক্রিয়েটিভ কমনস ফটো সি/ও ফ্লিকার

গভর্নমেন্ট অ্যাকাউন্টেবিলিটি প্রজেক্ট (জিএপি) একটি ওয়াশিংটন, ডিসি ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। তারা জনস্বার্থে হুইসেলব্লোয়িংয়ের চর্চাকে উৎসাহিত করে।

প্রজেক্ট অন গভার্নমেন্ট ওভারসাইট (পিওজিও) একটি ওয়াশিংটন, ডিসি ভিত্তিক স্বাধীন পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান। তারা সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য হুইসেলব্লোয়ার, সাংবাদিক এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে কাজ করে।

ন্যাশনাল হুইসেলব্লোয়ারস সেন্টার একটি ওয়াশিংটন, ডিসি ভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান, যারা হুইসেলব্লোয়িং বিষয়ে পরামর্শ, শিক্ষা এবং সহায়তামূলক প্রকল্পে পৃষ্ঠপোষকতা করে।
এশিয়া
ইন্দোনেশিয়ালিকস একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে নিজের পরিচয় গোপন রেখে যে কোনো ব্যক্তি তথ্য দিতে পারেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকরা সেই তথ্য নিয়ে অনুসন্ধান করেন।