আপনার অনুসন্ধানী প্রতিবেদন কখন পাঠকপ্রিয় হবে?

অনেক বড় বড় অনুসন্ধান শেষ পর্যন্ত কাঠখোট্টা প্রতিবেদনে পরিণত হয়। এই সব গল্প কখনো পাঠকের বিরক্তির কারণ হয়; আবার কখনো তা বুঝাই অসম্ভব হয়ে দাড়ায়। দুঃখজনকভাবে, এই সব প্রতিবেদনে প্রতিক্রিয়া হয় নেহাত সামান্য অথবা একেবোরেই শূন্য। ফলে মাসের পর মাস ধরে অনুসন্ধানের যে কষ্ট তা একরকম বৃথা হয়ে দাঁড়ায়।

সম্প্রতি ইউক্রেইনের কিয়েভে হয়ে যাওয়া অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা উৎসব – মেঝাইরিয়াফেস্টে অনুসন্ধানী গল্প-লিখন বা স্টোরিটেলিংয়ের কিছু কৌশল বাতলে দিয়েছেন অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট ওসিসিআরপি’র ইলিয়াস লোজভস্কি। তার সেরা ১২টি টিপস এখানে দেওয়া হল:

সাংবাদিকতায় স্যাটেলাইট ছবি এখন অপরিহার্য, জেনে নিন কীভাবে ব্যবহার করবেন

স্যাটেলাইট ছবি বর্তমানে সাংবাদিকতার একটি অপরিহার্য হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। তথ্য উদ্ঘাটন, সুনির্দিষ্ট পরিস্থিতির প্রভাব, জলবায়ু ইস্যু কিংবা সংঘাতময় অঞ্চলের রিপোর্টিংয়ে পক্ষপাতহীন অন্তঃদৃষ্টি পেতে সহায়তা করায় পেশাদার সাংবাদিকরা এটি ব্যবহার করছেন ব্যাপকভাবে।

মোজো ওয়ার্কিং: স্মার্টফোনে প্রতিবেদন তৈরি (পর্ব ১)

আগের মোজো ওয়ার্কিং কলামগুলোতে আমি মোজো ইকুইপমেন্ট, স্মার্টফোনে শব্দ রেকর্ড এবং সম্পাদনা সম্পর্কে লিখেছি। বাদ দিয়ে গেছি, স্টোরি নির্মাণ এবং প্রযোজনার অংশটি, যা একই সাথে সবচে জরুরী আবার হতাশারও। এখন সে বিষয়েই লিখবো। প্রথম পর্বে আলোকপাত করা হবে পরিকল্পনা, স্টোরি তৈরি এবং অনুসন্ধানী দৃষ্টিভঙ্গির ওপর।

মোজো ওয়ার্কিং: মোবাইল ফোনে সম্পাদনা

সম্পাদনা হচ্ছে কোনো বিষয় নিয়ে তাৎক্ষনিক সব সম্ভাবনাকে এক সুতায় জুড়ে দেয়ার চিন্তা বা প্রক্রিয়া। আরো সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, এটি হলো ছবির ভাষা (ভিজুয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ), যা প্রতীকি মুহূর্ত, সমান্তরালে ঘটতে থাকা ঘটনা বা দীর্ঘ দৃশ্যকে পাশাপাশি বসিয়ে, ছবি আর শব্দের দ্যোতনা তৈরি করে। সম্পাদনা হচ্ছে এক রকম ডিজিটাল লেখালেখি, যা সাংবাদিকদের ভালো ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার হতে শেখায়।

অনলাইনে গবেষণা ও অনুসন্ধানের যত কৌশল

ওপেন সোর্স অনুসন্ধানের জন্য সবচে জরুরী টুল হলো সার্চ ইঞ্জিন। এর সাথে যদি সোশ্যাল মিডিয়া, ডোমেইন লুক-আপ এবং সংবাদপত্র ও টেলিফোন ডিরেক্টরির মত প্রথাগত উৎস যোগ করা যায়, তাহলে শুধু ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাটি করেই আপনি অনুসন্ধানী রিপোর্টের জন্য অনেক কার্যকর তথ্য বের করে আনতে পারবেন।