প্রবেশগম্যতা সেটিংস

Fabiola Torres.

লেখাপত্র

আমার প্রিয় অনুসন্ধানী টুল: ফ্যাবিওলা তোরেস

English

অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা তাদের কাজের জন্য কী ধরণের টুল ব্যবহার করেন? জিআইজেএন-এর পাঠকদের সামনে তুলে ধরার জন্য এই প্রশ্নটাই আমরা করেছিলাম সাংবাদিকদের কাছে। আমাদের সাম্প্রতিক এই সিরিজে থাকছে সেই অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের প্রিয় কিছু টুলের কথা।

ফ্যাবিওলা তোরেস

এসপ্তাহে, আমরা কথা বলেছি পেরুভিয়ান অনুসন্ধানী সাংবাদিক ফ্যাবিওলা তোরেসের সঙ্গে। তিনি আসন্ন গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম কনফারেন্সেও বক্তৃতা দেবেন। আইসিএফজে নাইট ফেলো হিসেবে, তিনি সম্প্রতি স্যালুদ কন লুপা (হেলথ আন্ডার দ্য ম্যাগনিফায়িং গ্লাস) নামে একটি আন্তঃসীমান্ত নেটওয়ার্ক চালু করেছেন। এর সদস্যরা গোটা লাতিন আমেরিকায় স্বাস্থ্যবিষয়ক ইস্যু নিয়ে অনুসন্ধান করে। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে স্বাস্থ্য নিয়ে ছড়ানো মিথ্যা তথ্য মোকাবিলা করা। তারা এটি করে থাকেন ডেটাভিত্তিক প্রতিবেদনের মাধ্যমে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা এবং ব্যক্তিখাতে ক্ষমতার অপব্যবহারের মত ঘটনাও উন্মোচন করে যাচ্ছে এই নেটওয়ার্ক।

স্যালুদ কন লুপার প্রথম সিরিজের জন্য তোরেস কাজ করেছেন চিলি, কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর সাংবাদিকদের সঙ্গে। তারা উন্মোচন করেন, খাদ্য ও ওষুধ কোম্পানিগুলো কীভাবে লাতিন আমেরিকান সরকারগুলোর ওপর প্রভাব খাটায়। এই কাজে তাদেরকে সাহায্য করেন সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ আছে, এমন ব্যক্তিরা।

স্বাস্থ্য রিপোর্টিংয়ে তোরেসের মনোযোগটা অনেক দিনের। তাঁর নেতৃত্বেই দ্য বিগ ফার্মা প্রজেক্ট শিরোনামের অনুসন্ধানী ধারাবহিক তৈরি করে লিমাভিত্তিক ননপ্রফিট নিউজরুম ওহোপুবলিকো। বহুদেশীয় এই অনুসন্ধানে দেখানো হয়, লাতিন আমেরিকায় নিজেদের একচেটিয়া অবস্থা ধরে রাখা বা আরো দৃঢ় করার জন্য ওষুধ কোম্পানিগুলো কী ধরণের পদ্ধতি অবলম্বন করে।

ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস (আইসিআইজে) এর সদস্য হিসেবে তোরেস কাজ করেছেন তাদের ইমপ্ল্যান্ট ফাইলস প্রকল্পে। সেখানে তিনি বিশ্লেষণ করেছেন, কীভাবে ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম পেরু গিয়ে পৌঁছে

এই ধরণের কাজে তোরেস সবসময় কিছু টুল ব্যবহার করেন। চলুন পড়া যাক, পছন্দের সেই টুল নিয়ে তাঁর নিজের কথা:

ওপেনরিফাইন

ডেটাকে পরিচ্ছন্ন আর গোছানো অবস্থায় রাখতে আমি ওপেনরিফাইন ব্যবহার করি। ডেটানির্ভর যে কোনো কাজ, আমি এখান থেকেই শুরু করি। যেমন, ওহোপুবলিকোর কুইদাদোস ইন্টেনসিভোস (ইনটেনসিভ কেয়ার) প্রকল্পে আমরা এমন একটি টুল বানিয়েছি, যা দিয়ে পাঠক দেখতে পেতেন কোন কোন চিকিৎসক বা ক্লিনিককে অসদাচরণের জন্য জরিমানা করা হয়েছে বা সাজা দেওয়া হয়েছে। এই কাজ করতে গিয়ে আমরা দেখতে পাই, কিছু কোম্পানির নাম, ভিন্ন ভিন্ন বানানে লেখা হয়েছে। ওপেনরিফাইনের মাধ্যমে আমরা সেই ডেটা পরিস্কার করি। সাংকেতিক নাম বা নম্বর মেলানোর ক্ষেত্রেও আমরা এই টুল কাজে লাগিয়েছি। এভাবেই বেরিয়ে আসে, কিছু কোম্পানি ভিন্ন ভিন্ন নামে থাকলেও আসলে প্রতিষ্ঠান একই।

কুইদাদোস ইন্টেনসিভোস (ইনটেনসিভ কেয়ার) প্রকল্পের সাইট। স্ক্রিনশট

ডেটার‍্যাপার

ভিজুয়ালাইজেশন তৈরির সহজ একটি টুল ডেটার‍্যাপার। এটি দিয়ে আপনি সব ধরণের চার্ট ও ম্যাপ বানাতে পারবেন। এগুলোকে ওয়েবসাইটে এমবেডও করা যায়, ফলে অনলাইনে বেশ ভালো দেখায়। ওয়েবসাইটের ডিজাইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ফন্ট ও রঙ পছন্দ করে নেওয়া যায়। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো, এটি বিপুল পরিমান ডেটা নিয়ে কাজ করতে পারে।

দ্য ওয়াটার লর্ডস ইনভেস্টিগেশন-এ আমরা ভিজুয়ালাইজেশন করেছি ডেটার‍্যাপার দিয়ে। তুলে ধরেছি, দক্ষিণ পেরুর আইকা অঞ্চলে – বেআইনি কুয়ো বসিয়ে, বিশেষ আইনের সুযোগ নিয়ে এবং সরকারি পরিদর্শকদের কাজে বাধা দিয়ে – কীভাবে ভূগর্ভস্থ পানির মজুত নিঃশেষ করে ফেলছে খাদ্য রপ্তানিকারকদের একটি গ্রুপ। বেআইনি কুয়ো সনাক্ত করার জন্য আমরা ড্রোন উড়িয়েছিলাম ভিলাকুরি এলাকার ওপর দিয়ে। বিশ্বের অন্যতম অ্যাসপারাগাস উৎপাদনকারী এই অঞ্চলে আগে থেকেই পানি সংকটের পূর্বাভাস ছিল। আর পানির জন্য এখানে খনন করা কুয়োর অর্ধেকই অননুমোদিত।

স্ক্রিনশট

ইমপ্ল্যান্ট ফাইলস প্রকল্পেও ভিজুয়ালাইজেশন তৈরির জন্য আমি ডেটার‍্যাপার ব্যবহার করেছি। এফডিএ [ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনস্ট্রেশন], ডেটাসুর সার্ভিস ও স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ডিজেমিড থেকে তথ্য নিই। তারপর সেই ডেটা ব্যবহার করে অনুসন্ধানে নামি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে পেরুতে আসা ত্রুটিপূর্ণ চিকিৎসা সরঞ্জাম নিয়ে। আমরা এমন কিছু যন্ত্র চিহ্নিত করি যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে তুলে নেয়া হয়েছে। সতর্কবার্তা থাকার পরও সেগুলো আমাদের দেশে আমদানি করা হয়েছিল। এরপর আমরা ডেটাগুলোকে সাজিয়ে ভিজুয়ালাইজেশন তৈরি করি যেন আমাদের পাঠকরা সহজেই দেখতে পারে, কী ধরণের ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্র পেরুতে এসেছে এবং কোন কোম্পানি সেগুলো বানিয়েছে। কোন কোম্পানি কত বেশী রপ্তানি করেছে, তার ভিত্তিতে আমরা একটি র‍্যাঙ্কিংও করে দেখাই।

ভিজুয়ালাইজেশনগুলো আমরা ডেটার‍্যাপারেই তৈরি করি। পরে আমাদের প্রোগ্রামার আরও উন্নত একটি ভার্সন তৈরিতে সাহায্য করেছিলেন।

স্ক্রিনশট

লিনকিউরিয়াস

আমি প্রথম লিনকিউরিয়াস ব্যবহার করি পানামা পেপার্স অনুসন্ধানের সময়। ওহোপুবলিকোতে আমাদের দলকে লগইন অ্যাকসেস দিয়েছিল আইসিআইজে। ভিন্ন ভিন্ন জিনিসের মধ্যে সম্পর্ক বা যোগসূত্র অনুসন্ধানের জন্য এটি খুবই শক্তিশালী টুল। পানামা পেপার্স সংক্রান্ত নথির একটি ডেটাবেজ তৈরি করেছিল আইসিআইজে। আর লিনকিউরিয়াস দিয়ে আমরা কোনো কোম্পানি সম্পর্কে জানতে চাইলে সঙ্গে সঙ্গে সেই কোম্পানির সাথে কার-কী সম্পর্ক, সব একটা বড় গ্রাফের মাধ্যমে উঠে আসে। তারপর ক্লিক করে করে এই সব সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। আপনার কাছে যখন একটা কোম্পানি নিয়ে অনেক তথ্য থাকবে- দলিলপত্র, ইমেইল, ফটোগ্রাফ – তখন এই সবকিছুকে গুছিয়ে আনাটা অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু লিনকিউরিয়াস দিয়ে আমরা খুব সহজেই এক জায়গায় সব তথ্য দেখতে পাই, আর সহজে সেগুলো ঘেঁটে দেখতে পারি।

প্যারাডাইস পেপার্স নিয়ে কাজ করার সময়ও আমরা লিনকিউরিয়াস ব্যবহার করেছি। এটি ব্যবহারের কারণেই আমরা বুঝতে পারি, শুরুতে যা ভাবা হয়েছিল তার চেয়ে অনেক বেশি সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান আছে ওষুধ কোম্পানি নোভার্টিসের।

নোভার্টিসের সাবসিডিয়ারি। স্ক্রিনশট

মেডসপ্যাল

মেডিসিন পেটেন্ট অ্যান্ড লাইসেন্স ডেটাবেজকে সংক্ষেপে মেডসপ্যাল নামে ডাকা হয়। উন্নয়নশীল এবং উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলোতে এইচআইভি ও হেপাটাইটিস সি-এর মত অসুখের ওষুধগুলোর পেটেন্ট ও লাইসেন্সিং সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করা হয় এই প্ল্যাটফর্মে।

এই টুল বেশ উপকারী, কারণ কিছু দেশে এইসব তথ্য সহজে পাওয়া যায় না। যেমন পেরুতে, সরকারী বা স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থাগুলো তথ্য প্রকাশ করতে চায় না। মেডসপ্যালে আপনি কী-ওয়ার্ড, দেশ বা পণ্যের নাম ধরে সার্চ করতে পারবেন। আর খুব সহজেই বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে আপনার দেশের তথ্যগুলোর তুলনা করতে পারবেন।

দ্য বিগ ফার্মা প্রজেক্ট-এ কাজ করার সময় বিভিন্ন দেশে এইচআইভির ওষুধের লাইসেন্স কাদের কাছে আছে তা জানার জন্য আমি মেডসপ্যাল ব্যবহার করেছি। পেরুতে, আটাজানাভির নামে একটা ওষুধ নিয়ে মনোপলি ছিল। তখন কথা উঠেছিল, সরকার তার আইনি ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে এই রোগের ওষুধ পেটেন্ট ছাড়াই তৈরির সুযোগ করে দেবে কিনা। সেসময় আমরা তুলনা করে দেখেছি, চিলি ও বলিভিয়াসহ যেসব দেশ পেটেন্ট ভেঙেছে, সেখানে এইচআইভির চিকিৎসায় অনেক কম খরচ লাগে।

স্ক্রিনশট

ডাইম

স্ক্রিনশট

লাতিন আমেরিকায় স্বচ্ছন্দে সহজলভ্য উপায়ে ওষুধ পাওয়াটা একটা বড় সমস্যা। এই ইস্যু নিয়ে অনুসন্ধান করার জন্য, আমি ডাইম ব্যবহারের পরামর্শ দিব। এই প্ল্যাটফর্মে লাতিন আমেরিকার আটটি দেশে কোন ওষুধের কেমন খরচ- তা দেখতে পাওয়া যায়। কোন দেশ, কোন ওষুধ, কী পরিমাণে কিনছে; কোম্পানির কাছ থেকে রাষ্ট্র কত দামে কিনছে, সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন দাম কত, লাইসেন্সের অবস্থা- এমন অনেক তথ্য এখানে খুঁজে পাওয়া যায়।

দ্য বিগ ফার্মা প্রজেক্ট-এ ডাইম ব্যবহার করে আমরা বের করতাম, স্বাস্থ্যসেবার আওতায় না থাকা কোনো মানুষের চিকিৎসার জন্য কেমন খরচ হতে পারে।

ডেটাসুর

এই সেবা নিতে হয় টাকা দিয়ে। এখানে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর আমদানি ও রপ্তানি সংক্রান্ত সব তথ্য পাওয়া যায়, সেগুলো এক্সেল ফাইলে ডাউনলোডও করা যায়। ইমপ্ল্যান্ট ফাইলস-এ কাজ করার সময় পেরুতে কী কী চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে, সেটা দেখতে গিয়ে এই টুল খুব কাজে দিয়েছিল। আমাদের যে ধরণের তথ্য দরকার, তার সবই এখানে খুঁজে পেয়েছি। কোন কোম্পানি যন্ত্রটি বানিয়েছে, কোন সালে এটি আমাদের দেশে আমদানি করা হয়েছে, কোন কোম্পানি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে- সব ধরণের তথ্য আমরা এখানে পেয়েছি। বর্তমানে, স্যালুদ কন লুপা–তে আমার সহকর্মীরা ডেটাসুর ব্যবহার করছেন ভেনেজুয়েলায় কোন কোন ওষুধ আমদানি করা হয়েছে সেটা তদন্ত করার জন্য। এ থেকে তারা বুঝতে পারবেন দেশটির এমন মানবিক সংকটে কারা সবচেয়ে বেশি মুনাফা লুটেছে।

রিকোয়েস্ট আ ওম্যান সায়েন্টিস্ট

নাম শুনলে যেমন মনে হয়, ঠিক সেভাবেই কাজ করে এই টুল। স্যালুদ কন লুপায় আমাদের প্রায়ই চিকিৎসা সংক্রান্ত নানা বিষয়ের তথ্য যাচাই করে দেখার প্রয়োজন হয়। ফলে সেই বিষয়ে জ্ঞান আছে এমন কোনো বিশেষজ্ঞকে আমরা খুবই সুনির্দিষ্টভাবে খুঁজে নিতে পারি এই টুল ব্যবহার করে। তারা দুনিয়ার যেখানেই থাকুক না কেন। এই প্ল্যাটফর্মে আপনি দেশ, বিষয়, আগ্রহ ও শিক্ষাগত সনদ ধরে সার্চ করতে পারবেন।

স্ক্রিনশট

গেইল ফোর জিআইজেএনের সহযোগী সম্পাদক। তিনি এর আগে ফ্রান্স ২৪ চ্যানেলে  সামাজিক মাধ্যম থেকে খবর সংগ্রহ এবং তা যাচাইয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি নিউজ ডিপলির সম্পাদক ছিলেন এবং টাইম ম্যাগাজিনে লিখেছেন। 

ক্রিয়েটিভ কমন্স লাইসেন্সের অধীনে আমাদের লেখা বিনামূল্যে অনলাইন বা প্রিন্টে প্রকাশযোগ্য

লেখাটি পুনঃপ্রকাশ করুন


Material from GIJN’s website is generally available for republication under a Creative Commons Attribution-NonCommercial 4.0 International license. Images usually are published under a different license, so we advise you to use alternatives or contact us regarding permission. Here are our full terms for republication. You must credit the author, link to the original story, and name GIJN as the first publisher. For any queries or to send us a courtesy republication note, write to hello@gijn.org.

পরবর্তী

ব্যর্থতাকে আলিঙ্গন করুন, নিজের ভুল থেকেই শিখুন

ওপেন সোর্স রিপোর্টিং ও গোয়েন্দা সংস্থায় কর্মরত লোকজন ভীষণ বুদ্ধিমান। সারাক্ষণ নিজের গণ্ডি ভাংছেন নিজেই। কিন্তু তাঁদের জীবন কি শুধুই সফলতায় মোড়া? নিশ্চয়ই না। তাঁরাও ব্যর্থ হয়েছেন। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে আবার এগিয়ে গেছেন।

This image – showing a Russian military buildup near Ukraine in November 2021 – was one of more than 400 high resolution images of the Ukraine conflict that Maxar’s News Bureau has distributed to journalists.

টিপশীট

রিপোর্টারের টিপশিট: বিনামূল্যে স্যাটেলাইট ছবি কীভাবে পাবেন

জনবলের স্বল্পতা আছে এমন বার্তাকক্ষের ধারণা ফরেনসিক প্রমাণ হাতে পেতে স্যাটেলাইট ছবি সরবরাহকারীদের সঙ্গে বিশেষ চুক্তি করতে হয়, কিংবা ডেটা ও সার্চ করার বিশেষ দক্ষতা লাগে। বিনা পয়সায় ছবি পাওয়া যায় না, আসলেই কি তাই?

Data training at

ছোট নিউজরুমে ডেটা ব্যবহার

তহবিলের অভাব, সীমিত মানব সম্পদ, আর প্রচলিত সাংবাদিকতা সম্পর্কে পুরানো ধ্যান-ধারণা কে পেছনে ফেলে ছোট বার্তাকক্ষগুলেোরও ডেটা সাংবাদিকতার চর্চা করা উচিত। কীভাবে? সেই সন্ধান থাকছে এই প্রতিবেদনে।

ডেটা সাংবাদিকতা

রাষ্ট্র যদি তথ্য লুকায়, অনুসন্ধান করবেন কি করে: বেলারুশ যা শেখাল

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও কী করে বেলারুশের উৎপাদিত সার বিশেষ করে ইউরিয়া ইউরোপিয় ক্রেতাদের হাতে পৌঁছাচ্ছে এবং কীভাবে বেলারুশের বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান উৎপাদনকারী দেশের নাম গোপন করছে  ২০২৩ সালে তা উদ্ঘাটন করেছেন বেলারুশের সাংবাদিকেরা। গোপন তথ্যের খোঁজে তাঁরা ব্যবহার করেছেন নানা সূত্র।