ডাঙায় বসে সাগরে থাকা জাহাজ অনুসরণ করবেন যেভাবে

English

আনস্প্ল্যাশ থেকে কিনসির ছবি

বিশ্বের জলপথে ৯০,০০০ এর বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ ঘুরে বেড়াচ্ছে। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন সহজেই ট্র্যাক করা যায়, কোন জাহাজ কোথায় অবস্থান করছে। তা-ও বিনা মূল্যে।

সাগরে চলাচলকারী এই সব জাহাজ (বড় ইয়ট এবং মাছ ধরার নৌকাসহ) ট্র্যাক করার যত রিসোর্স আছে, তার একটি বিশদ তালিকা সংকলন করেছে জিআইজেএন।

এখন সহজেই জানা সম্ভব, কোন জাহাজ কোথা থেকে এসেছে এবং ঠিক ওই মুহূর্তে তারা কোথায় যাচ্ছে।  এ ছাড়া জাহাজের মালিক কে, আপনি তা-ও অনুসন্ধান করতে পারবেন। জানতে পারবেন জাহাজ সম্পর্কে নানা ধরনের তথ্য, দেখতে পারবেন সেই জাহাজের ছবিও। এমন টুলও আছে যা আপনাকে বলে দেবে, জাহাজটিতে থাকা পণ্য-ভর্তি কনটেইনারের গন্তব্য কোথায়।

এই বিষয়ে সার্বিক ধারণা পেতে চাইলে, “পণ্যের শিপমেন্ট ট্র্যাকিংয়ের জন্য কাস্টমসের যে ভাষা জানতে হবে” শিরোনামের প্রেজেন্টেশনটি দেখুন। ২০১৮ সালের এশিয়ান ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম কনফারেন্সে এটি উপস্থাপন করেন কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক জিয়ানিনা সেগিনিনি।  তিনি এখানে তুলে ধরেছেন কাস্টমস কোড ও বিল অব লেডিংয়ের ব্যবহার এবং কনটেইনার ও জাহাজ ট্র্যাকিংয়ের নানা উপায়। জাহাজ, চোরাচালান ও সরবরাহ চেইন অনুসরণ করবেন কীভাবে- এই লেখা থেকে আপনি জাহাজ অনুসরণ সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন।

এই মানচিত্র আপনাকে চমকে দেবে। এখানে দেখবেন মহাসাগরে ঠিক এই মুহূর্তে ঠিক কত জাহাজ চলাচল করছে।

অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (AIS) ব্যবহারের মাধ্যমে কীভাবে জাহাজ ট্র্যাক করতে হয়, তার বিবরণ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। প্রতিদিন প্রায় ১৮০,০০০ জাহাজ থেকে পাঠানো এআইএস সংকেত বিভিন্ন স্টেশন এবং উপগ্রহের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

এই বিষয়ে বেশির ভাগ তথ্য বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। তবে স্পর্শকাতর, একেবারেই হালনাগাদ বা ঐতিহাসিক তথ্যের জন্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করতে হয়। কত টাকা লাগবে, তা নির্ভর করে আপনি কেমন তথ্য চাইছেন তার ওপর। তবে সাধারণত এই ধরনের সেবার সাবস্ক্রিপশন ফি মাসে কয়েক শ ডলার পর্যন্ত  হতে পারে। কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান সাংবাদিকদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। তারা আপনাকে ছবি এবং নানা রকম তথ্য জোগান দিতে পারে।

ট্র্যাকিংয়ের ডেটা যত কাজে লাগে

বিশ্বের সামুদ্রিক ট্রাফিক মানচিত্র। স্ক্রিনশট।

সমুদ্রে জাহাজের সংঘর্ষ নিয়ে প্রতিবেদন করতে হলে ট্র্যাকিংয়ের ডেটা একরকম অপরিহার্য, তা সেটি স্পট রিপোর্টিংই হোক বা অনুসন্ধানী। মার্কিন নৌবাহিনীর একটি রণতরী এবং সিঙ্গাপুরের একটি বাণিজ্যিক জাহাজের মধ্যে ২০১৭ সালে হওয়া সংঘর্ষের প্রতিবেদন যেভাবে তৈরি করেছিল নিউইয়র্ক টাইমস, তার একটি উদাহরণ পাবেন এখানে। এই রিপোর্টের জন্য তাদেরকে তথ্য জোগান দিয়েছিল মেরিন ট্রাফিক।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরা আরও নানা উপায়ে শিপিং ডেটা ব্যবহার করেছেন। এখানে তার কিছু উদাহরণ: