স্টাফ ও পরামর্শক

জিআইজেএন স্টাফ

ডেভিড ই. কাপলান, নির্বাহী পরিচালক। ডেভিড কাপলান দুই ডজন দেশ থেকে ৩৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে অনুসন্ধানী সাংবাদিক হিসাবে কাজ করেছেন এবং একক বা যৌথভাবে ২৫ টিরও বেশি পুরষ্কার জিতেছেন।  অলাভজনক নিউজরুম, অনুসন্ধানী দল এবং অসংখ্য ক্রসবর্ডার প্রকল্প পরিচালনা করেছেন তিনি। আশির দশক এবং নব্বইয়ের গোড়ার দিকে সানফ্রান্সিসকোর সেন্টার ফর ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজমে তিনি এবং তার সহকর্মীরা অলাভজনক অনুসন্ধানী সংবাদ সংস্থার মডেল গড়ে তুলেছিলেন।

শিখরে থাকা অবস্থায় সিআইআর এর আয়ের ৪০ শতাংশ আসতো বাণিজ্যিক রাজস্ব, টেলিভিশন সংবাদ রিটেইনিং, ডকুমেন্টারি নির্মান, প্রকাশনা চুক্তি এবং সিন্ডিকেশন থেকে। ২০০৮ সালে তিনি সেন্টার ফর পাবলিক ইন্টেগ্রিটির সম্পাদকীয় পরিচালক হন। সিপিআই-এ নিউজউমের সম্পাদকীয় কাঠামো এবং ডাটা জার্নালিজম ইউনিট পুননির্মাণ করেন এবং তাদের গ্লোবাল টিমকে ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস (আইসিআইজে) নামে পুনরুজ্জীবিত করেন। আইসিআইজে পরিচালক হিসাবে তিন বছর সময়কালে তিনি তহবিল তিনগুণ বাড়ান, ২০ টি ভাষায় সম্প্রসারিত করেন এবং তামাক, অ্যাসবেস্টস, মাছ ধরা এবং জ্বালানিখাত নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত অনুসন্ধান তত্ত্বাবধান করেন।

কাপলান ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টার অ্যান্ড এডিটরস পুরস্কার জিতেছেন চারবার, যার তিনটিই আইআরই-র সর্বোচ্চ সম্মানসূচক পদক। ওভারসিজ প্রেস ক্লাব চারবার তাঁর কাজকে সম্মানিত করেছে। ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট-এর প্রধান অনুসন্ধানী সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেছেন, যাদের প্রচারসংখ্যা ছিল সপ্তাহে ২০ লাখের বেশী। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাপলানের উল্লেখযোগ্য প্রতিবেদনগুলো ছিল উত্তর কোরীয় কূটনীতিকদের কালোবাজারি,সন্ত্রাসী গোষ্ঠীতে সৌদি অর্থায়ন এবং রাশিয়ার লুটপাট। তাঁর বইগুলোর মধ্যে ইয়াকুজা ১২ টি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে এবং জাপানী মাফিয়া বিষয়ে উল্লেখযোগ্য রেফারেন্স হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। তিনি ২০ বছর ধরে সাংবাদিকতার উন্নয়নে কাজ করেছেন এবং বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার সাংবাদিককে তার অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা কর্মশালায় প্রশিক্ষণ দিয়েছেন।

ইউনিস অউ, প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী। ইউনিস অউ আট বছর ধরে মালয়েশিয়ায় সাংবাদিকতা করেছেন। লিখেছেন রাজনীতি, অপরাধ, পরিবেশ, সন্ত্রাসবাদ ও বিনোদন সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত, তিনি নিউ স্ট্রেইটস্ টাইমস-এর জন্য কাজ করেছেন এবং মালয়েশিয়ার দুটি বিমান ট্র্যাজেডিতে ব্যাপকভাবে রিপোর্ট করেছেন।

ওই সময় ভারপ্রাপ্ত প্রাদেশিক ব্যুরো প্রধান হিসাবে তিনি সেলগর রাজ্যের বিভিন্ন সাংবাদিক ও সংবাদ কভারেজ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দ্য সান, মালয়েশিয়ান টুডে এবং ম্যাডাম চেয়ারে ফ্রিল্যান্স লেখক হিসাবে লেখালেখি করেছেন। জিআইজেএন-এ যোগদানের তিনি সিঙ্গাপুরের স্ট্রেইটস টাইমসের মালয়েশিয়া প্রতিনিধি ছিলেন।

মিরাজ আহমেদ চৌধুরী,বাংলা সম্পাদক। জিআইজেএন বাংলা পরিচালিত হচ্ছে জিআইজেএন এবং বাংলাদেশের গণমাধ্যম উন্নয়ন সংস্থা ম্যানেজমেন্ট রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) এর  অংশীদারিত্বে। মিরাজ, জিআইজেএন-এর বাংলা সম্পাদক। এর পাশাপাশি এমআরডিআই-এর  হেড অব প্রোগ্রাম অ্যান্ড কমিউনিকেশনস্ হিসেবে কাজ করছেন। সাংবাদিকতায় তার রয়েছে ১৪ বছরের অভিজ্ঞতা, যার বড় অংশই টেলিভিশনে। তার কাজের প্রধান ক্ষেত্র ব্যবসা ও অর্থনীতি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী রাজনৈতিক দলের লবিং এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হ্যাকিং নিয়ে তার কয়েকটি আলোচিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর।

গেইল ফোর, সহযোগী সম্পাদক। ফ্রেঞ্চ-আমেরিকান সাংবাদিক গেইল ফোর থাকেন প্যারিসে। তার কাজের অভিজ্ঞতা মূলত অনলাইন ও টিভিতে।  ফ্রান্স টোয়েন্টি ফোর টিভিতে তাঁর কাজের বিশেষ ক্ষেত্র ছিল ভিজ্যুয়াল ইনভেস্টিগেশন এবং সামাজিক মাধ্যম থেকে খবর সংগ্রহ। তিনি কাভার করেছেন মূলত মানবাধিকার, অভিবাসন এবং সংঘাতের মত বিষয়গুলো। তিনি নিউজ ডিপলিতে কন্ট্রিবিউটিং ছিলেন এবং প্যারিসের সায়েন্সেস পো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্যাক্টচেকিং পড়াতেন। ফ্রিল্যান্স হিসেবে তাঁর লেখা ছাপা হয়েছে টাইম ম্যাগাজিন এবং লস এঞ্জেলেস টাইমসে। তিনি ইউসি বার্কলি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতোকোত্তর ডিগ্রী নিয়েছেন।

মাজদোলিন হাসান, আরবি সম্পাদক। সাংবাদিকতায় মাজদোলিন হাসারে অভিজ্ঞতা ১২ বছরের এবং  তিনি তিনটি পুরস্কার জিতেছেন। গ্লোবাল ইন্টিগ্রেটি, 100 রিপোর্টারস এবং আরব রিপোর্টার্স ফর ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজমসহ একাধিক স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থায় তিনি কাজ করেছেন।

মাজদোলিন জর্ডানে একটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ইউনিটের পরিচালক ছিলেন এবং তিনি দেশটির প্রথম নাগরিক যিনি তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য না দেয়ায় জর্দান সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। রাজনীতি বিজ্ঞানে এমএ এবং সাংবাদিকতায় বিএ রয়েছে তার।

ক্যারোলিন ল্যাংস্টন জারবো, উন্নয়ন পরিচালক। ক্যারোলিন জারবো এসেছেন দ্য আটলান্টিক থেকে। তিনি প্রতিষ্ঠানটির প্রথম ডাইরেক্টর অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানিং ফর ফাউন্ডেশন রিলেশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দ্য আটলান্টিকের প্রথম মাল্টি প্ল্যাটফর্ম উদ্যোগের জন্য তহবিল সংগ্রহ শুরু করেন, যা বিশ্বব্যাপী ধর্ম বিষয়ক বীট এবং এখনকার বার্ষিক জাতি + ন্যায়বিচার: আ আটলান্টিক সামিট নামের লাইভ ইভেন্টের জন্ম দেয়। ক্যারোলিন এর আগে সেন্টার ফর পাবলিক ইন্টিগ্রেটিতে ফাউন্ডেশন ডাইরেক্টর ছিলেন। তারা ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার শুরু এনপিআর-এ , আট বছরের কাজের সুবাদে। সেখানে তার তহবিল সংগ্রহের ক্ষেত্র ছিল আন্তর্জাতিক রিপোর্টিং এবং নতুন প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ। তিনি হিউস্টন ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম এবং টুলেন ইউনিভার্সিটির এমএফএ স্নাতক, যেখানে তিনি ফি বিটা কাপা নির্বাচিত হন।

কাতালিনা লোবো-গুয়েরেরো, স্প্যানিশ সম্পাদক। কাতালিনা লোবো-গুয়েরেরো একজন কলম্বিয় ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। এই পেশায় তাঁর অভিজ্ঞতা ১০ বছরের বেশি। তিনি রিপোর্টিং করেছেন মূলত ল্যাটিন আমেরিকার রাজনীতি, সশস্ত্র সংঘাত, মানবাধিকার এবং দুর্নীতির মত বিষয়ে। তাঁর কাজের এলাকা ছিল নিজ দেশ কলম্বিয়া। তবে ভেনেজেুয়েলায় ফরেন করেসপন্ডেন্ট হিসেবে তিন বছর কাজ করেছেন। নিউ ইয়র্ক টাইমস, এল পেইস, দ্য গার্ডিয়ান, সেমানা এবং লা সিলা ভাসিয়ার মত গণমাধ্যমে তার প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। স্বাধীন কনসালট্যান্ট হিসেবে তিনি এই অঞ্চলের সাংবাদিকদের নির্বাচন সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। তিনি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের টনি স্ট্যাবাইল সেন্টার ফল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজেমের একজন ফেলো।

 অ্যানি কোচ, প্রোগ্রাম ডিরেক্টর। দুর্নীতি বিরোধী এনজিও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক হিসেবে যোগ দেয়ার আগে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মূলত বিবিসিতে সাংবাদিক ও নির্বাহী হিসেবে কাজ করেছেন অ্যানি কোচ। বিবিসির সাংবাদিকতা জীবনে তিনি ইংরেজী ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর, রেডিও নিউজের নির্বাহী সম্পাদক এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে অনুষ্ঠান ওয়ার্ল্ড টুনাইট এর সম্পাদক ছিলেন। তিনি ১০০ টি ডকুমেন্টারি তৈরি করেছেন বা সম্পাদনা করেছেন এবং বিবিসি রেডিও 4 এর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা প্রোগ্রাম ফাইল ফর ফোর-এ প্রযোজক হিসাবে কাজ করেছেন। টিআই-তে ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ার পরিচালক হিসাবে তিনি প্রায় ৫০টি স্বাধীন চ্যাপ্টারের তত্ত্বাবধান করেছেন। 

গাব্রিয়েলা মানুলি, ডেপুটি ডিরেক্টর। আর্জেন্টিনার অধিবাসী, গ্যাব্রিয়েলা মানুলি ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা করেছেন রেডিও, টিভি, ম্যাগাজিন ও পত্রিকায়। ২০০৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আর্জেন্টিনার পারফিল নিউজপেপারে অনুসন্ধানী রিপোর্টিং দলের সদস্য ছিলেন এবং লাতিন আমেরিকায় অভিবাসন, মানবাধিকার ও বৈষম্যের মতো বিষয় কভার করেছেন। তিনি আইজেনেটের স্প্যানিশ সম্পাদক এবং কমিউনিটি ম্যানেজার হিসাবেও কাজ করেছেন। একজন ফ্রিল্যান্স প্রতিবেদক হিসেবে তিনি লা ন্যেসিয়ন (আর্জেন্টিনা), এল মুন্ডো (স্পেন) এবং অরসাই পত্রিকা সহ বিভিন্ন প্রকাশনার জন্য লিখেছেন।

তিনি বুদাপেস্টের সেন্ট্রাল ইউরোপীয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে পাবলিক পলিসিতে (মিডিয়া, তথ্য ও যোগাযোগ নীতি) এমএ অর্জন করেছেন। তথ্যে প্রবেশাধিকার, প্রকাশের স্বাধীনতা, সামাজিক মাধ্যম এবং নাগরিক সাংবাদিকতা নিয়ে রয়েছে একাডেমিক গবেষণা। তার এমএ থিসিসের বিষয় ছিল কিভাবে রাজনীতিবিদরা পাবলিক পলিসি সংক্রান্ত যোগাযোগে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করেন। তিনি ইংরেজি ও স্প্যানিশ ভাষায় পারদর্শী। তার লাতিন আমেরিকা, ইউরোপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং বর্তমানে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে বসবাস করছেন।

টবি ম্যাকিনটশ, রিসোর্স সেন্টার পরিচালক। টবি ম্যাকিনটশ জিআইজেএন এর রিসোর্স সেন্টারের পরিচালক হিসেবে কাজ করেন, যা বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের অনলাইন রিসোর্স সরবরাহ করে। তিনি ওয়াশিংটন ডিসি ভিত্তিক আন্তর্জাতিক স্বচ্ছতা আইন বিষয়ক অলাভজনক ওয়েবসাইট FreedomInfo.org এর সম্পাদক ছিলেন, ২০১০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত। টবি ৩৯ বছর ধরে ব্লুমবার্গ বিএনএর সাথে ছিলেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তথ্য অধিকার আইন ব্যবহার করে অনেক আবেদন দায়ের করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাপী তথ্য অধিকার আইন নিয়ে লেখলেখি করেন এবং মুক্ততথ্য সমর্থকদের নেটওয়ার্ক ফোয়নেটের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য।

কোরা মায়ানো, বিজনেস ম্যানেজার। কোরা মায়ানো একজন শিল্প প্রকৌশলী এবং আর্জেন্টিনার রোজারিও ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্নাতক। তার পড়াশোনা গণিত, পদার্থবিদ্যা, পরিসংখ্যান, মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা, শ্রম প্রবিধান, অ্যাকাউন্টিং এবং প্রশাসনের মত বিষয় নিয়ে। তিন বছর ধরে তিনি আর্জেন্টিনার রোজারিওতে অবস্থিত কাসা রেইমুন্ডো নামের পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে কারখানা চালানোর দায়িত্বে ছিলেন। স্থাপত্য, নির্মাণ ও আসবাবপত্র শিল্পের জন্য ৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তারা কাঁচ সরবরাহ করে আসছিলেন। এসটিএস রোজারিও (একটি পরিবেশ বিষয়ক এনজিও) -তে স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে কাজ করেছেন মায়ানো। তিনি TECHO এবং স্থানীয় গ্রন্থাগার সমিতিগুলোকে তহবিল সংগ্রহে সহায়তা করেছেন। ২০১৪ সালে, তিনি হাঙ্গেরি চলে যান এবং করভিনাস ইউনিভার্সিটি থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং ব্যবসায়ের এমএ করেন।

 রেমন্ড মুবানি, আফ্রিকা সম্পাদক। রেমন্ড মুবানি উগান্ডার একজন সাংবাদিক। তিনি সেখানকার দৈনিক মনিটরে একজন প্রতিবেদক হিসেবে কাজ শুরু করেন এবং পরে অনলাইন উপদেষ্টা এবং অনলাইন সম্পাদক হন। জোহানেসবার্গের উইটওয়াটার্সরেন্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড পলিটিক্সে তিনি এমএ অর্জন করেন। উইটসের সাংবাদিকতা বিভাগে তিনি আফ্রিকা-চীন রিপোর্টিং প্রকল্পের জন্য প্রশাসনিক সহকারী হিসাবে কাজ করেছিলেন। জোহানেসবার্গে ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেশন ইনস্টিটিউট এবং কেএএস আফ্রিকার মিডিয়া লেড ডিক্রিমিনালাইজেশন অব এক্সপ্রেশন ক্যাম্পেইনে পার্ট টাইম কাজ করেছেন রেমন্ড। তিনি উগান্ডা বিজনেস নিউজ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সম্পাদক।

অ্যালেস্টেয়ার ওটার, আইটি সমন্বয়কারী। অ্যালেস্টেয়ার ওটার ২০ বছরের বেশী সময় ধরে দক্ষিণ আফ্রিকায় সাংবাদিকতা করছেন। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বেশিরভাগ নামকরা সংবাদপত্রের জন্য কাজ করেছেন। এখন প্রযুক্তি ও ব্যবসা সম্পর্কে অনলাইনে লেখালেখি করেন। টেকটনিক নামে  অনলাইন প্রকাশনা চালান অ্যালেস্টেয়ার। তিনি এর প্রতিষ্ঠাতাও বটে। গেল ১০ বছর ধরে মূলত ওপেন সোর্স সফটওয়্যার কভার করছে টেকটনিক । সাম্প্রতিক সময়ে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষ সংবাদ সাইট আইওএল-এর সম্পাদক ছিলেন । গত পাঁচ বছর ধরে তিনি ডাটা জার্নালিজমের বিশেষ করে ডেটা ভিজ্যুয়ালাইজেশানের উপর মনোযোগ নিবদ্ধ করেছেন এবং শিক্ষা-ভিত্তিক ডাটা জার্নালিজম প্রকল্প মিডিয়া হ্যাক কালেক্টিভপাসমার্কের মাধ্যমে কয়েকটি ইন্টারেক্টিভ প্রকাশ করেছেন।

তানিয়া প্যাম্পালোনি, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক। তানিয়া প্যাম্পালোনি, ২0 বছরেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিক ছিলেন এবং লস এঞ্জেলস, প্রাগ, সান ফ্রান্সিসকো এবং জোহানেসবার্গে লেখক ও সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন। এখন তিনি জোহানেসবার্গেই থাকেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার প্যান ম্যাকমিলান ননফিকশন সম্পাদক, ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্টে কন্ট্রিবিউটিং রাইটার এবং উইটওয়াটার্সরেন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সৃজনশীল ননফিকশন এবং ডিজিটাল স্টোরিটেলিং বিষয়ে শিক্ষকতার ছিলেন। তিনি ডিজিটাল স্টোরিটেলিং ভিত্তিক সংস্থা মিডিয়া হ্যাক কালেক্টিভের প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার । তানিয়া মেইল অ্যান্ড  গার্ডিয়ান পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এবং ম্যাভেরিক ম্যাগাজিনের (বর্তমানে ডেইলি ম্যভারিক) ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এবং আফ্রিকায় কার্যক্রম প্রসারের শুরু থেকে দ্য কনভারসেশন আফ্রিকার হেড অব স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ অ্যান্ড অডিয়েন্স ডেভেলপমেন্ট পদে কাজ করেছেন।

মার্থে রুবিও, ফরাসি সম্পাদক। মার্থে রুবিও একজন ফরাসি ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক। স্পেন এবং আর্জেন্টিনায় পাঁচ বছর কাজ করার পর, তিনি এখন ফ্রান্সে ফিরে আসেন এবং সেখানেই কাজ করছেন। মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনভেস্টিগেটিভ ও ডাটা জার্নালিজম পড়শোনার অংশ হিসাবে স্পেনের গণমাধ্যমে ভর্তুকির ব্যবহার নিয়ে তার দীর্ঘমেয়াদী অনুসন্ধান এল মুন্ডোতে প্রকাশিত হয়। এরপর আর্জেন্টিনার লা ন্যেসিওনের ডেটা টিমে তিনি দুই বছর কাজ করেন। স্লেট এবং লিবারেশন-এ তার লেখা ছাপা হয়েছে এবং ফরাসি সংবাদপত্র লে ফিগারো ও মিডিয়াপার্টের বুয়েনস আইরেস প্রতিবেদক হিসাবেও তিনি কাজ করেছেন।

আমর হাসান সাঈদ, আরবি স্টাফ রাইটার। আমর, সাংবাদিকতায় আট বছর ধরে কাজ করেছেন।  বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ বিষয়ে পড়াশোনা ছেড়ে তিনি নিজ দেশ মিশরে শুরু হওয়া বিপ্লব নিয়ে রিপোর্টিং শুরু করেন। স্থানীয় চ্যানেলগুলিতে তিন বছর কাজ করার পর ,তিনি মাঠ প্রতিবেদক হিসাবে আল জাজিরায় যোগ দেন। নিউ মিডিয়া ও ডিজিটাল সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর পড়াশোনা যখন শেষের দিকে, তখন মিশরীয় কর্তৃপক্ষ কায়রোর আল জাজিরা ব্যুরোতে অভিযান চালায় এবং তার সহকর্মীদের গ্রেফতার করে। তিনি এরপর কাতারে চ্যানেলটির প্রধান কার্যালয়ে চলে যান। সেখানে হ্যাশট্যাগ নামে একটি টিভি শো চালু করেন এবং চার বছর তা উপস্থাপনা করেন। আমর তিউনিস, বৈরুত, ইস্তানবুল এবং লন্ডন থেকে সংবাদ কভার করেছেন এবং বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে আল জাজিরা মুবাশেরের (লাইভ) এর প্রতিবেদক হিসাবে কাজ করছেন।

ওলগা-সিমানোভিচ, রাশিয়ান সম্পাদক। ওলগা সিমানোভিচ ইউক্রেনের নাগরিক। টেলিভিশনে তার অভিজ্ঞতা ১৩ বছরের। কাজ করেছেন সাংবাদিক, চিত্রনাট্যকার এবং ব্যবস্থাপনা সম্পাদক হিসাবে। এরমধ্যে সাত বছর পার করেছেন এসটিবিতে, ভিকনা-নভনি অনুষ্ঠানের প্রতিবেদক হিসাবে। সেখানে তিনি বিশেষায়িত হন রাজনীতি, পরিবেশ, মানবাধিকার এবং চিকিৎসার মত বিষয়ে। ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত, তিনি বিভিন্ন অলাভজনক সংস্থায় মিডিয়া প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেন।  সেসময় তিনি স্কুপ (SCOOP) এর সাথে একটি আন্তর্জাতিক অনুসন্ধানে অংশ নিয়েছিলেন। ওলগা ইউক্রেনের তারাস শেভচেঙ্কো ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্নাতক, ইউক্রেনীয় ও রাশিয়ান ভাষায় পারদর্শী, ইংরেজী ও গ্রিক ভাষায়ও তার দখল রয়েছে।

পরামর্শক

ব্রিজিট গ্যালাঘার গণমাধ্যম, তথ্যে প্রবেশাধিকার এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তহবিল সংগ্রহের কৌশল, বাস্তবায়ন সহায়তা এবং পরামর্শ প্রদান করেন। ননপ্রফিট বা অলাভজনক খাতে তার অভিজ্ঞতা ১৫ বছরের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম দিককার অলাভজনক নিউজরুম ‘সেন্টার ফর পাবলিক ইন্টিগ্রেটি’র মাধ্যমে অলাভজনক মিডিয়া প্রকল্পগুলির সাথে কাজ শুরু করেন ব্রিজিট। ২০১০ সালে গ্যালাঘার গ্রুপ এলএলসি চালুর পর তিনি স্টার্টআপ থেকে শুরু করে সু-প্রতিষ্ঠিত সব ধরনের সংস্থার সাথেই কাজ করেছেন। তার ক্লায়েন্টের তালিকায় রয়েছে কন্টেন্ট নির্মান ও সম্প্রচার প্রতিষ্ঠান, মিডিয়া প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন সংস্থা, থিংকট্যাংক এবং বিশ্ববিদ্যালয়।